চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও সহযোগী এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক প্রজ্ঞা পারমিতা দত্ত। তিনি শিমুর মরদেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক আগামী ২৬ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির দিন ধার্য করেন।
৩৩ সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ
আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
ঝোপ থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়ভাবে সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে যান।
হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজ থেকে প্রায় ৩০০ গজ উত্তর পাশে পাকা রাস্তার সংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৩২ বছর বলে তখন ধারণা করা হয়েছিল।
পরিচয় শনাক্তের জন্য মরদেহের আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে। পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তদন্তে জানা যায়, মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর।
দাম্পত্য কলহের জেরে হত্যার অভিযোগ
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে যেকোনো সময় দাম্পত্য কলহের জেরে শিমুকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও তার সহযোগী এস এম ফরহাদকে আসামি করা হয়েছে।
আগামী ২৬ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগোবে।
Reporter Name 



























