Dhaka ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
নরসিংদীতে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট, ৪ মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা সরিষাবাড়ীতে ২৭৮.৩০ মিটার দীর্ঘ গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন হারিয়ে যাওয়া সাইকেল উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিলেন আনসার সদস্য বিশ্ব ডাক দিবসে রচনা প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর ‎বীরগঞ্জের সাহাডবী সর্বজনীন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ বুড়িচংয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি দিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিএমপি কমিশনার সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহী আরও দৃষ্টিনন্দন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও উপেক্ষিত, নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার আহাজারি

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ১৫০ Time View

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জামাল উদ্দীনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেজর সিনহা হত্যা মামলার বহিষ্কৃত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিতর্কিত টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপের হাতে নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান এখনো তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাননি। সাজানো এসব মামলায় টানা ১১ মাসের বেশি কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেও, তিনি এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।

ফরিদুল মোস্তফা খানের অভিযোগ, মাদক ও ঘুষের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ওসি প্রদীপ ও তার সহযোগীরা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে তাকে নির্মম নির্যাতন করে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ওই সময় তাকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তিনি টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগ করেন।

কারামুক্তির পর থেকে তিনি নিজের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে আসছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার।

স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে বাংলাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে।

দীর্ঘ সাত বছর ধরে ন্যায়বিচারের আশায় অপেক্ষা করছেন ফরিদুল মোস্তফা খান। বর্তমানে তিনি আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর সহায়তা মেলেনি।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীর কাছে আবারও লিখিত আবেদন করেছেন মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য। তবুও এখনো কোনো সমাধান না পাওয়ায় তার আহাজারি অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

নরসিংদীতে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট, ৪ মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও উপেক্ষিত, নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার আহাজারি

সময়: ১১:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জামাল উদ্দীনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেজর সিনহা হত্যা মামলার বহিষ্কৃত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিতর্কিত টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপের হাতে নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান এখনো তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাননি। সাজানো এসব মামলায় টানা ১১ মাসের বেশি কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেও, তিনি এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।

ফরিদুল মোস্তফা খানের অভিযোগ, মাদক ও ঘুষের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ওসি প্রদীপ ও তার সহযোগীরা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে তাকে নির্মম নির্যাতন করে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ওই সময় তাকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তিনি টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগ করেন।

কারামুক্তির পর থেকে তিনি নিজের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে আসছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার।

স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে বাংলাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে।

দীর্ঘ সাত বছর ধরে ন্যায়বিচারের আশায় অপেক্ষা করছেন ফরিদুল মোস্তফা খান। বর্তমানে তিনি আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর সহায়তা মেলেনি।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীর কাছে আবারও লিখিত আবেদন করেছেন মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য। তবুও এখনো কোনো সমাধান না পাওয়ায় তার আহাজারি অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিএমপিতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ‘নিরাপত্তা সমন্বয় সভা’ অনুষ্ঠিত