Dhaka ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ঝালকাঠির রাজাপুরে আলহাজ্ব লালমোন হামিদ মহিলা কলেজের সড়ক বেহাল, সংস্কারের দাবি ডুমুরিয়ায় সরকারি জায়গার মাটি কাটার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ফেসবুক পোস্টের জেরে মামলা, এখন সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতিবাদ মানববন্ধন কর্মসূচি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন তাহিরপুরে ৮ বছরের শিশুকে পালাক্রমে ধর্ষণ পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মামলা, চালক-সহকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ পটপরিবর্তনেও অক্ষত আওয়ামী সিন্ডিকেট: ডেমরায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিখিল-রেজার ঘনিষ্ঠ খন্দকার পরিবার ডিমলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যেগে কার্য নির্বাহী সদস্য মরহুম আব্দুল হামিদ খান সহ সকল মৃত ব্যাক্তিদের স্মরণে আলোচনা ও মিলাদ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে আদমদীঘিতে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন মামলায় ৪ নারী সহ ১৩ আসামি গ্রেপ্তার!!
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

চট্টগ্রাম কারাগার ধারণ ক্ষমতার চারগুণ বন্দীর চাপে, ৪ ভাগ পরিকল্পনা করার

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৩৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ৬ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:


 

ধারণক্ষমতার প্রায় চারগুণ বন্দি নিয়ে চরম চাপের মুখে থাকা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারকে অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভিত্তিকভাবে চার ভাগে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করছে কারা কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাব অনুযায়ী মহানগর ও জেলার বন্দিদের জন্য পৃথক কারাগার এবং মাদক মামলার আসামি ও রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে আইনজীবীরা বলছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে নতুন প্রশাসনিক জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয় সৃষ্টি হতে পারে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৮৫০ জন ধারণক্ষমতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে ৬ হাজার ৯ জন বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে মহানগরের ১৬টি থানার মামলার প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার আসামি এবং জেলার বিভিন্ন থানার মামলার আরও প্রায় দেড় হাজার আসামি রয়েছেন। অতিরিক্ত বন্দির চাপে কারা প্রশাসনকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, কারাগারটি ধারণক্ষমতার তুলনায় অত্যন্ত বেশি বন্দি বহন করছে। জায়গার সংকটের কারণে এটি সম্প্রসারণ করাও কঠিন। এমন অবস্থায় কোনো সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক আইনের প্রায় আড়াই হাজার আসামি, জলদস্যু আইনের ৬০০-এর বেশি আসামি, বিভাগীয় ট্রাইব্যুনালের আসামি, প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বন্দি রয়েছেন। এসব কারণে বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিদের আলাদা রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি (প্রিজন) মো. ছগির মিয়া জানান, মাদক মামলার বন্দিদের জন্য পৃথক জোন, কিশোর বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা এবং মহানগরের বন্দিদের অন্যত্র স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। পুরোনো কারাগারে শুধু জেলার বন্দিদের রাখা হতে পারে। এছাড়া মহানগরের বন্দিদের জন্য জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় নতুন কারাগার নির্মাণের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মামলা, চালক-সহকারীসহ গ্রেপ্তার ৩

তবে আইনজীবীরা এ পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন বলেন, একজন আসামির বিরুদ্ধে একাধিক ধরনের মামলা থাকলে তাকে কোন কারাগারে রাখা হবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এতে মামলার নথিপত্র পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়বে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ঝালকাঠির রাজাপুরে আলহাজ্ব লালমোন হামিদ মহিলা কলেজের সড়ক বেহাল, সংস্কারের দাবি

চট্টগ্রাম কারাগার ধারণ ক্ষমতার চারগুণ বন্দীর চাপে, ৪ ভাগ পরিকল্পনা করার

সময়: ০৭:৩৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:


 

ধারণক্ষমতার প্রায় চারগুণ বন্দি নিয়ে চরম চাপের মুখে থাকা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারকে অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভিত্তিকভাবে চার ভাগে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করছে কারা কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাব অনুযায়ী মহানগর ও জেলার বন্দিদের জন্য পৃথক কারাগার এবং মাদক মামলার আসামি ও রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে আইনজীবীরা বলছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে নতুন প্রশাসনিক জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয় সৃষ্টি হতে পারে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৮৫০ জন ধারণক্ষমতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে ৬ হাজার ৯ জন বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে মহানগরের ১৬টি থানার মামলার প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার আসামি এবং জেলার বিভিন্ন থানার মামলার আরও প্রায় দেড় হাজার আসামি রয়েছেন। অতিরিক্ত বন্দির চাপে কারা প্রশাসনকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, কারাগারটি ধারণক্ষমতার তুলনায় অত্যন্ত বেশি বন্দি বহন করছে। জায়গার সংকটের কারণে এটি সম্প্রসারণ করাও কঠিন। এমন অবস্থায় কোনো সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক আইনের প্রায় আড়াই হাজার আসামি, জলদস্যু আইনের ৬০০-এর বেশি আসামি, বিভাগীয় ট্রাইব্যুনালের আসামি, প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বন্দি রয়েছেন। এসব কারণে বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিদের আলাদা রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি (প্রিজন) মো. ছগির মিয়া জানান, মাদক মামলার বন্দিদের জন্য পৃথক জোন, কিশোর বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা এবং মহানগরের বন্দিদের অন্যত্র স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। পুরোনো কারাগারে শুধু জেলার বন্দিদের রাখা হতে পারে। এছাড়া মহানগরের বন্দিদের জন্য জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় নতুন কারাগার নির্মাণের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রামে পিকঅ্যাপ ভ্যান-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতা-পুত্র নিহত

তবে আইনজীবীরা এ পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন বলেন, একজন আসামির বিরুদ্ধে একাধিক ধরনের মামলা থাকলে তাকে কোন কারাগারে রাখা হবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এতে মামলার নথিপত্র পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়বে।