Dhaka ০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন আত্রাই রেললাইনের পাশে পড়ে ছিল কলেজ অধ্যক্ষের মরদেহ!! হোয়াইক্যং আলহাজ্ব আলী আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন জুনায়েদ আলী চৌধুরী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান ‘লা পুলগা’ থেকে ‘দ্য গোট’ রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো সংসদে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা’ বললেন এমপি আমির হামজা সকল অপকর্মের সমাপ্তি চাই গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘গেম চেঞ্জার’ বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাস্তা সংস্কার না করায় কাজে আসছে না দেড় কোটি টাকার ব্রিজ, জনদুর্ভোগ চরমে

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৩০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩৯ Time View

ছবি: পাবনার ভাঙ্গুড়ার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া এলাকার বিধ্বস্ত সাবমারসিবল সড়ক।

মো.মেহেদী হাসান ,ভাঙ্গুড়া(পাবনা):


পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়ক এখন এলাকাবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙ্গুড়া থেকে নওগাঁগামী গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের ওপর ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও তার সংযোগ সড়কের একাংশ ভেঙে পড়ে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার ব্রিজের একপাশের সংযোগ সড়ক সম্পূর্ণ ভেঙে নিচে নেমে গেছে। ভাঙা অংশে পানি জমে কচুরিপানায় ঢেকে গেছে পুরো এলাকা। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে কাদা জমে রয়েছে, যা চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো ধরনের সতর্কতামূলক চিহ্ন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এই সড়কটি শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়, আশপাশের একাধিক গ্রামের মানুষের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ ব্যবহার করে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। এছাড়াও কৃষি পণ্য পরিবহনের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, সড়কটিতে শুধু যানবাহন চালকরাই নন, পথচারীদের দুর্ভোগও চরমে পৌঁছেছে। প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বৃদ্ধদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। চলনবিল অঞ্চলের কৃষিনির্ভর এই এলাকায় উৎপাদিত ধান, পাট ও শাকসবজি বাজারে নিতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন কৃষকরা। সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে বাজারে পৌঁছানো যাচ্ছে না, ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। বিকল্প পথেও রয়েছে ঝুঁকি। সড়কটি অচল হয়ে পড়ায় এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে অন্যের জমির আইল দিয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন। এতে একদিকে যেমন ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে জমির মালিকদের সাথেও মাঝে মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এই বিকল্প পথও পানিতে তলিয়ে যায়, তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি চলমান থাকলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রকট হয়ে উঠবে
স্থানীয় গাড়ি চালক আব্দুল করিম বলেন, এই রাস্তা দিয়ে আগে সহজেই যাতায়াত করতাম। এখন ভাঙা থাকার কারণে অন্তত ৫-৬ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময়ও বেশি লাগে, আবার তেলের খরচও বেড়ে যায়। যাত্রীরাও বিরক্ত হয়ে যায়।
অটোচালক মো. সোহেল বলেন, এই ভাঙা অংশের কারণে অন্যের জমির আইল দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হয় যা খুবই কষ্টসাধ্য। একটু ভুল হলেই গাড়ি উল্টে যেতে পারে। তাই আমরা ঝুঁকি নিতে চাই না। ফলে অনেক যাত্রীই গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়েছে।
স্থানীয় গৃহিণী রহিমা খাতুন বলেন, প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তার কারণে জমির আইল দিয়ে যেতে হয়। বৃষ্টির সময় কাদা আর পানির কারণে পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। অনেক সময় পড়েও গেছি।
শিক্ষার্থী সাব্বির জানায়, স্কুলে যেতে হলে এই রাস্তাটাই সবচেয়ে কাছের। কিন্তু এখন বিকল্প রাস্তা দিয়ে ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় নষ্ট হয়, অনেক সময় ক্লাস মিস হয়ে যায়।
স্থানীয় কৃষক সিরাজুল ইসলাম বিপুল আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের এলাকার প্রধান সমস্যা এখন এই রাস্তা। এই রাস্তা ভালো থাকলে আমরা সহজেই ফসল বাজারে নিতে পারতাম। এখন অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়, এতে খরচ বাড়ে, লাভ কমে যায়। অনেক সময় ফসল নষ্টও হয়ে যায়। আমরা অনেক কষ্টে চলাচল করছি। অন্যের জমির ওপর দিয়ে যেতে হচ্ছে। এতে ঝামেলা হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না হলে এলাকায় অশান্তি বাড়তে পারে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা আছে। ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ  কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক উন্নয়ন কাজের শুভ সূচনা
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন

রাস্তা সংস্কার না করায় কাজে আসছে না দেড় কোটি টাকার ব্রিজ, জনদুর্ভোগ চরমে

সময়: ১১:৩০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
মো.মেহেদী হাসান ,ভাঙ্গুড়া(পাবনা):


পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়ক এখন এলাকাবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙ্গুড়া থেকে নওগাঁগামী গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের ওপর ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও তার সংযোগ সড়কের একাংশ ভেঙে পড়ে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার ব্রিজের একপাশের সংযোগ সড়ক সম্পূর্ণ ভেঙে নিচে নেমে গেছে। ভাঙা অংশে পানি জমে কচুরিপানায় ঢেকে গেছে পুরো এলাকা। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে কাদা জমে রয়েছে, যা চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো ধরনের সতর্কতামূলক চিহ্ন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এই সড়কটি শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়, আশপাশের একাধিক গ্রামের মানুষের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ ব্যবহার করে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। এছাড়াও কৃষি পণ্য পরিবহনের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, সড়কটিতে শুধু যানবাহন চালকরাই নন, পথচারীদের দুর্ভোগও চরমে পৌঁছেছে। প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বৃদ্ধদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। চলনবিল অঞ্চলের কৃষিনির্ভর এই এলাকায় উৎপাদিত ধান, পাট ও শাকসবজি বাজারে নিতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন কৃষকরা। সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে বাজারে পৌঁছানো যাচ্ছে না, ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। বিকল্প পথেও রয়েছে ঝুঁকি। সড়কটি অচল হয়ে পড়ায় এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে অন্যের জমির আইল দিয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন। এতে একদিকে যেমন ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে জমির মালিকদের সাথেও মাঝে মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এই বিকল্প পথও পানিতে তলিয়ে যায়, তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি চলমান থাকলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রকট হয়ে উঠবে
স্থানীয় গাড়ি চালক আব্দুল করিম বলেন, এই রাস্তা দিয়ে আগে সহজেই যাতায়াত করতাম। এখন ভাঙা থাকার কারণে অন্তত ৫-৬ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময়ও বেশি লাগে, আবার তেলের খরচও বেড়ে যায়। যাত্রীরাও বিরক্ত হয়ে যায়।
অটোচালক মো. সোহেল বলেন, এই ভাঙা অংশের কারণে অন্যের জমির আইল দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হয় যা খুবই কষ্টসাধ্য। একটু ভুল হলেই গাড়ি উল্টে যেতে পারে। তাই আমরা ঝুঁকি নিতে চাই না। ফলে অনেক যাত্রীই গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়েছে।
স্থানীয় গৃহিণী রহিমা খাতুন বলেন, প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তার কারণে জমির আইল দিয়ে যেতে হয়। বৃষ্টির সময় কাদা আর পানির কারণে পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। অনেক সময় পড়েও গেছি।
শিক্ষার্থী সাব্বির জানায়, স্কুলে যেতে হলে এই রাস্তাটাই সবচেয়ে কাছের। কিন্তু এখন বিকল্প রাস্তা দিয়ে ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় নষ্ট হয়, অনেক সময় ক্লাস মিস হয়ে যায়।
স্থানীয় কৃষক সিরাজুল ইসলাম বিপুল আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের এলাকার প্রধান সমস্যা এখন এই রাস্তা। এই রাস্তা ভালো থাকলে আমরা সহজেই ফসল বাজারে নিতে পারতাম। এখন অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়, এতে খরচ বাড়ে, লাভ কমে যায়। অনেক সময় ফসল নষ্টও হয়ে যায়। আমরা অনেক কষ্টে চলাচল করছি। অন্যের জমির ওপর দিয়ে যেতে হচ্ছে। এতে ঝামেলা হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না হলে এলাকায় অশান্তি বাড়তে পারে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা আছে। ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান