
মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর,
নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও সতর্ক পাহারার পর অবশেষে ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল (প্রা:) লিমিটেড থেকে দুর্ধর্ষ এক মোবাইল চোরকে হাতেনাতে আটক করেছে হাসপাতালের স্টাফ ও সিকিউরিটি গার্ডরা। গতকাল ভোর ৫টার সময় কৌশলে তাকে আটক করার পর বেরিয়ে এসেছে একের পর এক চুরির চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
গত ০৩/০১/২০২৬ ইং তারিখ ভোর ৫টার সময় এই হাসপাতালের তিনটি কেবিন থেকে দুর্ধর্ষভাবে তিনটি মোবাইল চুরি হয়। শুধু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালই নয়, এর আগে চাইল্ড কেয়ার এবং সিএসটিসি (CSTC) হাসপাতাল থেকেও ধাপে ধাপে একাধিক মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। এমনকি হাসপাতালের কর্তব্যরত স্টাফদের মোবাইলও রক্ষা পায়নি এই চোরের হাত থেকে।
চোর ধরার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান
ক্রমাগত চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে চোরকে ধরার জন্য গত কয়েক মাস ধরে ওৎ পেতে ছিলেন হাসপাতালের স্টাফ এবং সিকিউরিটি গার্ডরা। অবশেষে গতকাল ভোরে চোর পুনরায় হাসপাতাল এলাকায় হানা দিলে উপস্থিত সবাই মিলে তাকে কৌশলে ঘিরে ফেলেন এবং হাতেনাতে আটক করেন। আটকের পর জনরোষের মুখে তাকে গণধোলাই দেওয়া হয় এবং পরবর্তীকালে তার আত্মীয়-স্বজনের খবর দিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে যা জানা গেল
আটককৃত চোরটি সম্পর্কে জানা গেছে, সে সরাইপাড়া লোহারপুল এলাকার বাসিন্দা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, সে এইচএসসি পাস এবং তার ২ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে যে, সে হাসপাতাল থেকে চুরি করা প্রতিটি মোবাইল ফোন নয়াবাজার এলাকার তারেক নামক এক চোর চক্রের সর্দারের কাছে মাত্র ২০০০ টাকা দরে বিক্রি করত।
হাসপাতালের স্টাফদের এই সাহসিকতায় সাধারণ মানুষ ও রোগীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে নয়াবাজারের সেই মূল হোতা ‘তারেক’ এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
Reporter Name 


























