Dhaka ১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ভাঙ্গুড়ায় খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত কমিটিকে সংবর্ধনা রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি বাতিলের দাবি রাসিকের ডেঙ্গু প্রতিরোধে বর্ণাঢ্য ‌র‌্যালি কাউখালীতে পুলিশের পৃথক অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ বালিয়াকান্দিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন  রাঙ্গাবালীতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার হরিনাকুন্ডুতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান, ডিমলায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ হলে দায়িত্ব ছাড়ব: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন : আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৮ Time View

মাদ্রাসাটির পরিচালক হাছান আলী ডাক্তার

 


ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।প্রতিনিধি।


সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী গ্রামে দিনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসাটির পরিচালক হাছান আলী ডাক্তারের বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষিতার আলামত নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্য মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে ধর্ষককে বাঁচাতে ১০ দিন পরেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা। পরে উপায়ন্তর না পেয়ে শুক্রবার সকালে অভিযুক্তের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয় ওই কিশোরী। এরপর বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওসিকে মামলা রের্কডের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গত প্রায় ৮ বছর পুর্বে ওই মাদ্রাসায় হেফজো আবাসিক শাখায় ভর্তি করে দিয়ে ওই কিশোরীর বাবা মা কর্মের তাগিদে ঢাকায় চলে যান। প্রতিমাসে ঢাকা থেকে মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইলে খরচ পাঠান তারা। এভাবে চলতে থাকলে গত ৬ মাস আগে ওই কিশোরীকে নানা ভাবে কু প্রস্তাব দেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এঘটনা কিশোরী তার বাবা মাকে মোবাইলে জানাইলে সেসময় পরিচালক মৌখিকভাবে ভুল স্বীকার করে,এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেন।

কিশোরী জানায়, গত ২৮ আগষ্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের পর সকাল ৬ টার দিকে পরিচালক তাকে মাদ্রাসা সংলগ্ন নিজ বাড়ীতে ডেকে নেন। এসময় মুখ চেপে ধরে কিশোরীকে ধর্ষন করেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এরপর এঘটনা অন্য কাউকে জানালে ওই কিশোরী কে হত্যা সহ লাশ গুম করার হুমকি দেন পরিচালক। পরে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা তার বাবা মা কে বিষয়টি জানালে কিশোরীর বাবা মা গত ৩১ আগষ্ট গাইবান্ধায় এসে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে পহেলা সেপ্টেম্বর সদর থানায় ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  কোটচাঁদপুরের সাংবাদিকতায় নক্ষত্রপতন, না ফেরার দেশে শেখ নজরুল ইসলাম

পরিবারটির অভিযোগ, ধর্ষনের আলামত নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্য এবং ধর্ষককে বাঁচাতে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে দশদিনেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা।

এবিষয়ে থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছিল। বর্তমানে ভিকটিম থানায় হেফাজতে আছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চলছে।

জানতে চাইলে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা ওই কিশোরীকে থানায় আনা হয়েছে। ওসিকে মামলা রের্কড সহ দ্রুত আসামীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ভাঙ্গুড়ায় খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত কমিটিকে সংবর্ধনা

মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন : আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি

সময়: ০৮:০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 


ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।প্রতিনিধি।


সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী গ্রামে দিনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসাটির পরিচালক হাছান আলী ডাক্তারের বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষিতার আলামত নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্য মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে ধর্ষককে বাঁচাতে ১০ দিন পরেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা। পরে উপায়ন্তর না পেয়ে শুক্রবার সকালে অভিযুক্তের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয় ওই কিশোরী। এরপর বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওসিকে মামলা রের্কডের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গত প্রায় ৮ বছর পুর্বে ওই মাদ্রাসায় হেফজো আবাসিক শাখায় ভর্তি করে দিয়ে ওই কিশোরীর বাবা মা কর্মের তাগিদে ঢাকায় চলে যান। প্রতিমাসে ঢাকা থেকে মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইলে খরচ পাঠান তারা। এভাবে চলতে থাকলে গত ৬ মাস আগে ওই কিশোরীকে নানা ভাবে কু প্রস্তাব দেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এঘটনা কিশোরী তার বাবা মাকে মোবাইলে জানাইলে সেসময় পরিচালক মৌখিকভাবে ভুল স্বীকার করে,এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেন।

কিশোরী জানায়, গত ২৮ আগষ্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের পর সকাল ৬ টার দিকে পরিচালক তাকে মাদ্রাসা সংলগ্ন নিজ বাড়ীতে ডেকে নেন। এসময় মুখ চেপে ধরে কিশোরীকে ধর্ষন করেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এরপর এঘটনা অন্য কাউকে জানালে ওই কিশোরী কে হত্যা সহ লাশ গুম করার হুমকি দেন পরিচালক। পরে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা তার বাবা মা কে বিষয়টি জানালে কিশোরীর বাবা মা গত ৩১ আগষ্ট গাইবান্ধায় এসে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে পহেলা সেপ্টেম্বর সদর থানায় ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  মহিষখলা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

পরিবারটির অভিযোগ, ধর্ষনের আলামত নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্য এবং ধর্ষককে বাঁচাতে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে দশদিনেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা।

এবিষয়ে থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছিল। বর্তমানে ভিকটিম থানায় হেফাজতে আছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চলছে।

জানতে চাইলে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা ওই কিশোরীকে থানায় আনা হয়েছে। ওসিকে মামলা রের্কড সহ দ্রুত আসামীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।