Dhaka ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন ও এভার শাইন ডেন্টাল কেয়ার-এর পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক শুভেচ্ছা  বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে লায়ন্স ক্লাব কর্তৃক রোয়াংছড়িতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ফুলবাড়ীতে জেলা বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ চরভদ্রাসনে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল পীরগঞ্জে জামায়াত নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে কিশোরকে গাছে বেঁধে মারধর রাজশাহীতে শিশু ধর্ষকের যাবজ্জীবন নরসিংদীর শিবপুরে কৃষিজমির টপ সয়েল কাটার অভিযোগ, জব্দ ভেকু মেশিন রাবি শিক্ষার্থী পেল ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড সান্তাহার স্টেডিয়াম আধুনিকায়নের উদ্যোগ, পরিদর্শনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রকৌশলী “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যার বিচার করতেই হবে” -মিয়া গোলাম পরওয়ার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বুড়িচংয়ে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুরা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:২৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২১৮ Time View

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং প্রতিনিধি


কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথার রোগী। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। প্রতিদিনই জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি হচ্ছে বুড়িচং সরকারি হাসপাতালে।

১৬ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত (১২ দিনে) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে -১০৫ জন শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ – মহিলা ২২৮ জন রোগী। গড়ে ৪০ জন আসা যাওয়া থাকে।

হাসপাতালের বহিঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ শিশু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নার্স ও চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের নিরলস সেবায় অনেক অভিভাবক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

রাতে শিশু ওয়ার্ডে ডিউটি একজন নার্স বলেন, এখন শিশু রোগীর চাপ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি।তবে চেষ্টা করছি যেন কোনো শিশুর চিকিৎসা বিলম্ব না হয়।

পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন কুসুমপুর গ্রামের মোস্তফা জানান, আমার ছেলের হঠাৎ জ্বর আর কাশি শুরু হয়। বাড়িতে ওষুধ খাওয়ানোর পরও কমছিল না, তাই হাসপাতালে আনি। ডাক্তাররা বলেছেন, ছেলেটার নিউমোনিয়া হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই।

ষোলনল ইউনিয়ন শিকারপুর এলাকার গৃহিণী আয়েশা বলেন, হঠাৎ করে দুদিন আগে আমার ৮ মাসের বাচ্চা ঠান্ডা-কাশিতে আক্রান্ত হয়।

স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করিয়ে না কমায় আজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। এ ছাড়া, আমার পরিবারের সব সদস্যই জ্বর-কাশি ও গলা ব্যথায় আক্রান্ত।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মালেকুল আফতাব ভূইয়া বলেন, এটি মূলত ঋতু পরিবর্তনজনিত ভাইরাল সংক্রমণ। অধিকাংশ শিশুই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, কাশি ও ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। শীত পুরোপুরি শুরু হলে এই সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখনই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। ছয় মাসের বড় বাচ্চাদের অন্যান্য খাবার দিতে হবে। আবহাওয়া নানান জটিলতা কারনে বিভিন্ন রোগ বৃদ্ধি পায়। এতেই শিশুদের যত্ন বা সচেতন না হলে তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে।

আরও পড়ুনঃ  সংস্কৃতি চর্চা বাড়াতে লালন উৎসব, নজরুলবর্ষ ও শীতকালীন সাংস্কৃতিক আয়োজনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন ও এভার শাইন ডেন্টাল কেয়ার-এর পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক শুভেচ্ছা 

বুড়িচংয়ে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুরা

সময়: ০৬:২৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং প্রতিনিধি


কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথার রোগী। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। প্রতিদিনই জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি হচ্ছে বুড়িচং সরকারি হাসপাতালে।

১৬ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত (১২ দিনে) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে -১০৫ জন শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ – মহিলা ২২৮ জন রোগী। গড়ে ৪০ জন আসা যাওয়া থাকে।

হাসপাতালের বহিঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ শিশু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নার্স ও চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের নিরলস সেবায় অনেক অভিভাবক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

রাতে শিশু ওয়ার্ডে ডিউটি একজন নার্স বলেন, এখন শিশু রোগীর চাপ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি।তবে চেষ্টা করছি যেন কোনো শিশুর চিকিৎসা বিলম্ব না হয়।

পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন কুসুমপুর গ্রামের মোস্তফা জানান, আমার ছেলের হঠাৎ জ্বর আর কাশি শুরু হয়। বাড়িতে ওষুধ খাওয়ানোর পরও কমছিল না, তাই হাসপাতালে আনি। ডাক্তাররা বলেছেন, ছেলেটার নিউমোনিয়া হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই।

ষোলনল ইউনিয়ন শিকারপুর এলাকার গৃহিণী আয়েশা বলেন, হঠাৎ করে দুদিন আগে আমার ৮ মাসের বাচ্চা ঠান্ডা-কাশিতে আক্রান্ত হয়।

স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করিয়ে না কমায় আজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। এ ছাড়া, আমার পরিবারের সব সদস্যই জ্বর-কাশি ও গলা ব্যথায় আক্রান্ত।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মালেকুল আফতাব ভূইয়া বলেন, এটি মূলত ঋতু পরিবর্তনজনিত ভাইরাল সংক্রমণ। অধিকাংশ শিশুই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, কাশি ও ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। শীত পুরোপুরি শুরু হলে এই সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখনই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। ছয় মাসের বড় বাচ্চাদের অন্যান্য খাবার দিতে হবে। আবহাওয়া নানান জটিলতা কারনে বিভিন্ন রোগ বৃদ্ধি পায়। এতেই শিশুদের যত্ন বা সচেতন না হলে তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে।

আরও পড়ুনঃ  সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান