Dhaka ১১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটে মাটি ছাড়া

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ২৯৭ Time View

 

পঞ্চগড় জেলা, আটোয়ারী থানাধীন মির্জাপুর ইউনিয়নের নলপুখুরী গ্রামের ফজলুর রহমান ও তার পরিবার প্রায় এক বছর ধরে তাদের বসবাসের বসত বাড়ি ভিটায় উঠতে পারছে না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে পরিবারটির প্রধান বাঁধা ফজলুর রহমানের আপন ভাতিজা চট্টগ্রামের সরকারি চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকায় পরিবারটির উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে এবং পরিবারটি আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরেও কোন সুরাহা মেলেনি।

শুধু অত্যাচার আর নির্যাতনেই নয় বিগত ৩০ বছর আগেই ফজলুর রহমানের বাপ-দাদার বসত ভিটা সহ আবাদী জমি, জাল জালিয়াতি করে লিখে নিয়েছে প্রকৌশলীর বাবা মশির উদ্দিন, সেই সাথে ফজলুর রহমানের ক্রয়কৃত-৫.৫ শতাংশ জমি যা পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তাও তারা জোর পূর্বক দখল করে উচ্ছেদ করে দিয়েছে।

পরিবারটি দীর্ঘদিন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে কোথাও বিচার না পেয়ে বর্তমান আটোয়ারী ভাড়া বাসায় বসবাস করছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে ফজলুর রহমানের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে, এক ছেলে ঢাকায় কর্মরত রয়েছে আরেক ছেলে পঞ্চগড়ে কর্মরত রয়েছে, দুই মেয়ের এক মেয়ে দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব রয়েছে আরেক মেয়ে এনজিওতে কর্মরত রয়েছে।

ফজলুর রহমান একজন সাধারণ সাদামাটা মানুষ পেশায় ছোটখাটো গরুর ব্যবসায়ী তার ব্যবসায়ীর আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ছিলো তা মকবুল গ্রুপ ছিনিয়ে নিয়ে পথে বসায় দিছে।

ফজলুর রহমান বাধ্য হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সামাদ আজাদের কাছে নালিশী বিচার চান পরিবর্তীতে চেয়ারম্যান নিজেই দুই পক্ষকে নিয়ে সালিশের জন্য একাধিকবার বসেন তবুও সুরাহা দিতে না পেরে তিনি নিজেই প্রত্যয়নপত্র ফজলুর রহমানের পক্ষে দিয়ে দেন।

ফজলুর রহমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিজ্ঞ আমলী আদালত-৫ আটোয়ারী, পঞ্চগড়ে শরণাপন্ন হয়ে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং-১১৬/২০২৫ এবং মামলাটি তদন্তাধীন ছিলো প্রায়-৭ মাস ডিবি কার্যালয়ে তারপরেও তদন্ত রিপোর্ট পক্ষে না আসায় আবারো কোর্টে আপীল করে, ঠাকুরগাঁও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভিস্টিগেশন (পিবিআই) এর নিখুঁত পর্যালোচনায় আসামিদের অপরাধ এর ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৪২৭/৫০৬/১১৪ ধারায় সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আমার কাগজ-এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সেমিনারে বক্তারা, সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য

ফজলুর রহমান জমিটির উপরে কেউ যেন বসবাস করতে না পারে এজন্য আবারো বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে মামলা করেন এম. আর -১৫১/২০২৫ এবং এই মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত দেন আটোয়ারী ভূমি অফিসে, সেই সাথে তদন্তের সত্যতা থাকায় বিজ্ঞ আদালত রায় প্রদান করেন, ১৮৯৮ এর ১৪৪/১৪৫ ধারায় উভয় পক্ষকে জমিতে স্ব স্ব অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করে।

কিন্তু আসামিগণ এই রায় প্রত্যাখ্যান করে সব কিছু দখলে নিয়ে নেন, ফজলুর রহমান আবার নিরুপায় হয়ে বিজ্ঞ আমলী আদালতে হাজির হয়ে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং-১০১/২০২৬ সি. আর এই মামলাটি বিজ্ঞ আদালত আটোয়ারী থানায় তদন্তের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে।

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান মামলার আসামি মোঃ মকবুল হোসেন চুয়েটের দায়িত্বরত প্রকৌশলী পদে থাকার পরেও আইনের প্রতি বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে যাচ্ছে।

ফজলুর রহমানের ভিটে মাটি দখল ও নির্যাতনের বিষয় প্রকৌশলী মকবুল হোসেনকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন উনার চাচা ফজলুর রহমানের কোন জমি নাই।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

 “বৃষ্টিতে সুখ–দুঃখ”

চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটে মাটি ছাড়া

সময়: ১০:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

পঞ্চগড় জেলা, আটোয়ারী থানাধীন মির্জাপুর ইউনিয়নের নলপুখুরী গ্রামের ফজলুর রহমান ও তার পরিবার প্রায় এক বছর ধরে তাদের বসবাসের বসত বাড়ি ভিটায় উঠতে পারছে না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে পরিবারটির প্রধান বাঁধা ফজলুর রহমানের আপন ভাতিজা চট্টগ্রামের সরকারি চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকায় পরিবারটির উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে এবং পরিবারটি আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরেও কোন সুরাহা মেলেনি।

শুধু অত্যাচার আর নির্যাতনেই নয় বিগত ৩০ বছর আগেই ফজলুর রহমানের বাপ-দাদার বসত ভিটা সহ আবাদী জমি, জাল জালিয়াতি করে লিখে নিয়েছে প্রকৌশলীর বাবা মশির উদ্দিন, সেই সাথে ফজলুর রহমানের ক্রয়কৃত-৫.৫ শতাংশ জমি যা পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তাও তারা জোর পূর্বক দখল করে উচ্ছেদ করে দিয়েছে।

পরিবারটি দীর্ঘদিন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে কোথাও বিচার না পেয়ে বর্তমান আটোয়ারী ভাড়া বাসায় বসবাস করছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে ফজলুর রহমানের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে, এক ছেলে ঢাকায় কর্মরত রয়েছে আরেক ছেলে পঞ্চগড়ে কর্মরত রয়েছে, দুই মেয়ের এক মেয়ে দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব রয়েছে আরেক মেয়ে এনজিওতে কর্মরত রয়েছে।

ফজলুর রহমান একজন সাধারণ সাদামাটা মানুষ পেশায় ছোটখাটো গরুর ব্যবসায়ী তার ব্যবসায়ীর আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ছিলো তা মকবুল গ্রুপ ছিনিয়ে নিয়ে পথে বসায় দিছে।

ফজলুর রহমান বাধ্য হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সামাদ আজাদের কাছে নালিশী বিচার চান পরিবর্তীতে চেয়ারম্যান নিজেই দুই পক্ষকে নিয়ে সালিশের জন্য একাধিকবার বসেন তবুও সুরাহা দিতে না পেরে তিনি নিজেই প্রত্যয়নপত্র ফজলুর রহমানের পক্ষে দিয়ে দেন।

ফজলুর রহমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিজ্ঞ আমলী আদালত-৫ আটোয়ারী, পঞ্চগড়ে শরণাপন্ন হয়ে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং-১১৬/২০২৫ এবং মামলাটি তদন্তাধীন ছিলো প্রায়-৭ মাস ডিবি কার্যালয়ে তারপরেও তদন্ত রিপোর্ট পক্ষে না আসায় আবারো কোর্টে আপীল করে, ঠাকুরগাঁও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভিস্টিগেশন (পিবিআই) এর নিখুঁত পর্যালোচনায় আসামিদের অপরাধ এর ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৪২৭/৫০৬/১১৪ ধারায় সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বালিয়াকান্দিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

ফজলুর রহমান জমিটির উপরে কেউ যেন বসবাস করতে না পারে এজন্য আবারো বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে মামলা করেন এম. আর -১৫১/২০২৫ এবং এই মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত দেন আটোয়ারী ভূমি অফিসে, সেই সাথে তদন্তের সত্যতা থাকায় বিজ্ঞ আদালত রায় প্রদান করেন, ১৮৯৮ এর ১৪৪/১৪৫ ধারায় উভয় পক্ষকে জমিতে স্ব স্ব অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করে।

কিন্তু আসামিগণ এই রায় প্রত্যাখ্যান করে সব কিছু দখলে নিয়ে নেন, ফজলুর রহমান আবার নিরুপায় হয়ে বিজ্ঞ আমলী আদালতে হাজির হয়ে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং-১০১/২০২৬ সি. আর এই মামলাটি বিজ্ঞ আদালত আটোয়ারী থানায় তদন্তের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে।

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান মামলার আসামি মোঃ মকবুল হোসেন চুয়েটের দায়িত্বরত প্রকৌশলী পদে থাকার পরেও আইনের প্রতি বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে যাচ্ছে।

ফজলুর রহমানের ভিটে মাটি দখল ও নির্যাতনের বিষয় প্রকৌশলী মকবুল হোসেনকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন উনার চাচা ফজলুর রহমানের কোন জমি নাই।