Dhaka ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
নভেম্বরেই সিলিন্ডার গ্যাসের বড় মূল্যবৃদ্ধি, ১২ কেজির দাম ছাড়াল ২ হাজার টাকা আব্দুল এল-সায়েদ কি পারবেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে? নিউইয়র্কে হোটেল ভাড়া অতীতের সব রেকর্ড ছাড়াল, পর্যটকদের নাগালের বাইরে সাশ্রয়ী হোটেলও ছয়গ্রাম আলিম মাদ্রাসার নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান শ্রাবণ ১৬১১১ নম্বরে ফোন, অসুস্থ লঞ্চযাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাল কোস্ট গার্ড আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩–৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ১১ প্লাটুন বিজিবি, মহাসড়কে সতর্ক অবস্থান গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, আলোচনা জাতীয় স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মাইনরিটিদের সুরক্ষায় বিএমজেপি হতে পারে শীর্ষ রাজনৈতিক সংগঠন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

আব্দুল এল-সায়েদ কি পারবেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে?

  • Reporter Name
  • সময়: ০২:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন,এমডি নাসির, বাপসনিউজ


মিশিগানের সিনেট নির্বাচন ঘিরে অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক।খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজ ।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক দলের সিনেট প্রার্থী ড. আব্দুল এল-সায়েদ নির্বাচনের আগে তাঁর প্রচারণার তিনটি প্রধান অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতি হলো—রাজনীতি থেকে অর্থের প্রভাব দূর করা, সাধারণ মানুষের পকেটে অর্থ পৌঁছে দেওয়া এবং সবার জন্য মেডিকেয়ারভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবারের নির্বাচন সামনে রেখে ‘ফক্স নিউজ ওপিনিয়ন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি তাঁর নির্বাচনী অগ্রাধিকার ও রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।
আব্দুল এল-সায়েদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় অর্থের প্রভাব সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অনেক সময় আড়াল করে দেয়। তিনি এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যেখানে সাধারণ মানুষের চাহিদা ও অধিকার বেশি গুরুত্ব পাবে।
তিনি আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় রিপাবলিকান-অধ্যুষিত এমন কিছু এলাকার ভোটারদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেসব এলাকা দীর্ঘদিন ধরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের কাছেই উপেক্ষিত বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে, রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সের সমালোচনা করে আব্দুল এল-সায়েদ অভিযোগ করেছেন, রজার্স প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতিকে সমর্থন করছেন। তবে নির্বাচনে ভোটারদের কাছে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থীর বক্তব্য বেশি গ্রহণযোগ্য হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা

আব্দুল এল-সায়েদের তিনটি অঙ্গীকার সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমানো, পরিবারের আর্থিক চাপ হ্রাস এবং রাজনীতিতে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।

তবে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া আর বাস্তবে তা কার্যকর করা এক বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং স্বাস্থ্যনীতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নানা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া রয়েছে। ফলে নির্বাচিত হলেও তাঁর সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে না।
এখন মিশিগানের ভোটারদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ড. আব্দুল এল-সায়েদ কি তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দিতে পারবেন, নাকি এগুলো নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

আরও পড়ুনঃ  Kathy Hochul Leads Bruce Blakeman by 14 Points in Latest New York Governor Poll

ভোটাররা শুধু বক্তব্য শুনে নয়, প্রার্থীর পরিকল্পনা, বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেবে, মিশিগানের মানুষ তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও প্রতিশ্রুতির প্রতি কতটা আস্থা রাখছেন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

নভেম্বরেই সিলিন্ডার গ্যাসের বড় মূল্যবৃদ্ধি, ১২ কেজির দাম ছাড়াল ২ হাজার টাকা

আব্দুল এল-সায়েদ কি পারবেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে?

সময়: ০২:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,এমডি নাসির, বাপসনিউজ


মিশিগানের সিনেট নির্বাচন ঘিরে অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক।খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজ ।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক দলের সিনেট প্রার্থী ড. আব্দুল এল-সায়েদ নির্বাচনের আগে তাঁর প্রচারণার তিনটি প্রধান অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতি হলো—রাজনীতি থেকে অর্থের প্রভাব দূর করা, সাধারণ মানুষের পকেটে অর্থ পৌঁছে দেওয়া এবং সবার জন্য মেডিকেয়ারভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবারের নির্বাচন সামনে রেখে ‘ফক্স নিউজ ওপিনিয়ন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি তাঁর নির্বাচনী অগ্রাধিকার ও রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।
আব্দুল এল-সায়েদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় অর্থের প্রভাব সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অনেক সময় আড়াল করে দেয়। তিনি এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যেখানে সাধারণ মানুষের চাহিদা ও অধিকার বেশি গুরুত্ব পাবে।
তিনি আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় রিপাবলিকান-অধ্যুষিত এমন কিছু এলাকার ভোটারদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেসব এলাকা দীর্ঘদিন ধরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের কাছেই উপেক্ষিত বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে, রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সের সমালোচনা করে আব্দুল এল-সায়েদ অভিযোগ করেছেন, রজার্স প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতিকে সমর্থন করছেন। তবে নির্বাচনে ভোটারদের কাছে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থীর বক্তব্য বেশি গ্রহণযোগ্য হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা

আব্দুল এল-সায়েদের তিনটি অঙ্গীকার সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমানো, পরিবারের আর্থিক চাপ হ্রাস এবং রাজনীতিতে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।

তবে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া আর বাস্তবে তা কার্যকর করা এক বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং স্বাস্থ্যনীতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নানা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া রয়েছে। ফলে নির্বাচিত হলেও তাঁর সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে না।
এখন মিশিগানের ভোটারদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ড. আব্দুল এল-সায়েদ কি তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দিতে পারবেন, নাকি এগুলো নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

আরও পড়ুনঃ  পেলোসি: মামদানি ও এল-সায়েদের ইসরায়েলবিষয়ক অতীত মন্তব্য উদ্বেগজনক ও ভুল

ভোটাররা শুধু বক্তব্য শুনে নয়, প্রার্থীর পরিকল্পনা, বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেবে, মিশিগানের মানুষ তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও প্রতিশ্রুতির প্রতি কতটা আস্থা রাখছেন।