
সরকারি পদ মানে দায়িত্ব, জনগণের অর্থে বিলাসী জীবনযাপনের অধিকার নয়। সরকারি আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।
সরকারি দপ্তরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের আবাসন কেন?
সম্প্রতি ঢাকা সফরে আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান সমন্বয় ও জাতি গঠনবিষয়ক একটি সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়েছিলাম। সফরকালে এক প্রাক্তন সহপাঠীর সঙ্গে রাজধানীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল।
তিনি বললেন, বর্তমান সচিবালয় থেকে সরকারি দপ্তরগুলো আগারগাঁওয়ের প্রস্তাবিত প্রশাসনিক কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হলে যানজট কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু এরপরই তিনি আরেকটি বিষয় যোগ করলেন। নতুন কমপ্লেক্সে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসিক ব্যবস্থাও রাখতে হবে, ফলে পুরো প্রকল্পটি আরও বড় হবে।
কথাটি আমাকে ভাবিয়েছে। বাংলাদেশে সরকারি দপ্তর স্থানান্তরের পরিকল্পনা করলেই কেন কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন নির্মাণের বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে সামনে আসে? করদাতাদের অর্থে শুধু সরকারি দপ্তরই নয়, সেখানে কর্মরত কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত আবাসনের ব্যবস্থাও কেন করতে হবে?
সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হলেই কি রাষ্ট্রের অর্থে বাড়ি পাওয়ার অধিকার তৈরি হয়? এই ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও সুযোগ-সুবিধার সংস্কৃতিকে চ্যালেঞ্জ করার সময় কি আসেনি?
মালয়েশিয়া, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস এবং অস্ট্রেলিয়ার সরকারি চাকরিতে ৩০ বছরের বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি মনে করি, বাংলাদেশে সরকারি আবাসনব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। সরকারি পদে থাকা মানেই রাষ্ট্রের অর্থে বাড়ি, গৃহস্থালি সহায়তা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনযাপনের অন্যান্য সুবিধা পাওয়া, এই ধারণা আর প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকা উচিত নয়।
সরকারি কর্মকর্তাদের ন্যায্য বেতন অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু তাঁরা সরকারি চাকরি করেন বলেই তাঁদের ব্যক্তিগত আবাসনের খরচ নিয়মিতভাবে জনগণের অর্থ থেকে বহন করতে হবে কেন?
আমার অবস্থান স্পষ্ট: সরকারি আবাসনকে চাকরির নিয়মিত সুযোগ-সুবিধা হিসেবে দেখার সংস্কৃতি বন্ধ করা উচিত। সাধারণ পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তাদেরও অন্য নাগরিকদের মতো নিজেদের আবাসনের ব্যবস্থা নিজেদেরই করতে হবে।
ন্যায্য বেতন, ব্যক্তিগত আবাসনের দায়িত্ব
জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা এবং মন্ত্রীরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের দায়িত্বের যথাযথ মূল্যায়ন এবং ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি পদে থাকার কারণে তাঁদের ব্যক্তিগত আবাসন, গৃহস্থালি সহায়তা কিংবা অন্যান্য সুবিধা জনগণের অর্থে নিশ্চিত করতে হবে, এমন কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার থাকা উচিত নয়।
সরকারি আবাসন বিনা খরচের নয়। জমি, ভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও বিদ্যুৎ-পানির মতো পরিষেবার খরচ শেষ পর্যন্ত জনগণকেই বহন করতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গৃহস্থালি কর্মী ও অন্যান্য আবাসিক পরিষেবার ব্যয়ও যুক্ত হয়। এ ছাড়া সরকারি আবাসনের জন্য ব্যবহৃত মূল্যবান জমি অন্য জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা যেত কি না, সেই প্রশ্নও রয়েছে।
শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী এবং বেসরকারি খাতের অধিকাংশ পেশাজীবী সাধারণত নিজেদের আবাসনের ব্যবস্থা নিজেরাই করেন। তাহলে শুধু সরকারি পদে থাকার কারণে কেন একজন ব্যক্তি ভিন্ন সুবিধা পাবেন?
এর অর্থ এই নয় যে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন কমিয়ে দিতে হবে। যোগ্য ও দক্ষ মানুষকে সরকারি চাকরিতে আকৃষ্ট করতে এবং ধরে রাখতে বেতন অপর্যাপ্ত হলে তা পর্যালোচনা করতে হবে। দেশের উন্নয়নের জন্য একটি দক্ষ ও পেশাদার সরকারি প্রশাসন অপরিহার্য।
কিন্তু ন্যায্য বেতন দেওয়া আর ব্যক্তিগত জীবনযাপনের খরচ জনগণের অর্থে বহন করা এক বিষয় নয়। এই পার্থক্যটি স্পষ্ট করা জরুরি।
কিছু পদে নিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া কিংবা দায়িত্ব পালনের বিশেষ প্রয়োজনে সরকারি আবাসন অপরিহার্য হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে আবাসনের ব্যবস্থা রাখা যুক্তিসংগত। তবে সেই প্রয়োজনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকতে হবে। পদমর্যাদা বা জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বিচারে আবাসন দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়।
জনগণকে ব্যয়ের হিসাব জানাতে হবে
বাংলাদেশের নাগরিকেরা কর দেন এবং তাঁদের অর্থে সরকারি প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো ও জনসেবা পরিচালিত হয়। বিনিময়ে তাঁরা উন্নত সেবা এবং সরকারি অর্থের দায়িত্বশীল ব্যবহারের নিশ্চয়তা পাওয়ার অধিকার রাখেন।
সরকারি আবাসনব্যবস্থার একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করা উচিত। কতটি সরকারি বাসভবন রয়েছে, কতটি ব্যবহৃত হচ্ছে, কতটি খালি পড়ে আছে, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে কত ব্যয় হচ্ছে, বিদ্যুৎ-পানি ও অন্যান্য পরিষেবায় কত খরচ হচ্ছে এবং আবাসন ভাতা বাবদ কত অর্থ দেওয়া হচ্ছে, এসব তথ্য জনগণের সামনে থাকা প্রয়োজন।
নাগরিকদের জানার অধিকার রয়েছে, এসব সুবিধার পেছনে ব্যয় করা অর্থের যথাযথ মূল্য পাওয়া যাচ্ছে কি না। সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা কোনো বিশেষ অনুগ্রহ নয়; এটি সুশাসনের স্বাভাবিক শর্ত।
ঢাকায় পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সাশ্রয়ী আবাসনের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মূল্যবান সরকারি জমির একটি অংশ আবাসিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করার যৌক্তিকতা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
বর্তমান সরকারি বাসভবনগুলোর প্রতিটিকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা যেতে পারে। কোনোটি শিক্ষা বা স্বাস্থ্যসেবার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে, আবার কোনোটি প্রশাসনিক বা নিরাপত্তাজনিত প্রয়োজনে রাখা দরকার হতে পারে। পুনর্ব্যবহার, পুনর্বণ্টন বা বিক্রির মতো যেকোনো সিদ্ধান্ত হতে হবে স্বচ্ছ এবং জনস্বার্থভিত্তিক।
উদ্দেশ্য শুধু সরকারি ব্যয় কমানো নয়। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, জনগণের সম্পদ যেন জনগণের প্রয়োজন পূরণে সবচেয়ে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়।
ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক সংস্কৃতির উত্তরাধিকার
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে পাঁচ দশকেরও বেশি আগে। কিন্তু প্রশাসনিক সংস্কৃতির কিছু ক্ষেত্রে এখনো এমন একটি শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিফলন দেখা যায়, যেখানে পদমর্যাদার সঙ্গে কর্তৃত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধাও জড়িয়ে রয়েছে।
একজন জেলা প্রশাসক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন, একজন সচিব বড় প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন এবং একজন মন্ত্রী জাতীয় নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখেন। তাঁদের কাজের প্রতি সম্মান এবং দায়িত্ব অনুযায়ী পারিশ্রমিক অবশ্যই প্রাপ্য। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনযাপনের ব্যয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হয়ে উঠবে কেন?
আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন কর্মকর্তার মর্যাদা নির্ধারিত হওয়া উচিত তাঁর কাজের মান, সততা, দক্ষতা ও জনসেবার ভিত্তিতে। সরকারি বাসভবনের আকার কিংবা পদের সঙ্গে যুক্ত সুযোগ-সুবিধার পরিমাণ দিয়ে সেই মর্যাদা নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়।
অস্ট্রেলিয়ায় আমার কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, কেবল পদমর্যাদা বা জ্যেষ্ঠতার কারণে স্থায়ী সরকারি আবাসন পাওয়া কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়। বিশেষ কিছু পদে আবাসনের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু সেসব ব্যবস্থার পেছনে বাস্তব প্রয়োজন থাকা জরুরি।
বাংলাদেশকে সব ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার মডেল অনুসরণ করতে হবে, এমন কথা আমি বলছি না। তবে একটি আধুনিক রাষ্ট্রের জন্য উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া প্রশাসনিক রীতিনীতিগুলো এখনো উপযুক্ত কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।
সরকারের উদ্দেশ্য নাগরিকদের সেবা করা। যারা সরকার পরিচালনা করেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণ করা নয়।
সংস্কারের জন্য পাঁচটি বাস্তব পদক্ষেপ
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব সরকারি আবাসনব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকার পাঁচটি বাস্তব পদক্ষেপ নিতে পারে।
প্রথমত, নিয়মিত সরকারি আবাসন সুবিধা বন্ধ করতে হবে। মন্ত্রী, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাধারণ পরিস্থিতিতে নিজেদের আবাসনের ব্যবস্থা নিজেদেরই করতে হবে। কেবল সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য প্রশাসনিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম রাখা যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, ন্যায্য বেতন নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা নিয়োগ এবং তাঁদের ধরে রাখতে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে বেতন পর্যালোচনা করতে হবে। তবে সাধারণ পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত আবাসনের ব্যয় ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে।
তৃতীয়ত, অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনা করতে হবে। সরকারি গাড়ি, চালক, জ্বালানি, গৃহস্থালি সহায়তা ও বিভিন্ন ভাতা প্রকৃত দায়িত্ব এবং জনস্বার্থের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে। শুধু পদমর্যাদার কারণে এসব সুবিধা পাওয়ার রীতি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
চতুর্থত, সব ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করতে হবে। সরকারি বাসভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষেবা ও আবাসন ভাতার পূর্ণাঙ্গ ব্যয় জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এতে নাগরিকেরা অর্থের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা মূল্যায়ন করতে পারবেন।
পঞ্চমত, সরকারি সম্পদের জনকল্যাণমূলক ব্যবহার বাড়াতে হবে। যেসব বাসভবন প্রশাসনিক বা নিরাপত্তার প্রয়োজনে অপরিহার্য, সেগুলো রাখা যেতে পারে। অন্যগুলো শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা অন্যান্য জনসেবার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব কি না, তা যাচাই করা উচিত।
সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রশাসনিক প্রয়োজন ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে। নিয়মগুলো হতে হবে স্বচ্ছ ও সবার জন্য সুস্পষ্ট। সংস্কারের ফলে যে সাশ্রয় হবে, তার পরিমাণ স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করে প্রকাশ করা উচিত এবং সেই অর্থ কোথায় ব্যয় করা হচ্ছে, তারও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
জনগণের আস্থার উপযুক্ত সরকারি প্রশাসন
প্রাক্তন সহপাঠীর সঙ্গে আমার সেই আলোচনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে: আগারগাঁওয়ে নতুন সরকারি দপ্তর নির্মাণের পরিকল্পনা হলেই কেন কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে যুক্ত হয়ে যায়?
এর উত্তর নির্ধারিত হওয়া উচিত জনস্বার্থের ভিত্তিতে, প্রশাসনিক ঐতিহ্যের ভিত্তিতে নয়।
বাংলাদেশের নাগরিকেরা জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, আবাসনসংকট এবং উন্নত জনসেবার প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা নিশ্চিত হতে চান, তাঁদের দেওয়া অর্থ স্বচ্ছ ও অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজে ব্যয় হচ্ছে, নাকি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা সুযোগ-সুবিধা বজায় রাখতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
একটি পেশাদার সরকারি প্রশাসনের জন্য যোগ্য মানুষ, ন্যায্য বেতন এবং ভালো কর্মপরিবেশ প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি পদে থাকার পুরস্কার হিসেবে ব্যক্তিগত আবাসনের ব্যয় জনগণের অর্থে বহন করার সংস্কৃতি প্রয়োজন নেই।
সরকারের উচিত সরকারি আবাসনব্যবস্থা পর্যালোচনা করা, সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করা এবং সাধারণ পরিস্থিতিতে কর্মকর্তাদের নিজেদের আবাসনের দায়িত্ব নিজেদের ওপর ফিরিয়ে দেওয়া। যেখানে সরকারি আবাসন সত্যিই প্রয়োজন, সেখানে তার কারণ স্পষ্ট করতে হবে এবং ব্যয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশের সামনে এমন একটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে, যেখানে পদমর্যাদার চেয়ে জনসেবা, আর বিশেষ সুবিধার চেয়ে দায়িত্ববোধ বেশি গুরুত্ব পাবে।
জনগণের অর্থ জনগণেরই সম্পদ। সরকারি পদ একটি দায়িত্ব, জনগণের অর্থে ব্যক্তিগত জীবনযাপনের অধিকার নয়। বাংলাদেশকে এখন সরকারি সুযোগ-সুবিধার এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
✍️ লেখক: ময়নুল হক ওএএম (Mainul Haque OAM)
অর্থনীতিবিদ, জননীতি বিশ্লেষক, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও কমিউনিটি নেতা; and former ACT Multicultural Ambassador)
Reporter Name 



























