Dhaka ০৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সমঝোতার রাজনীতিতে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সান্তাহারে ছাতিম গাছের ডালে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, মৃত্যু নিয়ে রহস্য ফিবোনাকি রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন কেএফটির প্রিয়ন্ত ও তার দল, এবার লক্ষ্য ইতালি বিশ্বম্ভরপুর পিএফজির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত নবীনগরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি প্রদান সবুজ পরিবেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিশ্বম্ভরপুরে ৪২০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ বিতরণ বিএনপির দুর্দিনে কর্মীদের পাশে থাকা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ‘বাবলু ভাই’ আজ কালীগঞ্জের রাজনীতিতে এক বিশ্বস্ত নাম রামপালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সাপাহারে শিক্ষক আছেন ১৫ জন, কাগজে শিক্ষার্থী ২৯৯; মাদ্রাসায় গিয়ে মিলল মাত্র ৪ জন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

মিরপুরে মাদক কারবারিকে ছাড়াতে তদবীর করতে থানায় এসে বিএনপি-জামায়াতের ৫ নেতা-কর্মী হেফাজতে

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:১৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১১৪ Time View

 

 

 

রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :


কুষ্টিয়ার মিরপুরে আটককৃত মাদক কারবারিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ নেতাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে একজন বিএনপি সমর্থক এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

শনিবার (৯ মে) রাতে তদবীরকৃত ৫ জনকে হেফাজতে নেয় মিরপুর থানা পুলিশ।

 

আটককৃতরা হলেন-
উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে এনামুল হক (৪৫), আলী আকবরের ছেলে সুজন আলী (৩৩), মৃত মেহের আলী মালিথার ছেলে আলাউদ্দিন (৪৩), রমজান মণ্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং মৃত ইছাহক মালিথার ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৯)। আটককৃতদের মধ্যে এনামুল হক বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

জানা গেছে, শনিবার রাতে নওদা আজমপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে আট পিস ইয়াবাসহ আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। রবিউলকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করার পর সেখানে উপস্থিত হন একই এলাকার বিএনপি ও জামায়াতের ওই নেতারা। তারা আটককৃত রবিউলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশ ওই পাঁচজনকে হেফাজতে নেয়।

 

এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, রবিউল ইসলাম নামের মাদকের এক আসামিকে আমলা ক্যাম্প পুলিশ ধরেছিল। আমার কাছে ওই আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তদবির করতে আসেন। জামায়াতের ৪ জন নেতা এবং বিএনপির একজন বর্তমান মেম্বার। তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের পাঁচজনকেই আমার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে থানায় এসে রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চাপ প্রয়োগ খুবই দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন ওসি। উপজেলা এলাকায় মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  জবির সাবেক শিক্ষার্থীদের বহনকারী ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে, আহত ১৫
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সমঝোতার রাজনীতিতে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মিরপুরে মাদক কারবারিকে ছাড়াতে তদবীর করতে থানায় এসে বিএনপি-জামায়াতের ৫ নেতা-কর্মী হেফাজতে

সময়: ১২:১৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

 

 

রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :


কুষ্টিয়ার মিরপুরে আটককৃত মাদক কারবারিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ নেতাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে একজন বিএনপি সমর্থক এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

শনিবার (৯ মে) রাতে তদবীরকৃত ৫ জনকে হেফাজতে নেয় মিরপুর থানা পুলিশ।

 

আটককৃতরা হলেন-
উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে এনামুল হক (৪৫), আলী আকবরের ছেলে সুজন আলী (৩৩), মৃত মেহের আলী মালিথার ছেলে আলাউদ্দিন (৪৩), রমজান মণ্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং মৃত ইছাহক মালিথার ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩৯)। আটককৃতদের মধ্যে এনামুল হক বিএনপি সমর্থিত ইউপি সদস্য এবং বাকী চারজন জামায়াত সমর্থক ।

জানা গেছে, শনিবার রাতে নওদা আজমপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে আট পিস ইয়াবাসহ আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। রবিউলকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করার পর সেখানে উপস্থিত হন একই এলাকার বিএনপি ও জামায়াতের ওই নেতারা। তারা আটককৃত রবিউলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশ ওই পাঁচজনকে হেফাজতে নেয়।

 

এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, রবিউল ইসলাম নামের মাদকের এক আসামিকে আমলা ক্যাম্প পুলিশ ধরেছিল। আমার কাছে ওই আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তদবির করতে আসেন। জামায়াতের ৪ জন নেতা এবং বিএনপির একজন বর্তমান মেম্বার। তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের পাঁচজনকেই আমার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে থানায় এসে রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চাপ প্রয়োগ খুবই দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন ওসি। উপজেলা এলাকায় মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ১ বিলিয়ন ডলার