
মোঃ মোনাহার মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার:
শ্রীবরদী উপজেলা-এ শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে সফল মৎস্যচাষি এ বি এম কায়ুম প্রায় লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার সিংগাবরুণা ইউনিয়নের তরমুজ পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, এ বি এম কায়ুম দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১০ একর জমির ওপর ১০টি পুকুরে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে পুকুরে খাবার দিতে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী মকবুল হোসেন দেখতে পান, ১০টি পুকুরের মধ্যে ২টিতে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে উঠেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই মৃত মাছ পুরো পুকুরে ছড়িয়ে পড়ে এবং পচন ধরতে শুরু করে।
ধারণা করা হচ্ছে, সোমবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা শত্রুতাবশত পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারের দায়িত্বে থাকা মোশারফ হোসেন জানান, আক্রান্ত দুটি পুকুরে রুই, কাতল, তেলাপিয়া ও সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির কয়েক হাজার মাছ ছিল। বিষক্রিয়ায় সব মাছ মারা যাওয়ায় আনুমানিক এক লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষি এ বি এম কায়ুম বলেন, “অনেক স্বপ্ন ও পুঁজি নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিলাম। এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল। এই ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে উঠব জানি না। আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিচার চাই।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানান, কায়ুম একজন পরিশ্রমী উদ্যোক্তা এবং তার ওপর এমন হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষি শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ঘটনা গ্রামীণ অর্থনীতি ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
Reporter Name 






















