Dhaka ১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা বিশেষ শাখার কর্মকর্তাদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের শিকার, সন্তান প্রসবের পর মামলা ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সাংগঠনিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাউখালীতে “পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস” অনুষ্ঠিত র‌্যাবের যৌথ অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার নরসিংদীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান, ৪ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে এমপি অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নান্দাইলে হত্যা মামলার বাদীকে অন্য মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ মধ্যনগরে তিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক ডজন শিক্ষক অনুপস্থিত জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ কল পেয়ে প্রসূতি মা ও নবজাতককে উদ্ধার, চিকিৎসা দিল কোস্ট গার্ড
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

নান্দাইলে হত্যা মামলার বাদীকে অন্য মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৩৭ Time View

মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা-এর শেরপুর ইউনিয়নে আঃ জলিল হত্যা মামলার বাদীকে অন্য একটি হত্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি বিকেল প্রায় ৩টার দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে মাদারীনগর ইমাম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে একই গ্রামের মৃত আঃ হাইয়ের ছেলে মো. আবুল কালাম (৫৫) ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় আঃ জলিল ও তার ভাই আঃ রহমান গুরুতর আহত হন।

আহতদের প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় আহত আঃ জলিলের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে নান্দাইল মডেল থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় মো. আবুল কালামসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।

পরে ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আঃ জলিল মারা যান। তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ কাজ করেছে। স্থানীয়রা জানান, নিহত আঃ জলিল তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিলেন এবং নির্বাচনের দিন সেই বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহতের স্ত্রী বিলকিছ আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা স্বামী হত্যার বিচার চাই। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই।”

ভুক্তভোগী পরিবার জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, ঘটনাটি কেন্দ্র করে এলাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ধানক্ষেতে মিলেছিল মরদেহ, অবশেষে ধরা পড়ল নাজমুল হত্যা মামলার মূল সহযোগী
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা বিশেষ শাখার কর্মকর্তাদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নান্দাইলে হত্যা মামলার বাদীকে অন্য মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ

সময়: ০৯:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা-এর শেরপুর ইউনিয়নে আঃ জলিল হত্যা মামলার বাদীকে অন্য একটি হত্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি বিকেল প্রায় ৩টার দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে মাদারীনগর ইমাম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে একই গ্রামের মৃত আঃ হাইয়ের ছেলে মো. আবুল কালাম (৫৫) ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় আঃ জলিল ও তার ভাই আঃ রহমান গুরুতর আহত হন।

আহতদের প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় আহত আঃ জলিলের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে নান্দাইল মডেল থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় মো. আবুল কালামসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।

পরে ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আঃ জলিল মারা যান। তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ কাজ করেছে। স্থানীয়রা জানান, নিহত আঃ জলিল তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিলেন এবং নির্বাচনের দিন সেই বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহতের স্ত্রী বিলকিছ আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা স্বামী হত্যার বিচার চাই। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই।”

ভুক্তভোগী পরিবার জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, ঘটনাটি কেন্দ্র করে এলাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  আদমদীঘিতে ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মকর্তার মৃত্যু