আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে জমির দলিল সম্পাদন ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে শামছুল আলমের বিরুদ্ধে। তিনি পলাশবাড়ী পৌর এলাকার হরিণমারী গ্রামের মৃত কাওছার উদ্দিন আহমেদের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পলাশবাড়ী পৌরশহরের হরিণমারী মৌজার ছামছুন্নাহার ও ছালমা বেগমকে মৃত দেখিয়ে জমির দলিল সম্পাদন এবং তাঁদের জমি অবৈধভাবে নিজের দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শামছুল আলমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে জমির দলিল সম্পাদনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এ ধরনের ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শামছুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।”
তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত ঘটনা হলো, ওয়ারিশ শরিকদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে নিম্ন ও উচ্চ আদালতে আমাদের চারটি মামলা চলমান রয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। সমাজে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। এসব অভিযোগ সত্য নয়।”
তবে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে দলিল সম্পাদন এবং জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র ও সরকারি নথি যাচাই করে স্বাধীনভাবে সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আদালতের নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
Reporter Name 





















