Dhaka ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বীরগঞ্জে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জনের কারাদণ্ড, জেলহাজতে প্রেরণ মণিরামপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কেশবপুরের যুবক নিহত, গুরুতর আহত ২ কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: এক লাখ টাকা জরিমানা ও ১ মাসের কারাদণ্ড দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত শাহমাহমুদপুরে বিশ্ব খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউএনও’র সরেজমিন পরিদর্শন নরসিংদীর শিবপুরে কলেজের বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ ভাঙ্গুড়ায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা ও নানা অপকর্মের অভিযোগ: গ্রন্থাগারিক সবুজের বহিষ্কার দাবি উখিয়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা জব্দ, আটক ১ লালপুর গ্রামের রাস্তায় জলবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

আজ সেই ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল ইতিহাসের ভয়াবহ ঘূর্নিঝড়

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার,


১৯৯১ সালের ঘূর্নিঝড় পরিচিতিঃ নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরনকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে একটি। এটি ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল বাংলাদেশে দক্ষিণপূর্ব চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ২৫০কিমি/ঘন্টা বেগে আঘাত করে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ৬মিটার (২০ ফুট) উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত করে এবং এর ফলে প্রায় ১,৩৮,০০০ মানুষ নিহত হয় এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়।

এই ঘূর্নিঝড়ে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়।এদের বেশিরভাগই নিহত হয় চট্টগ্রাম জেলার উপকূল ও উপকূলীয় দ্বীপসমূহে। সন্দ্বীপ, মহেশখালী, হাতিয়া ইত্যাদী দ্বীপে নিহতের সংখ্যা সর্বাধিক। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল শিশু ও বৃদ্ধ। ১৯৭০ এর ভোলা ঘূর্নিঝড়ের পর অনেক সাইক্লোন শেল্টার নির্মান করা হলেও সচেতনতা ও অজ্ঞাতার কারনে অনেকেই সাইক্লোনের মাত্র ঘন্টাখানেক আগে সেখানে আশ্রয় নেয়। অনেকেই ঝড়ের ভয়াবহতা বেশি হবে না এই আশায় আশ্রয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয় নি। ধারণা করা হয় প্রায় ২০ লক্ষ লোক আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে বিপদজনক স্থানে অবস্থানের কারনে ঘূর্নিঝড়ে আক্রান্ত হয়।

আর্থিক ক্ষতি
ধারণা করা হয় এই ঘূর্নিঝড়ের কারনে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের ( মার্কিন ডলার) ক্ষতি হয়। সাগর ও নদীর উপকূল প্লাবিত হয়। কর্নফুলি নদীর তীরে কঙ্ক্রিটের বাঁধ থাকলেও এটি জলচ্ছাসে ধ্বংস হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের ১০০টন ওজনের একটি ক্রেন ঘূর্নিঝড়ে আঘাতে স্থানচ্যুত হয় এবং আঘাতের কারনে টুকরো টুকরো অংশে বিভক্ত হয়। বন্দরে নোঙর করা বিভিন্ন ছোট বড় জাহাজ, লঞ্চ ও অন্যান্য জলযান ও আকাশ নিখোজ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার মধ্যে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অনেক যানও বিদ্যমান। প্রায় ১০ লক্ষ ঘড়-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এতে ১ কোটি মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পরে।

আরও পড়ুনঃ  নির্যাতন বন্ধে সমাজ ও প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন প্রয়োজন - আইনমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বীরগঞ্জে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জনের কারাদণ্ড, জেলহাজতে প্রেরণ

আজ সেই ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল ইতিহাসের ভয়াবহ ঘূর্নিঝড়

সময়: ১০:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার,


১৯৯১ সালের ঘূর্নিঝড় পরিচিতিঃ নিহতের সংখ্যা বিচারে স্মরনকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে একটি। এটি ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল বাংলাদেশে দক্ষিণপূর্ব চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ২৫০কিমি/ঘন্টা বেগে আঘাত করে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ৬মিটার (২০ ফুট) উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত করে এবং এর ফলে প্রায় ১,৩৮,০০০ মানুষ নিহত হয় এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়।

এই ঘূর্নিঝড়ে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়।এদের বেশিরভাগই নিহত হয় চট্টগ্রাম জেলার উপকূল ও উপকূলীয় দ্বীপসমূহে। সন্দ্বীপ, মহেশখালী, হাতিয়া ইত্যাদী দ্বীপে নিহতের সংখ্যা সর্বাধিক। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল শিশু ও বৃদ্ধ। ১৯৭০ এর ভোলা ঘূর্নিঝড়ের পর অনেক সাইক্লোন শেল্টার নির্মান করা হলেও সচেতনতা ও অজ্ঞাতার কারনে অনেকেই সাইক্লোনের মাত্র ঘন্টাখানেক আগে সেখানে আশ্রয় নেয়। অনেকেই ঝড়ের ভয়াবহতা বেশি হবে না এই আশায় আশ্রয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয় নি। ধারণা করা হয় প্রায় ২০ লক্ষ লোক আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে বিপদজনক স্থানে অবস্থানের কারনে ঘূর্নিঝড়ে আক্রান্ত হয়।

আর্থিক ক্ষতি
ধারণা করা হয় এই ঘূর্নিঝড়ের কারনে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের ( মার্কিন ডলার) ক্ষতি হয়। সাগর ও নদীর উপকূল প্লাবিত হয়। কর্নফুলি নদীর তীরে কঙ্ক্রিটের বাঁধ থাকলেও এটি জলচ্ছাসে ধ্বংস হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের ১০০টন ওজনের একটি ক্রেন ঘূর্নিঝড়ে আঘাতে স্থানচ্যুত হয় এবং আঘাতের কারনে টুকরো টুকরো অংশে বিভক্ত হয়। বন্দরে নোঙর করা বিভিন্ন ছোট বড় জাহাজ, লঞ্চ ও অন্যান্য জলযান ও আকাশ নিখোজ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার মধ্যে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অনেক যানও বিদ্যমান। প্রায় ১০ লক্ষ ঘড়-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এতে ১ কোটি মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পরে।

আরও পড়ুনঃ  শেরে বাংলা ও বঙ্গবন্ধু: একটি জাতির মুক্তি ও স্বপ্নের অবিনাশী যোগসূত্র