Dhaka ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
হেবা ও মিরাসের বিধান: ইসলামী শরিয়তের আলোকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে বুড়িচংয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে ছাত্রনেতাকে হয়রানির অভিযোগ, মাদক নির্মূলে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন কালীগঞ্জে গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা, তিন সদস্যকে বিশেষ সম্মাননা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে বুড়িচংয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার সংবাদ সম্মেলন ডিমলায় পুকুরে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু কালীগঞ্জ বিএনপির চার দশকের অবিচল রাজনৈতিক আস্থার নাম ‘খায়রুল আহসান মিন্টু’ বটতলা মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের কড়া অভিযান, হেলমেটহীন চালকদের ৩ হাজার টাকা জরিমানা বকশীগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের ড্রেজার ও পাইপ গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন সারের দাবিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ; কৃষি কর্মকর্তা অবরুদ্ধ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার পাথরডুবির মানুষের

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৪১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি


স্বাধীনতার পর থেকে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরডুবি থেকে থানাঘাট যাওয়ার পথে গলাচিপা এলাকায় স্থায়ী সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ ৫৫ বছরেও সেখানে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষিণ পাথরডুবি ও থানাঘাট এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ পথে চলাচল করেন। কিন্তু গলাচিপা এলাকায় সেতু না থাকায় বাঁশের সাঁকোটিই তাদের একমাত্র ভরসা।

স্থানীয়রা নিজেদের বাঁশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে সাঁকো তৈরি করলেও এক বছর পার না হতেই সেটি ভেঙে যায়। আবার নতুন করে তৈরি করতে হয়।

এই সাঁকো দিয়ে কৃষি চাষাবাদ ও অসুস্থ রোগী নিয়ে যাওয়া যায় না। পানি কম থাকলে কাঁধে করে পারাপার করা হয়। অনেকে অসুস্থ হলেও যাতায়াতের ভোগান্তির কারণে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটি দিয়ে পারাপারের সময় অনেকেই ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি বেড়ে গেলে এবং সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাঁকো পার হতে গিয়ে ইতোমধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। কারও হাত-পায়ে আঘাত লেগেছে, আবার কারও হাত ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সাঁকোটি পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, “একটা ব্রিজের জন্য স্থানীয় পর্যায় ছাড়াও সাবেক ও বর্তমান এমপি এবং ঢাকা থেকে আগত পিডি ও ইঞ্জিনিয়ারদের দেখানো হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কেউ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।”

আরও পড়ুনঃ  হরিণাকুন্ডুতে ৫৩তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সংসদ অধিবেশন চলায় কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। একই সঙ্গে কমবে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

হেবা ও মিরাসের বিধান: ইসলামী শরিয়তের আলোকে

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার পাথরডুবির মানুষের

সময়: ০৭:৪১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি


স্বাধীনতার পর থেকে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরডুবি থেকে থানাঘাট যাওয়ার পথে গলাচিপা এলাকায় স্থায়ী সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ ৫৫ বছরেও সেখানে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষিণ পাথরডুবি ও থানাঘাট এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ পথে চলাচল করেন। কিন্তু গলাচিপা এলাকায় সেতু না থাকায় বাঁশের সাঁকোটিই তাদের একমাত্র ভরসা।

স্থানীয়রা নিজেদের বাঁশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে সাঁকো তৈরি করলেও এক বছর পার না হতেই সেটি ভেঙে যায়। আবার নতুন করে তৈরি করতে হয়।

এই সাঁকো দিয়ে কৃষি চাষাবাদ ও অসুস্থ রোগী নিয়ে যাওয়া যায় না। পানি কম থাকলে কাঁধে করে পারাপার করা হয়। অনেকে অসুস্থ হলেও যাতায়াতের ভোগান্তির কারণে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটি দিয়ে পারাপারের সময় অনেকেই ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি বেড়ে গেলে এবং সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাঁকো পার হতে গিয়ে ইতোমধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। কারও হাত-পায়ে আঘাত লেগেছে, আবার কারও হাত ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সাঁকোটি পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, “একটা ব্রিজের জন্য স্থানীয় পর্যায় ছাড়াও সাবেক ও বর্তমান এমপি এবং ঢাকা থেকে আগত পিডি ও ইঞ্জিনিয়ারদের দেখানো হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কেউ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।”

আরও পড়ুনঃ  ইরাকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত্যু, ২৫ দিন পর দেশে ফিরল রেজাউলের লাশ

সংসদ অধিবেশন চলায় কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। একই সঙ্গে কমবে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ।