
শহিদ শেখ পাখি, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা কাজী আরিফুল হক মনু।
গত রবিবার তন্তর ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান কার্যালয় পিংপাড়া বাজার থেকে শতাধিক মোটরসাইকেলের একটি বিশাল বহর নিয়ে তিনি প্রচারণা শুরু করেন। শোভাযাত্রাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং আসন্ন নির্বাচনে সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
পথসভা ও গণসংযোগকালে কাজী আরিফুল হক মনু তার বাবার দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস ও তন্তরবাসীর সাথে পারিবারিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন,
“আপনারা আমার বাবা, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আজিজুল হক লেবু কাজীকে চিনেন। তিনি সারা জীবন আপনাদের সেবা করেছেন। আমাদের পরিবার দীর্ঘকাল ধরে মুন্সীগঞ্জের রাজনীতি ও জনসেবায় সম্পৃক্ত।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বাবা এর আগে তিনবার তন্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।
মনু কাজী বলেন,
“আমি সেই পরিবারের সন্তান হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। তন্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আধুনিক ও বৈষম্যহীন একটি ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
প্রচারণা চলাকালীন তার সাথে উপস্থিত থেকে সমর্থন জানান ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—
মিলন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তন্তর ইউনিয়ন বিএনপি; আলমগীর মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি; আবু তাহের, সভাপতি, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি; আক্তার হোসেন, সভাপতি, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি; রফিকুল ইসলাম দিপু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তন্তর ইউনিয়ন যুবদল; আরমান হাসান, সহ-সভাপতি, তন্তর ইউনিয়ন ছাত্রদল; অনিক ইসলাম অভি, আহ্বায়ক সদস্য, তন্তর ইউনিয়ন যুবদল; এবং মাসুদ খান, সভাপতি, তন্তর ইউনিয়ন কৃষক দল।
তন্তর ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই প্রচারণা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে জানা গেছে। পারিবারিক স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে নির্বাচনী দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
Reporter Name 






















