Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কাউখালীতে দূর্ধর্ষ চোরাই চক্রের সদস্য গ্রেফতার তাহিরপুর যাদুকাটা নদীতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলা,ড্রেজার মালিকের ৯০ দিনের কারাদন্ড সোনাদিয়ায় যৌথ উচ্ছেদ অভিযান, খাস জমি পুনরুদ্ধার মিরপুরে মাদক কারবারিকে ছাড়াতে তদবীর করতে থানায় এসে বিএনপি-জামায়াতের ৫ নেতা-কর্মী হেফাজতে ময়মনসিংহ তারাকান্দা ঘর নির্মাণ নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা, উভয় পক্ষের থানার অভিযোগ ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ তৈরির কারখানায় অভিযান, অর্থদন্ড দুইজনের কারাদণ্ড গাজীপুরে ৫ খুনের ঘটনায় জানা যাচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে লালখান বাজারে বিশাল মানববন্ধন চাঁদপুরের ব্যস্ততম ওয়ারলেস বাজারে নেই পাবলিক টয়লেট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী ও সাধারণ মানুষ পুঠিয়া-দুর্গাপুরে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে কঠোর অবস্থানে এমপি- নজরুল ইসলাম
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

মিরপুরে মাদক কারবারিকে ছাড়াতে তদবীর করতে থানায় এসে বিএনপি-জামায়াতের ৫ নেতা-কর্মী হেফাজতে

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:১৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ২০ Time View

 

 

 

রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :


কুষ্টিয়ার মিরপুরে আটককৃত মাদক কারবারিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ নেতাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে একজন বিএনপি সমর্থক এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

শনিবার (৯ মে) রাতে তদবীরকৃত ৫ জনকে হেফাজতে নেয় মিরপুর থানা পুলিশ।

 

আটককৃতরা হলেন-
উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে এনামুল হক (৪৫), আলী আকবরের ছেলে সুজন আলী (৩৩), মৃত মেহের আলী মালিথার ছেলে আলাউদ্দিন (৪৩), রমজান মণ্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং মৃত ইছাহক মালিথার ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৯)। আটককৃতদের মধ্যে এনামুল হক বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

জানা গেছে, শনিবার রাতে নওদা আজমপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে আট পিস ইয়াবাসহ আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। রবিউলকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করার পর সেখানে উপস্থিত হন একই এলাকার বিএনপি ও জামায়াতের ওই নেতারা। তারা আটককৃত রবিউলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশ ওই পাঁচজনকে হেফাজতে নেয়।

 

এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, রবিউল ইসলাম নামের মাদকের এক আসামিকে আমলা ক্যাম্প পুলিশ ধরেছিল। আমার কাছে ওই আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তদবির করতে আসেন। জামায়াতের ৪ জন নেতা এবং বিএনপির একজন বর্তমান মেম্বার। তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের পাঁচজনকেই আমার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে থানায় এসে রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চাপ প্রয়োগ খুবই দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন ওসি। উপজেলা এলাকায় মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে ৮৪ কোটির টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাইটেক পার্ক স্টেশন এখন মাদকসেবীদের দখলে
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কাউখালীতে দূর্ধর্ষ চোরাই চক্রের সদস্য গ্রেফতার

মিরপুরে মাদক কারবারিকে ছাড়াতে তদবীর করতে থানায় এসে বিএনপি-জামায়াতের ৫ নেতা-কর্মী হেফাজতে

সময়: ১২:১৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

 

 

রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :


কুষ্টিয়ার মিরপুরে আটককৃত মাদক কারবারিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ নেতাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে একজন বিএনপি সমর্থক এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

শনিবার (৯ মে) রাতে তদবীরকৃত ৫ জনকে হেফাজতে নেয় মিরপুর থানা পুলিশ।

 

আটককৃতরা হলেন-
উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে এনামুল হক (৪৫), আলী আকবরের ছেলে সুজন আলী (৩৩), মৃত মেহের আলী মালিথার ছেলে আলাউদ্দিন (৪৩), রমজান মণ্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং মৃত ইছাহক মালিথার ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৯)। আটককৃতদের মধ্যে এনামুল হক বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

জানা গেছে, শনিবার রাতে নওদা আজমপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে আট পিস ইয়াবাসহ আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। রবিউলকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করার পর সেখানে উপস্থিত হন একই এলাকার বিএনপি ও জামায়াতের ওই নেতারা। তারা আটককৃত রবিউলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশ ওই পাঁচজনকে হেফাজতে নেয়।

 

এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, রবিউল ইসলাম নামের মাদকের এক আসামিকে আমলা ক্যাম্প পুলিশ ধরেছিল। আমার কাছে ওই আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তদবির করতে আসেন। জামায়াতের ৪ জন নেতা এবং বিএনপির একজন বর্তমান মেম্বার। তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের পাঁচজনকেই আমার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে থানায় এসে রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চাপ প্রয়োগ খুবই দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন ওসি। উপজেলা এলাকায় মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, অটোচালকদের আন্দোলনে তীব্র যানজট