Dhaka ০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু। শাহবাগের একটি ম্যাস থেকে এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার। নোয়াপাড়ায় আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বীমা দলিল বিতরণ বুড়িচংয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সাপাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ২ জন ডাকাত আটক গাজীপুর ১ আসনের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবিত সভা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব বালিয়াডাঙ্গীতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২ পরিবার পেল টিন ও নগদ সহায়তা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ভাঙ্গুড়ায় ঘুষের টাকা ফেরতের দাবিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

 

মো. মেহেদী হাসান উপজেলা প্রতিনিধি, ভাঙ্গুড়া (পাবনা):

ঘুষের ২১ লাখ টাকা ফেরতের দাবিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ঘুষের ২১ লাখ টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার দুপুরে খানমরিচ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ করা হয়।

 

চাকরি প্রার্থীরা বলেন, চাকরি দেওয়ার নামে ওই অধ্যক্ষ আমাদের কাছ থেকে ২১ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। অথচ আমাদের চাকরি না দিয়ে নিজের আত্মীয়-স্বজন ও পছন্দের লোকদের তিনি চাকরি দিয়েছেন। এখন হয় তিনি আমাদের চাকরি দেবেন, না হয় টাকা ফেরত দিতে হবে।

জানা যায়, ২০০০ সালে উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের চন্ডিপুর বাজারে খানমরিচ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ স্থাপিত হয় । সে সময় পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোফাজ্জল হোসেন সাগর অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ মাধ্যমিক শাখা এমপিওভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে স্কুল শাখা এমপিওভুক্ত হয়।

অভিযোগে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে কলেজটিতে নৈশ্যপ্রহরী পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ। এতে চারজন চাকরি প্রার্থী আবেদন করেন। ১ মে ছুটির দিনে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ পরীক্ষার আগে মোফাজ্জল হোসেন চাকরি দেয়ার কথা বলে খানমরিচ গ্রামের বাসিন্দা লিমন নামে এক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ও হেলাল উদ্দিন নামে এক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেন।

এছাড়া ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে অফিস সহকারী পদে নুরুজ্জামান নামে একজনের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা এবং ২০০২ সালে কম্পিউটার অপারেটর পদে তোফায়েল আহমেদ নামে একজনের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, গ্রামবাসী ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলছে। আমি কারো কাছ থেকে ঘুষ নেইনি। স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শেরপুরে সাদেক আলীফাউন্ডেশনের মেধা বৃত্তি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আরিফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি

ভাঙ্গুড়ায় ঘুষের টাকা ফেরতের দাবিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

সময়: ০৯:২১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

মো. মেহেদী হাসান উপজেলা প্রতিনিধি, ভাঙ্গুড়া (পাবনা):

ঘুষের ২১ লাখ টাকা ফেরতের দাবিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ঘুষের ২১ লাখ টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার দুপুরে খানমরিচ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ করা হয়।

 

চাকরি প্রার্থীরা বলেন, চাকরি দেওয়ার নামে ওই অধ্যক্ষ আমাদের কাছ থেকে ২১ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। অথচ আমাদের চাকরি না দিয়ে নিজের আত্মীয়-স্বজন ও পছন্দের লোকদের তিনি চাকরি দিয়েছেন। এখন হয় তিনি আমাদের চাকরি দেবেন, না হয় টাকা ফেরত দিতে হবে।

জানা যায়, ২০০০ সালে উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের চন্ডিপুর বাজারে খানমরিচ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ স্থাপিত হয় । সে সময় পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোফাজ্জল হোসেন সাগর অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ মাধ্যমিক শাখা এমপিওভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে স্কুল শাখা এমপিওভুক্ত হয়।

অভিযোগে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে কলেজটিতে নৈশ্যপ্রহরী পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ। এতে চারজন চাকরি প্রার্থী আবেদন করেন। ১ মে ছুটির দিনে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ পরীক্ষার আগে মোফাজ্জল হোসেন চাকরি দেয়ার কথা বলে খানমরিচ গ্রামের বাসিন্দা লিমন নামে এক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ও হেলাল উদ্দিন নামে এক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেন।

এছাড়া ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে অফিস সহকারী পদে নুরুজ্জামান নামে একজনের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা এবং ২০০২ সালে কম্পিউটার অপারেটর পদে তোফায়েল আহমেদ নামে একজনের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, গ্রামবাসী ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলছে। আমি কারো কাছ থেকে ঘুষ নেইনি। স্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় প্রধান শিক্ষিকা বিদায় ও সংবর্ধনা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আরিফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।