Dhaka ০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সিরাজদিখানে ইলিয়াছ মোল্লা হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ দুই আসামি গ্রেপ্তার চাকরিতে পুনর্বহাল সহ ১০ দফা দাবীতে চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের মানববন্ধন, স্মারকলিপি নড়াইলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পালিত হলো রেড রোডে- বিশ্ব যোগা দিবস নবীগঞ্জের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারী তালিকা থেকে বাদ পড়লেন! ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ৷ বসুন্দিয়ায় শিল্প বর্জ্যের বিষে জনজীবন অতিষ্ঠ; সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের ভয়ভীতি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দুর্ভোগ বাড়ছে তাহিরপুরে কালীগঞ্জের আড়াই বছরের শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা অভিযুক্ত কিশোরীর থানায় আত্মসমর্পণ পাহাড় ও বন রক্ষায় মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে গ্রীন রোড শো: থানজামা লুসাই মণিরামপুরে জাপার বড় ধাক্কা,সভাপতি এম এ হালিমের জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও উপেক্ষিত, নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার আহাজারি

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৯৪ Time View

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জামাল উদ্দীনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেজর সিনহা হত্যা মামলার বহিষ্কৃত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিতর্কিত টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপের হাতে নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান এখনো তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাননি। সাজানো এসব মামলায় টানা ১১ মাসের বেশি কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেও, তিনি এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।

ফরিদুল মোস্তফা খানের অভিযোগ, মাদক ও ঘুষের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ওসি প্রদীপ ও তার সহযোগীরা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে তাকে নির্মম নির্যাতন করে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ওই সময় তাকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তিনি টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগ করেন।

কারামুক্তির পর থেকে তিনি নিজের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে আসছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার।

স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে বাংলাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে।

দীর্ঘ সাত বছর ধরে ন্যায়বিচারের আশায় অপেক্ষা করছেন ফরিদুল মোস্তফা খান। বর্তমানে তিনি আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর সহায়তা মেলেনি।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীর কাছে আবারও লিখিত আবেদন করেছেন মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য। তবুও এখনো কোনো সমাধান না পাওয়ায় তার আহাজারি অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আমার আদর্শ আমার বাবা জীবনজুড়ে তাঁরই ছায়া, আমার শক্তি আমার ভরসা জীবনের আশা প্রত্যাশা।
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সিরাজদিখানে ইলিয়াছ মোল্লা হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ দুই আসামি গ্রেপ্তার

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও উপেক্ষিত, নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার আহাজারি

সময়: ১১:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জামাল উদ্দীনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেজর সিনহা হত্যা মামলার বহিষ্কৃত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিতর্কিত টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপের হাতে নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান এখনো তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাননি। সাজানো এসব মামলায় টানা ১১ মাসের বেশি কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেও, তিনি এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।

ফরিদুল মোস্তফা খানের অভিযোগ, মাদক ও ঘুষের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ওসি প্রদীপ ও তার সহযোগীরা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে তাকে নির্মম নির্যাতন করে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ওই সময় তাকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তিনি টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগ করেন।

কারামুক্তির পর থেকে তিনি নিজের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে আসছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার।

স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে বাংলাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে।

দীর্ঘ সাত বছর ধরে ন্যায়বিচারের আশায় অপেক্ষা করছেন ফরিদুল মোস্তফা খান। বর্তমানে তিনি আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর সহায়তা মেলেনি।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীর কাছে আবারও লিখিত আবেদন করেছেন মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য। তবুও এখনো কোনো সমাধান না পাওয়ায় তার আহাজারি অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চাঁদপুরে সাহিত্য সম্মেলনে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৫ লেখক