Dhaka ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন রামপালে স্বস্তির বৃষ্টি, থেকে থেকে অব্যাহত থাকতে পারে কয়েকদিন নবীগঞ্জের ৩টি ক্ষুদ্র দৃ:গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ- শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সামগ্রী পেয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!! নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান সিরাজদিখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন: বাংলাদেশের ভাগ্য কি মার্কিন মুল্লুক না পাকিস্তানের দিকে?

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২১৯ Time View

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন: বাংলাদেশের ভাগ্য কোন পথে?

রুনু হাসান, বাংলাদেশ থেকে | ১২ ফেব্রুয়ারি


কাল ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে কথিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জাতির ভাগ্য নির্ধারণ কি মার্কিন মুল্লুকের দিকে যাচ্ছে নাকি সেই পাকিস্তান—এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের কোটি কোটি বিবেকবান ও প্রগতিশীল চিন্তার মানুষদের। কারণ পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে কোন জাতি তাদের সমাজ, দেশ ও জাতিকে স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বা বিভিন্ন কারণে ব্যর্থ হয়েছে। এর একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা গেছে সঠিক নেতৃত্বের বা নেতার জন্ম না হওয়া। অতীতে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় এবং বর্তমানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সঠিক নেতা বা নেতৃত্ব না থাকাটা একমাত্র উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সেই দিক দিয়ে আমরা বাংলাদেশীরা সৌভাগ্যবান জাতি। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহু ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে আমাদেরকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন। অপর দিকে আমরা চরম দুর্ভাগা জাতি। কারণ আমরা আমাদের বিপথের স্বাধীনতা বিরোধী ক্রিয়া চক্র কর্তৃক ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে এই বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। পাকিস্তানি শোষক গোষ্ঠীর সেই জঙ্গিরা ৫৪ বছরের ব্যবধানে পুনরায় সেই বঙ্গবন্ধুর তনয়া গণতন্ত্রের মানবকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৭৫ এর ন্যায় পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চেয়েছিল। এভাবে ২১ বার শেখ হাসিনাকে বিয়োগান্ত অধ্যায়ে ফেলতে গিয়েও তারা বারংবার ব্যর্থ হয়েছে, মহান রাব্বুল আলামিনের কৃপায়।

এরপর আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রের ক্লিং এজেন্ট ডঃ ইউনুস গং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা অবৈধভাবে দখল করে রেখে ১২ ফেব্রুয়ারির সাজানো, পাতানো নির্বাচন এর মাধ্যমে মূলত ১৯৭১ এর স্বাধীনতা বিরোধী জামাত, রাজাকার, আলবদর ও জঙ্গি গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের শেষ ইচ্ছে পূরণের দিন এটি। প্রমাণ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান এই পাতানো নির্বাচনের সভায় বারবার বলছে—সময় নাই, বেলা শেষ, ক্ষমতায় আমাদেরকে যেতেই হবে। তবু ইশারা ইঙ্গিতে বাস্তব সম্মত প্রমাণ তো প্রকাশ হলো।

আরও পড়ুনঃ  ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

কেননা ডঃ ইউনুস, সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান, জামায়াত, বি,এন,পি—এরা সবাই বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার তিলে তিলে তৈরি করা দেশটিকে শুধু ভোগ করতে চায়। এটাই এই গোষ্ঠীর মূল থিম। তাই বিগত ১৮ মাসে কিংস পার্টি গঠন, পাতানো নির্বাচন, আই ওয়াস—এগুলো হলো বিদেশি অপশক্তি ডিপ স্টেটের মাধ্যমে নিজেদের আখের গোঁছানো ছাড়া অন্য কিছুই না। অপর দিকে এই অপশক্তির কারণে ১৮ কোটি মানুষ বলির পাঠা হচ্ছে যুগের পর যুগ।

কারণ মেজর জিয়া এই রকম ভাবে হাঁ, না ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে বি,এন,পি নামক যেই রাজনৈতিক দল গঠন করে গেছে—এই দল আর জামায়াতে ইসলামী এরা একে অপরের পরিপূরক এবং একে অপরের ক্ষমতার অংশীদার। ঠিক স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ধ্বংসের বেলায়ও তারা এক ও অভিন্ন।

অপর দিকে ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন ডিপ স্টেটের সরাসরি সমর্থন, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যুদ্ধ জাহাজ দিয়ে মার্কিন সমর্থনের অংশীদার সেই পাকিস্তান। পুনরায় ৫৪ বছর পর ডিপ স্টেটের ইতিপূর্বের মালিক মার্কিন ফরমার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নির্বাচিত না হওয়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ডঃ ইউনুস এর মার্কিন গ্রামীণ ব্যাংক কনসেপ্ট এর পার্টনার। ওই সুবাদে মার্কিনীদের অর্ধ শতাব্দীর আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন, বঙ্গোপসাগরে ব্লু ইকোনমির খনিজ সম্পদসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই ভূখণ্ডে তাদের ঘাঁটি গাড়ানোর ক্লিং এজেন্ট পেয়ে যায় এই ডঃ ইউনুসকে। সাথে ১৯৭১ এর একমাত্র মিত্র পাকিস্তান।

এই মূল বিষয়টিই হলো বাংলাদেশের তথাকথিত নামধারী জুলাই যোদ্ধাদের ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলন, ৫ আগস্ট গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে দেশ ত্যাগ করানো। এই সকল কিছুই সেই পাকিস্তান ও মার্কিন মুল্লুকের ১৯৭১ এর সরাসরি বিরোধিতা ও বর্তমান ডিপ স্টেটের ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের অংশ।

ওই অংশের সেই বানরের পিঠা ভাগের পাতানো নির্বাচনটিই হলো আগামীকালের বাংলাদেশের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাতানো খেলার নাটক। এই নাটক মঞ্চায়ন শেষে বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে গেলেও দীর্ঘকালের ডিপ স্টেট ও ম্যাটিকুলাস ডিজাইনারদের কিছুই যায় আসে না—শুধু তাদের সংশ্লিষ্ট সকলের আখের গোঁছানোর লাভটা তারা নিতে চায়।

আরও পড়ুনঃ  নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

তাই নির্বাচন পরবর্তী স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ পাকিস্তানের দিকে নাকি মার্কিন মুল্লুকের দিকে—এই নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক গুঞ্জন দোলা দিয়ে দানা বাঁধছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন: বাংলাদেশের ভাগ্য কি মার্কিন মুল্লুক না পাকিস্তানের দিকে?

সময়: ০৯:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন: বাংলাদেশের ভাগ্য কোন পথে?

রুনু হাসান, বাংলাদেশ থেকে | ১২ ফেব্রুয়ারি


কাল ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে কথিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জাতির ভাগ্য নির্ধারণ কি মার্কিন মুল্লুকের দিকে যাচ্ছে নাকি সেই পাকিস্তান—এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের কোটি কোটি বিবেকবান ও প্রগতিশীল চিন্তার মানুষদের। কারণ পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে কোন জাতি তাদের সমাজ, দেশ ও জাতিকে স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বা বিভিন্ন কারণে ব্যর্থ হয়েছে। এর একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা গেছে সঠিক নেতৃত্বের বা নেতার জন্ম না হওয়া। অতীতে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় এবং বর্তমানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সঠিক নেতা বা নেতৃত্ব না থাকাটা একমাত্র উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সেই দিক দিয়ে আমরা বাংলাদেশীরা সৌভাগ্যবান জাতি। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহু ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে আমাদেরকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন। অপর দিকে আমরা চরম দুর্ভাগা জাতি। কারণ আমরা আমাদের বিপথের স্বাধীনতা বিরোধী ক্রিয়া চক্র কর্তৃক ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে এই বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। পাকিস্তানি শোষক গোষ্ঠীর সেই জঙ্গিরা ৫৪ বছরের ব্যবধানে পুনরায় সেই বঙ্গবন্ধুর তনয়া গণতন্ত্রের মানবকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৭৫ এর ন্যায় পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চেয়েছিল। এভাবে ২১ বার শেখ হাসিনাকে বিয়োগান্ত অধ্যায়ে ফেলতে গিয়েও তারা বারংবার ব্যর্থ হয়েছে, মহান রাব্বুল আলামিনের কৃপায়।

এরপর আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রের ক্লিং এজেন্ট ডঃ ইউনুস গং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা অবৈধভাবে দখল করে রেখে ১২ ফেব্রুয়ারির সাজানো, পাতানো নির্বাচন এর মাধ্যমে মূলত ১৯৭১ এর স্বাধীনতা বিরোধী জামাত, রাজাকার, আলবদর ও জঙ্গি গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের শেষ ইচ্ছে পূরণের দিন এটি। প্রমাণ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান এই পাতানো নির্বাচনের সভায় বারবার বলছে—সময় নাই, বেলা শেষ, ক্ষমতায় আমাদেরকে যেতেই হবে। তবু ইশারা ইঙ্গিতে বাস্তব সম্মত প্রমাণ তো প্রকাশ হলো।

আরও পড়ুনঃ  ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন

কেননা ডঃ ইউনুস, সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান, জামায়াত, বি,এন,পি—এরা সবাই বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার তিলে তিলে তৈরি করা দেশটিকে শুধু ভোগ করতে চায়। এটাই এই গোষ্ঠীর মূল থিম। তাই বিগত ১৮ মাসে কিংস পার্টি গঠন, পাতানো নির্বাচন, আই ওয়াস—এগুলো হলো বিদেশি অপশক্তি ডিপ স্টেটের মাধ্যমে নিজেদের আখের গোঁছানো ছাড়া অন্য কিছুই না। অপর দিকে এই অপশক্তির কারণে ১৮ কোটি মানুষ বলির পাঠা হচ্ছে যুগের পর যুগ।

কারণ মেজর জিয়া এই রকম ভাবে হাঁ, না ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে বি,এন,পি নামক যেই রাজনৈতিক দল গঠন করে গেছে—এই দল আর জামায়াতে ইসলামী এরা একে অপরের পরিপূরক এবং একে অপরের ক্ষমতার অংশীদার। ঠিক স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ধ্বংসের বেলায়ও তারা এক ও অভিন্ন।

অপর দিকে ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন ডিপ স্টেটের সরাসরি সমর্থন, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যুদ্ধ জাহাজ দিয়ে মার্কিন সমর্থনের অংশীদার সেই পাকিস্তান। পুনরায় ৫৪ বছর পর ডিপ স্টেটের ইতিপূর্বের মালিক মার্কিন ফরমার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নির্বাচিত না হওয়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ডঃ ইউনুস এর মার্কিন গ্রামীণ ব্যাংক কনসেপ্ট এর পার্টনার। ওই সুবাদে মার্কিনীদের অর্ধ শতাব্দীর আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন, বঙ্গোপসাগরে ব্লু ইকোনমির খনিজ সম্পদসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই ভূখণ্ডে তাদের ঘাঁটি গাড়ানোর ক্লিং এজেন্ট পেয়ে যায় এই ডঃ ইউনুসকে। সাথে ১৯৭১ এর একমাত্র মিত্র পাকিস্তান।

এই মূল বিষয়টিই হলো বাংলাদেশের তথাকথিত নামধারী জুলাই যোদ্ধাদের ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলন, ৫ আগস্ট গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে দেশ ত্যাগ করানো। এই সকল কিছুই সেই পাকিস্তান ও মার্কিন মুল্লুকের ১৯৭১ এর সরাসরি বিরোধিতা ও বর্তমান ডিপ স্টেটের ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের অংশ।

ওই অংশের সেই বানরের পিঠা ভাগের পাতানো নির্বাচনটিই হলো আগামীকালের বাংলাদেশের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাতানো খেলার নাটক। এই নাটক মঞ্চায়ন শেষে বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে গেলেও দীর্ঘকালের ডিপ স্টেট ও ম্যাটিকুলাস ডিজাইনারদের কিছুই যায় আসে না—শুধু তাদের সংশ্লিষ্ট সকলের আখের গোঁছানোর লাভটা তারা নিতে চায়।

আরও পড়ুনঃ  জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে

তাই নির্বাচন পরবর্তী স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ পাকিস্তানের দিকে নাকি মার্কিন মুল্লুকের দিকে—এই নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক গুঞ্জন দোলা দিয়ে দানা বাঁধছে।