
নীলফামারী-০১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের বিএনপি-জমিয়ত জোট প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি সাহেব ১০/২/২৬ রাত আনুমানিক ১১.০০ টায় ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ঠাকুরের স্কুলের পাশে টাকা দিয়ে ভোট কেনার সময় জনগনের হাতে তার গাড়ী সহ ধরা পড়েন। গাড়ী নং ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭-৪০৮৪।
বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় জনগন প্রচার করলে বিএনপি ও জমিয়তের কর্মী বাহিনীর হামলায় জামায়াতকর্মী সহ সাধারণ জনগণ ৫ জন আহত হয়।
আহত নেতা কর্মীদের নিকটতম ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হামলার স্বীকার আবদুল মজিদ গুরুতর আহত হন। তথ্য সংগ্রহ কালে গণমাধ্যম কর্মীগণ বিএনপি-জমিয়ত নেতাদের প্রশ্ন করলে, তাদেরকে শারীরিক ভাবে হেনস্তা ও মারধর করেন। পক্ষান্তরে বিএনপি এবং জমিয়ত নেতারা নিজেদের আপরাধ আড়াল করতে সম্মানিত দুই এক জন হিন্দু ভোটারদের সামনে এনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ভঙ্গের চেষ্টা করেন।এবং জামায়াত নেতা কর্মীদের উপর দায় চাপানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। যা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
বিএনপি-জমিয়ত কর্মিরা মাওলানা আব্দুস সাত্তার এর দাড়িপাল্লার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে এরূপ ন্যাক্কারজনক কাজ করেন। তৎক্ষনাৎ সচেতন জনগন ও মিডিয়া কর্মীগন এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা পালিয়ে যান। এই হামলায় বিএনপি-জমিয়তের অর্ধশতাধিক নেতা কর্মী অংশ গ্রহন করেন। বিএনপির বালাপাড়া ইউপি সাবেক সভাপতি হামিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে বি,এন,পি জমিয়তের কর্মীরা নির্মম হামলা চালায়।
নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা উপজেলা শাখা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে প্রশাসনকে অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাচ্ছি।
ডিমলা উপজেলা জামায়াতের পক্ষে তীব্র প্রতিবাদ।
Reporter Name 























