Dhaka ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
রাষ্ট্রপতি দেখতে গেলেন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রীকে বগুড়ায় ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার!! চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত: আত্মশুদ্ধি ও মৈত্রীর বাণীতে আলোকিত বৌদ্ধ বিহারসমূহ অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে রেমিট্যান্স ২৬ হাজার ৪১১ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কালীগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কাটা ও মারধরের অভিযোগ বকশীগঞ্জে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদসহ  ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার “পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ” গল্প গ্রন্থের জন্য তুলতুল পেলেন “বাবুই” বেস্ট সেলার অ্যাওয়ার্ড ভোলাহাটে আমের ফেলে দেওয়া খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু ‘ম্যাংগো পিল টি’, তিন বন্ধুর তাক লাগানো উদ্ভাবন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

নিউইয়র্কে শতাধিক প্রাপ্তবয়স্কদের ডে-কেয়ার কেন্দ্রে অভিযান, মেডিকেইড জালিয়াতির তদন্ত

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন, এমডি নাসির, বাপসনিউজ

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন এলাকায় প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্কদের ডে-কেয়ার কেন্দ্রে অভিযান চালিয়েছে ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ। সরকারি স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি মেডিকেইডের অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির অভিযোগে এ তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজের।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) ব্রুকলিন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড ও ম্যানহাটনের বিভিন্ন স্থানে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তৎপরতা দেখা যায়। অভিযানের সময় কয়েকটি কেন্দ্র থেকে নথিপত্র, কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে যেতে দেখা গেছে। তদন্তের আওতায় শতাধিক সামাজিক ডে-কেয়ার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে জানা গেছে।

সেবা না দিয়েও বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল জানান, কয়েক মাস ধরে ফেডারেল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এ তদন্ত চালানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের সন্দেহ, কিছু প্রতিষ্ঠান সেবা না দিয়েও বিল জমা দেওয়া, অতিরিক্ত সেবাগ্রহীতার হিসাব দেখানো, অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং ঘুষের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তাধীন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তদন্তের ফলাফল ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো যাচাই করা হবে।

মেডিকেইড থেকে ব্যয় ২.৪ বিলিয়ন ডলার

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত নিউইয়র্কের সামাজিক প্রাপ্তবয়স্কদের ডে-কেয়ার সেবায় মেডিকেইড কর্মসূচি থেকে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে।

এই বিপুল অর্থের কোনো অংশ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সরকারি অর্থের ব্যবহার, সেবা প্রদানের প্রকৃত হিসাব এবং বিল জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অন্তত দুজন গ্রেপ্তারের খবর

এদিকে, বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে অন্তত দুজনকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে। স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের একটি পারিবারিকভাবে পরিচালিত ডে-কেয়ার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তি অথবা কেন্দ্রে উপস্থিত না হওয়া ব্যক্তিদের নামে বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিজে সড়কবিরোধে গুলি, দুই সন্তানের বাবাকে হত্যার অভিযোগে সাবেক এনওয়াইপিডি গোয়েন্দা গ্রেপ্তার

তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিস্তারিত এবং মামলার পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

সরকারি অর্থের অপব্যবহার বন্ধে তদন্ত

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, তদন্তের মূল লক্ষ্য সরকারি অর্থের অপব্যবহার বন্ধ করা এবং বয়স্কদের জন্য বরাদ্দকৃত সেবা ও সহায়তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা।

এখন পর্যন্ত কতটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত অব্যাহত থাকায় নতুন তথ্য ও আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

 

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

রাষ্ট্রপতি দেখতে গেলেন অসুস্থ ভূমিমন্ত্রীকে

নিউইয়র্কে শতাধিক প্রাপ্তবয়স্কদের ডে-কেয়ার কেন্দ্রে অভিযান, মেডিকেইড জালিয়াতির তদন্ত

সময়: ০৬:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, এমডি নাসির, বাপসনিউজ

নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন এলাকায় প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্কদের ডে-কেয়ার কেন্দ্রে অভিযান চালিয়েছে ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ। সরকারি স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি মেডিকেইডের অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির অভিযোগে এ তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজের।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) ব্রুকলিন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড ও ম্যানহাটনের বিভিন্ন স্থানে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তৎপরতা দেখা যায়। অভিযানের সময় কয়েকটি কেন্দ্র থেকে নথিপত্র, কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে যেতে দেখা গেছে। তদন্তের আওতায় শতাধিক সামাজিক ডে-কেয়ার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে জানা গেছে।

সেবা না দিয়েও বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল জানান, কয়েক মাস ধরে ফেডারেল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এ তদন্ত চালানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের সন্দেহ, কিছু প্রতিষ্ঠান সেবা না দিয়েও বিল জমা দেওয়া, অতিরিক্ত সেবাগ্রহীতার হিসাব দেখানো, অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং ঘুষের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তাধীন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তদন্তের ফলাফল ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো যাচাই করা হবে।

মেডিকেইড থেকে ব্যয় ২.৪ বিলিয়ন ডলার

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত নিউইয়র্কের সামাজিক প্রাপ্তবয়স্কদের ডে-কেয়ার সেবায় মেডিকেইড কর্মসূচি থেকে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে।

এই বিপুল অর্থের কোনো অংশ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সরকারি অর্থের ব্যবহার, সেবা প্রদানের প্রকৃত হিসাব এবং বিল জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অন্তত দুজন গ্রেপ্তারের খবর

এদিকে, বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে অন্তত দুজনকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে। স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের একটি পারিবারিকভাবে পরিচালিত ডে-কেয়ার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তি অথবা কেন্দ্রে উপস্থিত না হওয়া ব্যক্তিদের নামে বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিলাসবহুল হোটেলে প্রায় ৫০ হাজার ডলার ব্যয়ের অভিযোগ, সমালোচনায় এওসি-র প্রচারাভিযান

তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিস্তারিত এবং মামলার পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

সরকারি অর্থের অপব্যবহার বন্ধে তদন্ত

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, তদন্তের মূল লক্ষ্য সরকারি অর্থের অপব্যবহার বন্ধ করা এবং বয়স্কদের জন্য বরাদ্দকৃত সেবা ও সহায়তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা।

এখন পর্যন্ত কতটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত অব্যাহত থাকায় নতুন তথ্য ও আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তারিত জানা যেতে পারে।