Dhaka ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
রংপুরে চার হত্যায় ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব নেই দুই আসামির বকশীগঞ্জে মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: হোটেলসহ ৮ দোকান পুরে ছাই, নড়াইলে মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, অ্যাম্বুলেন্স চালক সাগর গ্রেপ্তার ও মেহগনি বাগান থেকে একনলা বন্দুক উদ্ধার ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে সাপাহার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে অস্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন লাহিড়ীতে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ: মেয়ের বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে টাকা-স্বর্ণ লুটের অভিযোগ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর আছে, মানুষ নেই উদ্যোক্তা উন্নয়নে সুনামগঞ্জে সকল ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগ টাকার কাছে বিবেক বিক্রি নয়—সত্য প্রকাশই সাংবাদিকতার দায়িত্ব দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে কলম, চাপের কাছে মাথা নত নয়—সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকদের অঙ্গীকার ডিমলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বাংলাদেশি সৌদি আরব প্রবাসি জেলহাজতে ৩ বছরের সাজা মেয়াদ শেষ করলেও কেন দেশে আসতে পারছেনা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৩৮ Time View

 

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: খাদেমুল ইসলাম,


পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ঋণ করে ও জমি বিক্রির টাকা দিয়ে একে একে সব শেষ করে নিজের ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন মোছা. নুরজাহান বেগম। পরিবারের কিছুটা স্বচ্ছলতাও ফিরতে শুরু করেছিল। কিন্তু ৬ মাসের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের ট্রাইফিক পুলিশ আবারো থানাহাজতে বন্দী করে রেখেছে ছেলেকে। ছেলের চিন্তায় দেশে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। ছেলেদের মুক্তির জন্য বিভিন্নজনের কাছে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

নুরজাহান পঞ্চগড় জেলায় তেতুলিয়া উপজেলার রণচণ্ডী, ভাদুরবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর ২ ছেলে ১ মেয়ে মধ্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম ছোট বর্তমানে সৌদি আরবে পুলিশ হাজতে রয়েছেন। অন্য ছেলে বাড়িতেই থাকেন। তিনি অসুস্থ হওয়ায় কাজ তেমন করতে পারেন না।

 

সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশি রফিকুলের এক স্ত্রী এক শিশু কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু সৌদি আরবে মালিক নাম আব্দুল্লাহ আল ছাল্লেহ লোন তিনি কোন সহযোগীতা করছেন না বলে অভিযোগ। গত কাল শনিবার ২১, ফেব্রুআরি রাতে এ প্রতিবেদক ওই সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি পঞ্চগড় জেলায় তেতুলিয়া উপজেলা নাগরিক রফিকুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নিজের জেলহাজতে বন্ধি কথা জানান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নুরজাহান বেগমের স্বামী আব্দুল কাদের প্রায় নয় বছর আগে মারা গেছেন। এরপর ছেলে রফিকুলকে সৌদি আরব পাঠান। সেখানে মালবাহী ট্র্যাক অন্যান্য কাজ করতেন। সৌদির রিয়াদের হারা এলাকায় থাকতেন। আগে জায়গাজমি থাকলেও ছেলে প্রবাসে যাওয়ার পর তাঁদের আয়ের ওপরই নির্ভরশীল ছিল নুরজাহান বেগমের সংসার। এখন হাজতে থাকায় পরিবারের আর্থিক অবস্থাও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

রফিকুল ইসলামের এক স্ত্রী সহ কন্যা সন্তান রয়েছে। ১২/১০/২০১৯ সৌদি আরব রিয়াদে মালিক আব্দুল্লাহ আল ছাল্লেহ লোন। ড্রাইভার কর্মে যোগদান করেন। ৫ / ১০/২০২২ আলখারেছ থেকে লোক নিয়ে ডিউটি সময়ে আসার পথে একটি বড় ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে হয়। পিছনে আরেকটি গাড়ি ১২০ ইস্পিডে রফিকুল গাড়ি কে ধাক্কা দেন। ফলে সাথে সাথে একজন নারী মারা যায়। এবং দুই জন নারীকে সেসময় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মারা যান।

আরও পড়ুনঃ  জলবায়ু পরিবর্তনে নড়বড়ে হচ্ছে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভিত

 

এছাড়া রফিকুল গুরুতর ভাবে আহত হলে তাকে উদ্ধার করে সৌদি হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করেন। সাত দিন চিকিৎসা ধীন ছিলেন। পরে ট্রাইফিক পুলিশ ধরে থানা হাজতে নিয়ে যান। সেখান থেকে বড় জেলে প্রেরন করে ৪ মাস পরে কোর্টে রায় দিলো ৩ বছরের জেল এবং ৪০০০০ হাজার রিয়াল সৌদি আরব জরিমানা।

তিনি ৩ বছর জেল মেয়াদ শেষ করেন। তারপর আবারো ট্রাইফিক পুলিশ থানা নিয়ে যান। রফিকুল ইসলাম পরিবার সদস্য চলতে পারে না ঠিকমতো। তিনি ৩ বছর জেল মেয়াদ শেষ করে এখন থানা ৬ মাস থেকে ট্রাইফিক পুলিশ বন্ধি রেখেছে।

 

তিনি পৃথিবীসহ আলো বাতাস দেখতে পারছে না। নাম রফিকুল ইসলাম মালিক আব্দুল্লাহ আল ছাল্লেহ আল লোন। ছাক নম্বর কাগজ ৪৪৩০৩০২১১৬, কেসছ নম্বর ৪৪৭০১৪৮৬২৪ আইডি কার্ড ২৪ ৬৭৩২৭১৮১ ফোন ০৫৭৩১৩৬৩৯৮/ ছোল্লাইল ১৬ নম্বর স্মোরোর বা ট্রাইফিক পুলিশ থানা রিয়াদ সৌদিআরব।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

রংপুরে চার হত্যায় ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব নেই দুই আসামির

বাংলাদেশি সৌদি আরব প্রবাসি জেলহাজতে ৩ বছরের সাজা মেয়াদ শেষ করলেও কেন দেশে আসতে পারছেনা

সময়: ০৮:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: খাদেমুল ইসলাম,


পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ঋণ করে ও জমি বিক্রির টাকা দিয়ে একে একে সব শেষ করে নিজের ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন মোছা. নুরজাহান বেগম। পরিবারের কিছুটা স্বচ্ছলতাও ফিরতে শুরু করেছিল। কিন্তু ৬ মাসের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের ট্রাইফিক পুলিশ আবারো থানাহাজতে বন্দী করে রেখেছে ছেলেকে। ছেলের চিন্তায় দেশে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। ছেলেদের মুক্তির জন্য বিভিন্নজনের কাছে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

নুরজাহান পঞ্চগড় জেলায় তেতুলিয়া উপজেলার রণচণ্ডী, ভাদুরবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর ২ ছেলে ১ মেয়ে মধ্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম ছোট বর্তমানে সৌদি আরবে পুলিশ হাজতে রয়েছেন। অন্য ছেলে বাড়িতেই থাকেন। তিনি অসুস্থ হওয়ায় কাজ তেমন করতে পারেন না।

 

সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশি রফিকুলের এক স্ত্রী এক শিশু কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু সৌদি আরবে মালিক নাম আব্দুল্লাহ আল ছাল্লেহ লোন তিনি কোন সহযোগীতা করছেন না বলে অভিযোগ। গত কাল শনিবার ২১, ফেব্রুআরি রাতে এ প্রতিবেদক ওই সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি পঞ্চগড় জেলায় তেতুলিয়া উপজেলা নাগরিক রফিকুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নিজের জেলহাজতে বন্ধি কথা জানান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নুরজাহান বেগমের স্বামী আব্দুল কাদের প্রায় নয় বছর আগে মারা গেছেন। এরপর ছেলে রফিকুলকে সৌদি আরব পাঠান। সেখানে মালবাহী ট্র্যাক অন্যান্য কাজ করতেন। সৌদির রিয়াদের হারা এলাকায় থাকতেন। আগে জায়গাজমি থাকলেও ছেলে প্রবাসে যাওয়ার পর তাঁদের আয়ের ওপরই নির্ভরশীল ছিল নুরজাহান বেগমের সংসার। এখন হাজতে থাকায় পরিবারের আর্থিক অবস্থাও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

রফিকুল ইসলামের এক স্ত্রী সহ কন্যা সন্তান রয়েছে। ১২/১০/২০১৯ সৌদি আরব রিয়াদে মালিক আব্দুল্লাহ আল ছাল্লেহ লোন। ড্রাইভার কর্মে যোগদান করেন। ৫ / ১০/২০২২ আলখারেছ থেকে লোক নিয়ে ডিউটি সময়ে আসার পথে একটি বড় ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে হয়। পিছনে আরেকটি গাড়ি ১২০ ইস্পিডে রফিকুল গাড়ি কে ধাক্কা দেন। ফলে সাথে সাথে একজন নারী মারা যায়। এবং দুই জন নারীকে সেসময় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মারা যান।

আরও পড়ুনঃ  সেকাকাস পুলিশের লেফটেন্যান্ট টমাস ‘টিজে’ মালাঙ্কার মৃত্যু

 

এছাড়া রফিকুল গুরুতর ভাবে আহত হলে তাকে উদ্ধার করে সৌদি হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করেন। সাত দিন চিকিৎসা ধীন ছিলেন। পরে ট্রাইফিক পুলিশ ধরে থানা হাজতে নিয়ে যান। সেখান থেকে বড় জেলে প্রেরন করে ৪ মাস পরে কোর্টে রায় দিলো ৩ বছরের জেল এবং ৪০০০০ হাজার রিয়াল সৌদি আরব জরিমানা।

তিনি ৩ বছর জেল মেয়াদ শেষ করেন। তারপর আবারো ট্রাইফিক পুলিশ থানা নিয়ে যান। রফিকুল ইসলাম পরিবার সদস্য চলতে পারে না ঠিকমতো। তিনি ৩ বছর জেল মেয়াদ শেষ করে এখন থানা ৬ মাস থেকে ট্রাইফিক পুলিশ বন্ধি রেখেছে।

 

তিনি পৃথিবীসহ আলো বাতাস দেখতে পারছে না। নাম রফিকুল ইসলাম মালিক আব্দুল্লাহ আল ছাল্লেহ আল লোন। ছাক নম্বর কাগজ ৪৪৩০৩০২১১৬, কেসছ নম্বর ৪৪৭০১৪৮৬২৪ আইডি কার্ড ২৪ ৬৭৩২৭১৮১ ফোন ০৫৭৩১৩৬৩৯৮/ ছোল্লাইল ১৬ নম্বর স্মোরোর বা ট্রাইফিক পুলিশ থানা রিয়াদ সৌদিআরব।