
মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর
বিগত ৪ দশক ধরে কাজির ডেউড়ির ২ নং গলিতে ত্রাসের রাজত্ব চালাচ্ছে সাংবাদিক নামধারী সাংঘাতিক ডেইজি মউদুদ। শশুরবাড়ির জমি কূটচালে দখলে নিয়ে তার অহংকার আরো বেড়ে যায়। উত্তরজেলা আ’লীগ নেত্রী লুবনা হারুন বয়সে তার অনেক ছোট হলেও তাকে বান্ধবী বানিয়ে ঘরে আমন্ত্রণ জানাই। রাতভর গানের জলসা ও বাহারি খানার আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে সাংবাদিক, শিল্পী ও নেতাদের। দলের নেতাকে বান্ধবী বানিয়ে দাপট আরো বাড়ে। পুরো এলাকায় কথায় কথায় পুলিশের ভয় দেখায়। এলাকার মানুষ আড়ালে ডাকে দস্যু ফুলন দেবী। কাঁচা বাজরে প্রবেশ করে সম্রাজ্ঞীর মত। দামি দামি মাছ – মাংস তার থলে ভর্তি হয়। পিছনে থাকে কাজের বুয়া। দেখে মনে হবে কোন কোটি পতি। অবশ্য যে সব সম্পত্তি বাগিয়েছে তার আর্থিক হিসেব করলে তাই হবে। পাড়ায় কেউ তাকে পছন্দ করেনা। যুবকরা সালাম নাদিলে গালিগালাজ করে। তাকে দেখলে মান সম্মানের ভয়ে মানুষ পথ এড়িয়ে যায়। মানুষ বলে কবি ওহিদুল আলম কিভাবে এই দস্যুকে ঘরে তুললেন।
কাজির দেউড়ির পুরাতন বাড়ি থেকে শাশুড়িকে বের করে দেয়। সেই ঘর দখলে নেয়। শশুর -শাশুড়িকে কোন সেবা দূরে থাক ফিরেও তাকায়নি। যার উসিলায় চাকরি পেয়েছে তার উপর করেছে নির্যাতন। দেবর মাদকাসক্ত থাকার সুযোগ নিয়েছে সে। চাকরি করে সে টাকায় নিজের উৎশৃঙ্খল জীবন কাটিয়েছে। নারী নারী বলে সে সবচেয়ে বেশি অধিকার হরণ করেছে নারীদের। একমাত্র পুত্রবধূর উপর করছে নির্যাতন। বাচ্চা নিয়ে এই পুত্র বধূ আছে মহাসংকটে। এক প্রকার কারাগারের জীবন নিয়ে দিন কাটছে নিরীহ মেয়েটির।
মানুষকে হাত করে ফায়দা লুটার যাদু আছে দস্যু ডেইজির।পূর্বকোণে সহকর্মীদের হাতে রাখতে বাসা থেকে গরুর মাংস ও পরোটা নিয়ে যেত ডেইজি। সিনিয়রদের হাত করে ধান্দার নিউজ গুলো ধরতো। চট্টগ্রামের একটা এলিট গ্ৰুপের দুই নাম্বারি নিউজ সে দীর্ঘদিন পূর্বকোণে ছাপিয়ে ফায়দা লুটেছে। তার ঘরে আলমারি ভর্তি দামি দামি শাড়ি গহনা। দুই জন কাজের বুয়া তার ঘরের কাজ করে। এদের ঠিক মত বেতন দেয় না। কাজ করতে না এলে বস্তিতে গিয়ে পুলিশের ভয় দেখায়। সকালে বুয়ারা তার শরীর ম্যাসেজ করে, তারপর নাস্তা দিতে হয়। নাস্তা খেয়ে সেজেগুঁজে বের হয়ে যায়। পুত্রবধূ স্কুলে চাকরি করতে সন্তানদের বাপের বাসায় রাখতে যায়। সে এতোই খারাপ যে তার নাতি – নাতনি কে কোলে নেয় না। পুত্রবধূর সাথে তার সম্পর্ক শত্রুর মত। মায়ের এমন অত্যাচার ছেলে নীরবে সহ্য করছে। কারণ তাকে চাকরি দিয়েছে তার মা। বেচারা নিজের বউয়ের উপর মায়ের অমানসিক অত্যাচার সয়ে যেতে হচ্ছে।
তার স্বামীর বড় ভাই ড মাহমুদুল আলম এক সময় ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু এই ডাইনির কূটবুদ্ধি ধরে আপন বোনদের জমির ভাগ বঞ্চিত করেছে। কেবলমাত্র ডেইজির কু বুদ্ধি ধরে মাহমুদ তার জীবনের সমস্ত অর্জন বিসর্জন দিলেন। কাজির দেউড়ি জমিটি দুই নাম্বারি করার সমস্ত কাজ এই পোল্টিবাজ মহিলা করেছে। মাহমুদের স্ত্রী ও দুই প্রবাসী সন্তান এই অপকর্মের বিরুদ্ধে। কিন্তু ডেইজি ভাসুরকে রাজমোহনি দিয়ে অন্ধ করে কাজটি শেষ করে। দেবর বাচাকে সন্ত্রাসী দিয়ে মারার হুমকি দিয়েছে অনেক বার। সাংবাদিক পরিচয় ও আলম পরিবারের নাম বিক্রি করে সে হেন কোন কাজ নাই করেনি। এতো সম্পত্তি অর্জনের পরও সে অনেক মানুষের টাকা পরিশোধ করেনি। জিনিস কিনে টাকা না দিয়ে চলে যায়। টাকা খুঁজলে পুলিশের ভয় দেখায়।
চাকরি চলে যাওয়া পর সে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রতিদিন বের হয়। কোথায় অনুষ্ঠান আছে সেখানে বিনা আমন্ত্রণে হাজির হয়। সেলফি তুলে ফেসবুকে দেয়। মানুষকে দেখায় সব অনুষ্ঠানে সে আমন্ত্রিত। বাস্তবে পেশায় না থাকলে কেউ আমন্ত্রণ জানায় না।
হাসিনার আমলে সব সুবিধা নিয়ে এখন সে মরিয়া বি এন পির মহিলা এম পি হতে। অবশ্য তার সেই স্বপ্ন আর বাস্তব হবেনা।
Reporter Name 























