Dhaka ১০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন রামপালে স্বস্তির বৃষ্টি, থেকে থেকে অব্যাহত থাকতে পারে কয়েকদিন নবীগঞ্জের ৩টি ক্ষুদ্র দৃ:গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ- শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সামগ্রী পেয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতমিনান পরিচালক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন বগুড়ায় ডিবির সাঁড়াশি অভিযান: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার-মোটরসাইকেল পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের!! নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান সিরাজদিখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জ, দৌলতপুরের চরকাটারীতে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

তেতুলিয়ায় গাছে গাছে ছড়াচ্ছে আমের মুকুলের ঘ্রাণ, মধুমাসের আগমনী বার্তা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৩:১৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ১৩৩ Time View

 

খাদেমুল ইসলাম জেলা,পঞ্চগড় প্রতিনিধি:


পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া বাতাসে ভাসছে আমের মুকুলের মৌ-মৌ সুবাস। প্রকৃতিজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বসন্তের আবেশ। শীতের জড়তা কাটিয়ে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে তেতুলিয়া উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে ছোট-বড় আমগাছে ফুটতে শুরু করেছে নতুন মুকুল। মুকুলের হলুদাভ আভা আর মন মাতানো ঘ্রাণ যেন মধুমাসের আগমনী বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে চারদিকে। মৌমাছির গুনগুন আর কোকিলের কুহুতানে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে প্রকৃতি।

তেতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে দেখা গেছে বাড়ির আঙিনা,পুকুরপাড় কিংবা রাস্তার ধারে প্রায় সর্বত্রই আমগাছগুলো মুকুলে ছেয়ে গেছে। ধীরে ধীরে প্রতিটি ডাল ভরে উঠছে মুকুলে, বাড়ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

স্থানীয়দের মতে, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর কিছুটা আগেই আমগাছে মুকুল এসেছে। মাঘের শেষ আর ফাল্গুনের শুরুতেই অধিকাংশ গাছে মুকুল ফুটতে শুরু করেছে। যদিও এ তেতুলিয়া উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে বড় আকারে আমচাষ হয় না, তবুও স্থানীয়রা বিভিন্ন হাট-বাজার,স্থানীয় নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করে বাড়ির আঙিনায় আমগাছ রোপণ করে থাকেন।

স্থানীয়রা জানান, আমের মুকুলের প্রধান শত্রু কুয়াশা ও অতিবৃষ্টি,ঝড়ের কারণে অনেক সময় মুকুল ঝরে পড়ে বা নষ্ট হয়ে যায়। তবে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনের সম্ভাবনা ভালো বলেই আশা করছেন তারা।

তেতুলিয়া উপজেলা ৩,নং তেতুলিয়া ইউনিয়নের বুড়িমুটকি স্কুল শিক্ষক
গ্রামের লিটন , বলেন, “এবার অন্য বছরের তুলনায় বেশি মুকুল এসেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।”

তেতুলিয়া ইউনিয়নের রণচণ্ডী গ্রামের আব্দুল রহমান জানান “অন্যবারের চেয়ে কিছুটা আগেই মুকুল এসেছে। মুকুল আসার পর থেকেই গাছের পরিচর্যা শুরু করেছি। রোগ-বালাই থেকে রক্ষা পেতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ স্প্রে করছি।”

তেতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাবরিনা আফরিন
বলেন, “এবার আগাম মুকুল এসেছে। কোথাও কোথাও গাছে একসঙ্গে মুকুল ও নতুন পাতা দেখা যাচ্ছে। তেতুলিয়া নির্দিষ্ট কোনো বাণিজ্যিক আমবাগান নেই। তবে কেউ বাণিজ্যিকভাবে আমচাষে আগ্রহী হলে উপজেলা কৃষি অফিস প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেবে।” তিনি আরো বলেন
“আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মুকুল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম। আমের মুকুল সুরক্ষায় উকুননাশক এভোমেট্রিন ও ছত্রাকনাশক মেনকোজেভ স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ উপজেলায় মাটি ও আবহাওয়া আমচাষের জন্য উপযোগী। পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে আমচাষের সম্ভাবনাও রয়েছে।”

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চমেক হাসপাতালের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

তেতুলিয়ায় গাছে গাছে ছড়াচ্ছে আমের মুকুলের ঘ্রাণ, মধুমাসের আগমনী বার্তা

সময়: ০৩:১৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

 

খাদেমুল ইসলাম জেলা,পঞ্চগড় প্রতিনিধি:


পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া বাতাসে ভাসছে আমের মুকুলের মৌ-মৌ সুবাস। প্রকৃতিজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বসন্তের আবেশ। শীতের জড়তা কাটিয়ে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে তেতুলিয়া উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে ছোট-বড় আমগাছে ফুটতে শুরু করেছে নতুন মুকুল। মুকুলের হলুদাভ আভা আর মন মাতানো ঘ্রাণ যেন মধুমাসের আগমনী বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে চারদিকে। মৌমাছির গুনগুন আর কোকিলের কুহুতানে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে প্রকৃতি।

তেতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে দেখা গেছে বাড়ির আঙিনা,পুকুরপাড় কিংবা রাস্তার ধারে প্রায় সর্বত্রই আমগাছগুলো মুকুলে ছেয়ে গেছে। ধীরে ধীরে প্রতিটি ডাল ভরে উঠছে মুকুলে, বাড়ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

স্থানীয়দের মতে, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর কিছুটা আগেই আমগাছে মুকুল এসেছে। মাঘের শেষ আর ফাল্গুনের শুরুতেই অধিকাংশ গাছে মুকুল ফুটতে শুরু করেছে। যদিও এ তেতুলিয়া উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে বড় আকারে আমচাষ হয় না, তবুও স্থানীয়রা বিভিন্ন হাট-বাজার,স্থানীয় নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করে বাড়ির আঙিনায় আমগাছ রোপণ করে থাকেন।

স্থানীয়রা জানান, আমের মুকুলের প্রধান শত্রু কুয়াশা ও অতিবৃষ্টি,ঝড়ের কারণে অনেক সময় মুকুল ঝরে পড়ে বা নষ্ট হয়ে যায়। তবে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনের সম্ভাবনা ভালো বলেই আশা করছেন তারা।

তেতুলিয়া উপজেলা ৩,নং তেতুলিয়া ইউনিয়নের বুড়িমুটকি স্কুল শিক্ষক
গ্রামের লিটন , বলেন, “এবার অন্য বছরের তুলনায় বেশি মুকুল এসেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।”

তেতুলিয়া ইউনিয়নের রণচণ্ডী গ্রামের আব্দুল রহমান জানান “অন্যবারের চেয়ে কিছুটা আগেই মুকুল এসেছে। মুকুল আসার পর থেকেই গাছের পরিচর্যা শুরু করেছি। রোগ-বালাই থেকে রক্ষা পেতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ স্প্রে করছি।”

তেতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাবরিনা আফরিন
বলেন, “এবার আগাম মুকুল এসেছে। কোথাও কোথাও গাছে একসঙ্গে মুকুল ও নতুন পাতা দেখা যাচ্ছে। তেতুলিয়া নির্দিষ্ট কোনো বাণিজ্যিক আমবাগান নেই। তবে কেউ বাণিজ্যিকভাবে আমচাষে আগ্রহী হলে উপজেলা কৃষি অফিস প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেবে।” তিনি আরো বলেন
“আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মুকুল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম। আমের মুকুল সুরক্ষায় উকুননাশক এভোমেট্রিন ও ছত্রাকনাশক মেনকোজেভ স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ উপজেলায় মাটি ও আবহাওয়া আমচাষের জন্য উপযোগী। পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে আমচাষের সম্ভাবনাও রয়েছে।”