Dhaka ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বহু সংগ্রাম পেরিয়ে আলোর পথে—ডাঃ আলপনা মোসাদ্দেক এক অনন্য প্রেরণার নাম অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার রাণীশংকৈলে ৯ বছর ধরে বন্ধ সিজার সেবা: গাইনি চিকিৎসকের অভাবে ঝুঁকিতে প্রসূতি সেবা চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন কক্সবাজারের ইসমাইল তেল মজুতকারীরাই সন্ত্রাসী : হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া আজিজনগর ‘ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন জাদুকাটায় নৌপথে ভয়াবহ চাঁদাবাজি কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনী কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প দোয়ারাবাজারে মসজিদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এলাকাবাসী’র মানববন্ধন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাণীশংকৈলে ৯ বছর ধরে বন্ধ সিজার সেবা: গাইনি চিকিৎসকের অভাবে ঝুঁকিতে প্রসূতি সেবা

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ Time View

 

আব্দুল জব্বার, ঠাকুরগাঁও:


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকলেও গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে প্রায় ৯ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান (সিজার) সেবা। ফলে, সরকারী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গর্ভবতী মায়েরা, এবং বেসরকারি ক্লিনিকে তাদের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বাড়ছে আর্থিক চাপ।
স্বাভাবিক প্রসবের সেবা চালু থাকলেও জরুরি সিজারিয়ান অপারেশন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ওটি এবং এনেস্থেসিয়া সুবিধা থাকা সত্ত্বেও গাইনি বিশেষজ্ঞের অভাবে এটি চালু করা যাচ্ছে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফিরোজ আলম জানান, “ওটি চালুর জন্য সব কিছু প্রস্তুত, তবে গাইনি বিশেষজ্ঞ না থাকায় অপারেশন সম্ভব হচ্ছে না।”

এদিকে, স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে সিজারিয়ান অপারেশন চলছে, এবং মার্চ মাসে ২২০টি সিজার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। এতে বাড়ছে চিকিৎসা খরচ এবং বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এক গর্ভবতী নারীর স্বজন জানান, “সরকারি হাসপাতালে সব ব্যবস্থা থাকার পরেও সিজার না হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টের। বেসরকারি ক্লিনিকের খরচ অনেক বেশি।”

প্রসূতি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয়দের অভিযোগ, জরুরি রোগীদের অন্যত্র পাঠানোর কারণে মা ও নবজাতকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহামেদ বলেন, “গাইনি বিশেষজ্ঞের পদ শূন্য থাকায় দ্রুত নিয়োগের মাধ্যমে সিজার সেবা চালু করা সম্ভব হবে।”
স্থানীয়দের আশ্বাস, গাইনি চিকিৎসক নিয়োগ হলে সিজার সেবা দ্রুত পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে, এবং সেবা গ্রহণের জন্য গর্ভবতী মায়েরা আর বেসরকারি ক্লিনিকের শরণাপন্ন হতে হবে না।

আরও পড়ুনঃ  "মৌলভীবাজার ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত”
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বহু সংগ্রাম পেরিয়ে আলোর পথে—ডাঃ আলপনা মোসাদ্দেক এক অনন্য প্রেরণার নাম

রাণীশংকৈলে ৯ বছর ধরে বন্ধ সিজার সেবা: গাইনি চিকিৎসকের অভাবে ঝুঁকিতে প্রসূতি সেবা

সময়: ১২:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

আব্দুল জব্বার, ঠাকুরগাঁও:


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকলেও গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে প্রায় ৯ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান (সিজার) সেবা। ফলে, সরকারী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গর্ভবতী মায়েরা, এবং বেসরকারি ক্লিনিকে তাদের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বাড়ছে আর্থিক চাপ।
স্বাভাবিক প্রসবের সেবা চালু থাকলেও জরুরি সিজারিয়ান অপারেশন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ওটি এবং এনেস্থেসিয়া সুবিধা থাকা সত্ত্বেও গাইনি বিশেষজ্ঞের অভাবে এটি চালু করা যাচ্ছে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফিরোজ আলম জানান, “ওটি চালুর জন্য সব কিছু প্রস্তুত, তবে গাইনি বিশেষজ্ঞ না থাকায় অপারেশন সম্ভব হচ্ছে না।”

এদিকে, স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে সিজারিয়ান অপারেশন চলছে, এবং মার্চ মাসে ২২০টি সিজার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। এতে বাড়ছে চিকিৎসা খরচ এবং বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এক গর্ভবতী নারীর স্বজন জানান, “সরকারি হাসপাতালে সব ব্যবস্থা থাকার পরেও সিজার না হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টের। বেসরকারি ক্লিনিকের খরচ অনেক বেশি।”

প্রসূতি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয়দের অভিযোগ, জরুরি রোগীদের অন্যত্র পাঠানোর কারণে মা ও নবজাতকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহামেদ বলেন, “গাইনি বিশেষজ্ঞের পদ শূন্য থাকায় দ্রুত নিয়োগের মাধ্যমে সিজার সেবা চালু করা সম্ভব হবে।”
স্থানীয়দের আশ্বাস, গাইনি চিকিৎসক নিয়োগ হলে সিজার সেবা দ্রুত পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে, এবং সেবা গ্রহণের জন্য গর্ভবতী মায়েরা আর বেসরকারি ক্লিনিকের শরণাপন্ন হতে হবে না।

আরও পড়ুনঃ  ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত