Dhaka ১১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সু-সন্তান নির্মানে! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী’র ১০টি নির্দেশনা বাবা মায়ের মেনে চলা উচিৎ!  হ্নীলা একাডেমী বৃত্তিপরীক্ষা ২০২৫-এর বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান সম্পন্ন নরসিংদী জেলায় সরল মনের মানুষ সচিব আলতাফ হোসেন ডুমুরিয়ায় খলসি স্কুল মাঠ এসিআই বীজ কোম্পানি মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত নবীনগর এসোসিয়েশন’ চট্রগ্রামের অফিস শুভ উদ্ভোদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা ও বনভোজন ২০২৬ অনুষ্ঠিত বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে ৮ মাদকসেবী গ্রেফতার রংপুরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন বাবুরহাটে কচিকণ্ঠে পুরস্কার বিতরণ—নৈতিকতা ও খেলাধুলায় জোর: মোশাররফ বরকলে জামায়াত নেতার অভিযোগ—মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সুনামগঞ্জ কাবিটা বাস্তবায়ন মনিটরিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ Time View

 

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার


‎সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় জেলা প্রশাসকের অধীনে জেলা মনিটরিং কমিটিতে পক্ষপাতিত ও দুর্বল কমিটি দিয়ে কোটি টাকা লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। যেখানে একটি টিভির জেলা প্রতিনিধিকে ৪টিতে অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমকমীর্দের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্ভর ২০২৫ তারিখে জেলা প্রশাসক ও কাবিটা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি নানান অভিযোগেন অভিযুক্ত  ড. ইলিয়াস মিয়া ও পানি উন্নযণ বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী—১ ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো: মামুন হাওলাদার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ২০২৫—২৬ অর্থ বছরে সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা—২০২৩ এর আওতায় বাস্তবাায়িত কাজ মনিটরিং এর জন্য জেলা কমিটির মনোনিত প্রতিনিধিগণের তালিকা প্রকাশ হয়েছে।  পরিশিষ্ট—গ অনুযায়ী জেলার ১২টি উপজেলার ৮টি গ্রুপের মধ্যে ৪টিতে একাত্তরটিভি’র জেলা প্রতিনিধি শহীদ নুর আহমদ,৩টিতে অধিকারের জেলা সমন্বয়ক আমিনুল হক, বেসরকারী সংস্থা—হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভকে ৩টিতে, বিজন সেন রায় ১টিতে, দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি  জসিম উদ্দিনকে ১টিতে পরিবেশ রক্ষা নামের একটি আন্দোলনের সভাপতি একেএম আবু নাছারকে, সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের জেলা প্রতিনিধি সাইফুল চৌধুরীকে ৩টিতে, এনটিভি’র জেলা প্রতিনিধি দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীকে ১টিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ওবায়দুল হক মিলনকে ৩টিতে নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি তা গ্রহন করেননি। সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক ড.ইলিয়াস মিয়া তার পালিত কয়েকজন সংবাদকমীর্কে বিশেষ সুযোগ সুবিধার অংশ হিসাবেই জেলার সবচেয়ে লাভজনক ও দুর্নীতির আখড়ায় মনোনিত করেছেন। অথচ জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়াও জেলায় কর্মরত ৩৭টি টিভি ও জাতীয় দৈনিকের অর্ধশতাধিক গণমাধ্যমকর্মী থাকা সত্বেও তাদেরকে অন্তর্ভুক্তি না করে যাদের বিরুদ্ধে জেলা  জুড়ে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগের পাহাড়, তাদেরকে অন্তর্ভুক্তিই প্রমাণ করে বিদায়ী জেলা প্রশাসক দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দিয়ে জেলা প্রকৃত সাংবাদিকদের অবমূল্যায়ন করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মানবপাচারকারী আটক

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গণমাধ্যমকর্মী জানান, সদ্য বিদায়ী সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ইলিয়াস মিয়া একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ছিলেন এবং দুর্নীতিবাজ ও চাটুকারদের প্রশ্রয় দিয়ে সরকারীভাবে পৃষ্টপোষকতা করেছেন। নতুবা বয়সে নবীন ও সাংবাদিকতার হাতেখড়ি নাম মাত্র সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি করতেন না। কিছু সাংবাদিক নাম মাত্র কয়েক বছর ধরে সাংবাদিকায় এসেছেন। অথচ তাকে ৮টি গ্রুপের মধ্যে ৪টিতেই অন্তর্ভুক্তি করেছেন। এ ছাড়াও অধিকার এর জেলা সমন্বয়ক আমিনুল হককে ৩টিতে ও হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভকে জেলা কাবিটা কমিটিতে মনোনিত করে ভুল করেছেন। জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্য হিসাবে ডাচ বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তা মো: আশরাফ হেসেন লিটনকে ২টিতে, সুজন এর সাধারন সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদকে ২টিতে সংযুক্ত করা হয়েছে। সৃজন বিদ্যাপীটের উপাধ্যক্ষ কানিজ সুলতানাকে একটিতে সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্তি করেছেন।  তিনি সৎ ও নিরপেক্ষ হলে জেলার বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভির সাংবাদিকদের সমহারে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি করতেন।

‎একজন গণমাধ্যমকর্মী বলেন পানি উন্নয়ণ বোর্ডের অধীনে ২০২৫—২৬ অর্থ বছরে ফসল রক্ষা বাধ নির্মানে জেলা বাস্তবায়ন কমিটির মনোনিত সদস্যদের বেশীরভাগই নানান অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত। বিশেষ করে একটি টিভি’র জেলা প্রতিনিধিকে একাই ৪টি গ্রুুপে তার নাম অন্তর্ভুক্তি করার মাধ্যমে প্রমানিত হয় বিদায়ী জেলা প্রশাসক ড.ইলিয়াস মিয়া একজন দুর্নীতিবাজ ছিলেন এবং কয়েকজন গণমাধ্যমকমীর্কে বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিয়ে গেছেন। এই দুর্বল কমিটির কারণে হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে। সরকারের কোটি কোটি টাকা লুপাট করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকতার্রা সম্মিলিতভাবে দুর্বল জেলা মনিটরিং কমিটি গঠন করে নিজেরা লাভবান হয়েছেন। আমরা এর বিচার চাই। যারা কমিটিতে ছিলেন তাদের সম্পদের হিসাব করা হউক। ভবিষ্যতে জেলার সকল গণমাধ্যমকমীর্দের সমন্বয়ে জেলা মনিটরিং কমিটি গঠনের অনুরোধ করছি।

‎এ ব্যাপারে বর্তমান জেলা প্রশাসক মো: মিনহাজুর রহমান জানান, আমি মাত্র যোগদান করেছি। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে আপনাকে জানাতে পারব। আর কোন অনিয়ম হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।###

আরও পড়ুনঃ  তেল মজুতকারীরাই সন্ত্রাসী : হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সু-সন্তান নির্মানে! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী’র ১০টি নির্দেশনা বাবা মায়ের মেনে চলা উচিৎ! 

সুনামগঞ্জ কাবিটা বাস্তবায়ন মনিটরিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

সময়: ০৮:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার


‎সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় জেলা প্রশাসকের অধীনে জেলা মনিটরিং কমিটিতে পক্ষপাতিত ও দুর্বল কমিটি দিয়ে কোটি টাকা লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। যেখানে একটি টিভির জেলা প্রতিনিধিকে ৪টিতে অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমকমীর্দের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্ভর ২০২৫ তারিখে জেলা প্রশাসক ও কাবিটা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি নানান অভিযোগেন অভিযুক্ত  ড. ইলিয়াস মিয়া ও পানি উন্নযণ বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী—১ ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো: মামুন হাওলাদার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ২০২৫—২৬ অর্থ বছরে সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা—২০২৩ এর আওতায় বাস্তবাায়িত কাজ মনিটরিং এর জন্য জেলা কমিটির মনোনিত প্রতিনিধিগণের তালিকা প্রকাশ হয়েছে।  পরিশিষ্ট—গ অনুযায়ী জেলার ১২টি উপজেলার ৮টি গ্রুপের মধ্যে ৪টিতে একাত্তরটিভি’র জেলা প্রতিনিধি শহীদ নুর আহমদ,৩টিতে অধিকারের জেলা সমন্বয়ক আমিনুল হক, বেসরকারী সংস্থা—হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভকে ৩টিতে, বিজন সেন রায় ১টিতে, দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি  জসিম উদ্দিনকে ১টিতে পরিবেশ রক্ষা নামের একটি আন্দোলনের সভাপতি একেএম আবু নাছারকে, সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের জেলা প্রতিনিধি সাইফুল চৌধুরীকে ৩টিতে, এনটিভি’র জেলা প্রতিনিধি দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীকে ১টিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ওবায়দুল হক মিলনকে ৩টিতে নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি তা গ্রহন করেননি। সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক ড.ইলিয়াস মিয়া তার পালিত কয়েকজন সংবাদকমীর্কে বিশেষ সুযোগ সুবিধার অংশ হিসাবেই জেলার সবচেয়ে লাভজনক ও দুর্নীতির আখড়ায় মনোনিত করেছেন। অথচ জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়াও জেলায় কর্মরত ৩৭টি টিভি ও জাতীয় দৈনিকের অর্ধশতাধিক গণমাধ্যমকর্মী থাকা সত্বেও তাদেরকে অন্তর্ভুক্তি না করে যাদের বিরুদ্ধে জেলা  জুড়ে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগের পাহাড়, তাদেরকে অন্তর্ভুক্তিই প্রমাণ করে বিদায়ী জেলা প্রশাসক দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দিয়ে জেলা প্রকৃত সাংবাদিকদের অবমূল্যায়ন করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় মাদক সেবনের দায়ে জেল ও জরিমানা

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গণমাধ্যমকর্মী জানান, সদ্য বিদায়ী সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ইলিয়াস মিয়া একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ছিলেন এবং দুর্নীতিবাজ ও চাটুকারদের প্রশ্রয় দিয়ে সরকারীভাবে পৃষ্টপোষকতা করেছেন। নতুবা বয়সে নবীন ও সাংবাদিকতার হাতেখড়ি নাম মাত্র সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি করতেন না। কিছু সাংবাদিক নাম মাত্র কয়েক বছর ধরে সাংবাদিকায় এসেছেন। অথচ তাকে ৮টি গ্রুপের মধ্যে ৪টিতেই অন্তর্ভুক্তি করেছেন। এ ছাড়াও অধিকার এর জেলা সমন্বয়ক আমিনুল হককে ৩টিতে ও হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভকে জেলা কাবিটা কমিটিতে মনোনিত করে ভুল করেছেন। জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্য হিসাবে ডাচ বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তা মো: আশরাফ হেসেন লিটনকে ২টিতে, সুজন এর সাধারন সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদকে ২টিতে সংযুক্ত করা হয়েছে। সৃজন বিদ্যাপীটের উপাধ্যক্ষ কানিজ সুলতানাকে একটিতে সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্তি করেছেন।  তিনি সৎ ও নিরপেক্ষ হলে জেলার বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভির সাংবাদিকদের সমহারে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি করতেন।

‎একজন গণমাধ্যমকর্মী বলেন পানি উন্নয়ণ বোর্ডের অধীনে ২০২৫—২৬ অর্থ বছরে ফসল রক্ষা বাধ নির্মানে জেলা বাস্তবায়ন কমিটির মনোনিত সদস্যদের বেশীরভাগই নানান অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত। বিশেষ করে একটি টিভি’র জেলা প্রতিনিধিকে একাই ৪টি গ্রুুপে তার নাম অন্তর্ভুক্তি করার মাধ্যমে প্রমানিত হয় বিদায়ী জেলা প্রশাসক ড.ইলিয়াস মিয়া একজন দুর্নীতিবাজ ছিলেন এবং কয়েকজন গণমাধ্যমকমীর্কে বিশেষ সুযোগ সুবিধা দিয়ে গেছেন। এই দুর্বল কমিটির কারণে হাওরের ফসল রক্ষা বাধঁ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে। সরকারের কোটি কোটি টাকা লুপাট করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকতার্রা সম্মিলিতভাবে দুর্বল জেলা মনিটরিং কমিটি গঠন করে নিজেরা লাভবান হয়েছেন। আমরা এর বিচার চাই। যারা কমিটিতে ছিলেন তাদের সম্পদের হিসাব করা হউক। ভবিষ্যতে জেলার সকল গণমাধ্যমকমীর্দের সমন্বয়ে জেলা মনিটরিং কমিটি গঠনের অনুরোধ করছি।

‎এ ব্যাপারে বর্তমান জেলা প্রশাসক মো: মিনহাজুর রহমান জানান, আমি মাত্র যোগদান করেছি। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে আপনাকে জানাতে পারব। আর কোন অনিয়ম হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।###

আরও পড়ুনঃ  টেকনাফে অস্ত্রসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী আটক করেছে কোস্ট গার্ড