Dhaka ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নালিশ কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড ঢাকায় পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিস্ফোরক মামলায় ভাঙ্গুড়া পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও আ.লীগ নেতা কালু গ্রেপ্তার ফেরদৌস স্টিল ইয়ার্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় দায়ীদের শাস্তির দাবি আদমদীঘিতে চোলাইমদ ও ওয়াশসহ শাশুড়ি-জামাই গ্রেপ্তার নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে ২৩৭ গ্রেফতার, বিপুল অস্ত্র-মাদক ও অবৈধ পণ্য উদ্ধার মেয়াদোত্তীর্ণ দুধে তারিখ কারসাজি, নকল BSTI লোগো: চট্টগ্রামে ৩ প্রতিষ্ঠানে ৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা জরিমানা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

‘সুখবর আসছে’—রহস্যময় পোস্টে সরগরম বিএনপি, জেলা পরিষদ প্রশাসক পদে আলোচনায় পাপ্পা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৫৮ Time View

রিপোর্টার: মোনতাহেরুল হক আমিন
বাঁশখালী প্রতিনিধি


চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে সম্ভাব্য নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাঁশখালীর জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা)-এর নাম ঘুরেফিরে আসায় জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পাপ্পার ছবি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে রহস্যময় পোস্ট প্রকাশ করছেন। “আল্লাহ ভরসা”, “অপেক্ষার প্রহর শুরু”, “শুভ কামনা”, “সুখবর আসছে”—এমন নানা বার্তা রাজনৈতিক মহলে নতুন কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। যদিও দলীয়ভাবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ধারণা, গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বের বিষয়েই এসব ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা) দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে কাজ করে আসছেন। ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন শেষে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান। পিতার রাজনৈতিক আদর্শ, জনসেবার দর্শন ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে ধারণ করে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন সব সময়। দলের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠন ছেড়ে না যাওয়ায় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জেলা পরিষদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা, গ্রামীণ অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে প্রশাসক হিসেবে একজন সৎ, দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিকে দেখতে চান অনেকেই।

আরও পড়ুনঃ  লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি, মৌখিকে এসে ধরা ৬ প্রার্থী

এ বিষয়ে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা) বলেন, “আমার রাজনীতি সবসময় মানুষের জন্য। দল যদি মনে করে আমার ওপর এমন কোনো দায়িত্ব অর্পণ করলে জনগণের কল্যাণ হবে, তাহলে আমি সেই দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের মূল্যায়ন হবে এবার। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় হাইকমান্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নালিশ

‘সুখবর আসছে’—রহস্যময় পোস্টে সরগরম বিএনপি, জেলা পরিষদ প্রশাসক পদে আলোচনায় পাপ্পা

সময়: ০৮:০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

রিপোর্টার: মোনতাহেরুল হক আমিন
বাঁশখালী প্রতিনিধি


চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে সম্ভাব্য নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাঁশখালীর জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা)-এর নাম ঘুরেফিরে আসায় জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পাপ্পার ছবি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে রহস্যময় পোস্ট প্রকাশ করছেন। “আল্লাহ ভরসা”, “অপেক্ষার প্রহর শুরু”, “শুভ কামনা”, “সুখবর আসছে”—এমন নানা বার্তা রাজনৈতিক মহলে নতুন কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। যদিও দলীয়ভাবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ধারণা, গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বের বিষয়েই এসব ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা) দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে কাজ করে আসছেন। ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন শেষে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান। পিতার রাজনৈতিক আদর্শ, জনসেবার দর্শন ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে ধারণ করে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন সব সময়। দলের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠন ছেড়ে না যাওয়ায় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জেলা পরিষদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা, গ্রামীণ অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে প্রশাসক হিসেবে একজন সৎ, দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিকে দেখতে চান অনেকেই।

আরও পড়ুনঃ  দুর্নীতির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামি খালাস

এ বিষয়ে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা) বলেন, “আমার রাজনীতি সবসময় মানুষের জন্য। দল যদি মনে করে আমার ওপর এমন কোনো দায়িত্ব অর্পণ করলে জনগণের কল্যাণ হবে, তাহলে আমি সেই দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের মূল্যায়ন হবে এবার। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় হাইকমান্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।