Dhaka ০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু। শাহবাগের একটি ম্যাস থেকে এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার। নোয়াপাড়ায় আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বীমা দলিল বিতরণ বুড়িচংয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সাপাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ২ জন ডাকাত আটক গাজীপুর ১ আসনের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবিত সভা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব বালিয়াডাঙ্গীতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২ পরিবার পেল টিন ও নগদ সহায়তা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ১৮ Time View

 

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী:


১. আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় কোনো ধরনের পুরুষ শিক্ষক বা কর্মচারী রাখা উচিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাজনিত ঘটনার পর বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণভাবে নারী পরিচালিত হওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সিলগালা করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

২. অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা অবৈধ মাদ্রাসা ও এতিমখানার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্ধারিত মানদণ্ড ও যোগ্যতা পূরণের পরই এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা দেওয়া উচিত। মানদণ্ডহীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন।

৩. প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে একটি বিশেষ মনিটরিং ও সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গঠন করা জরুরি।
এই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট টিম নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবে, শিক্ষার্থীদের সচেতন করবে এবং অভিযোগ জানানোর জন্য নিরাপদ মাধ্যম নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি হটলাইন নম্বর ও অভিযোগ বক্স স্থাপন করা যেতে পারে।

৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণচেষ্টা বা ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান থাকতে হবে—জেল, যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত।
এছাড়া কোনো অভিযুক্ত শিক্ষক যাতে অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পুনরায় চাকরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. অভিভাবকদের আরও সচেতন ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পরিবেশ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নিতে হবে এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা নির্ভয়ে সবকিছু জানাতে পারে।

৬. অনেক সময় প্রভাবশালী মহলের কারণে এসব ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ধামাচাপায় জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

সন্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন একজন অভিভাবকের সিদ্ধান্ত হলেও, সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সচেতন থাকা জরুরি। অসচেতনতা একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে নষ্ট করে দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  বালিয়াডাঙ্গীতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২ পরিবার পেল টিন ও নগদ সহায়তা
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব

সময়: ১০:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী:


১. আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় কোনো ধরনের পুরুষ শিক্ষক বা কর্মচারী রাখা উচিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাজনিত ঘটনার পর বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণভাবে নারী পরিচালিত হওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সিলগালা করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

২. অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা অবৈধ মাদ্রাসা ও এতিমখানার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্ধারিত মানদণ্ড ও যোগ্যতা পূরণের পরই এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা দেওয়া উচিত। মানদণ্ডহীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন।

৩. প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে একটি বিশেষ মনিটরিং ও সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গঠন করা জরুরি।
এই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট টিম নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবে, শিক্ষার্থীদের সচেতন করবে এবং অভিযোগ জানানোর জন্য নিরাপদ মাধ্যম নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি হটলাইন নম্বর ও অভিযোগ বক্স স্থাপন করা যেতে পারে।

৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণচেষ্টা বা ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান থাকতে হবে—জেল, যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত।
এছাড়া কোনো অভিযুক্ত শিক্ষক যাতে অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পুনরায় চাকরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. অভিভাবকদের আরও সচেতন ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পরিবেশ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নিতে হবে এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা নির্ভয়ে সবকিছু জানাতে পারে।

৬. অনেক সময় প্রভাবশালী মহলের কারণে এসব ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ধামাচাপায় জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

সন্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন একজন অভিভাবকের সিদ্ধান্ত হলেও, সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সচেতন থাকা জরুরি। অসচেতনতা একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে নষ্ট করে দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গে নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যূ-০৯