Dhaka ০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন আত্রাই রেললাইনের পাশে পড়ে ছিল কলেজ অধ্যক্ষের মরদেহ!! হোয়াইক্যং আলহাজ্ব আলী আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন জুনায়েদ আলী চৌধুরী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান ‘লা পুলগা’ থেকে ‘দ্য গোট’ রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো সংসদে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা’ বললেন এমপি আমির হামজা সকল অপকর্মের সমাপ্তি চাই গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘গেম চেঞ্জার’ বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

জাদুকাটায় নৌপথে ভয়াবহ চাঁদাবাজি

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮১ Time View

 

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার


সুনামগঞ্জ তাহিরপুর রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর আগে যেখানে নদীটির প্রস্থ ছিল মাত্র ৫৭ ফুট, সেখানে ড্রেজার ও স্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে বর্তমানে এর প্রস্থ বেড়ে আট থেকে দশগুণ হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিমুল বাগানসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম। পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে নদীটির এই পরিবর্তনের আড়ালে গড়ে উঠেছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। দীর্ঘ ১৭ বছর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সরাসরি না থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে বিএনপির একটি প্রভাবশালী চক্র আড়াল থেকে পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে দল পরিবর্তন হলেও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি।

সরকার নির্ধারিত ইজারা বা টোল দেওয়ার পরও শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত টাকার বাইরে টাকা দিতে না চাইলে নৌকা বা বাল্কহেড আটকে রাখা হয়, এমনকি শ্রমিকদের মারধরও করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেঁধে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সীমান্ত নদী জাদুকাটায় টোল ট্যাক্সের নামে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিটি নৌকা বা বাল্কহেড থেকে নির্ধারিত ৩০ পয়সার পরিবর্তে ১ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ফাজিলপুর এলাকায় প্রায় ২০০ মিটারজুড়ে চারটি স্থানে ঘর নির্মাণ করে ‘জাদুকাটা-১’ ও ‘জাদুকাটা-২’ নামে রয়্যালটি আদায় করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর নামে টোল, উপজেলা প্রশাসনের ‘ক্যাশ কালেকশন’ এবং ইজারাদারের টোল—সব মিলিয়ে একাধিক স্তরে অর্থ আদায় চলছে।

আরও পড়ুনঃ  শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীতে বিজিবির অভিযানে বালুভর্তি বাল্কহেডসহ ৫ জন আটক

অভিযোগ রয়েছে, ইজারাদার জবা মিয়া ও তার ভাই সারোয়ার আলম স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় শ্রমিকদের ওপর জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকা আটকে রাখা ও মারধরের ঘটনাও ঘটছে। অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার (বাল্কহেড) নৌ-শ্রমিক ইউনিয়ন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানায় একাধিক অভিযোগ দিয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ইজারাদারের লোকজন সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে তাদের লাঞ্ছিত করার চেষ্টা এবং জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। নৌকা মালিক আবুল হোসেন বলেন, চাঁদা না দেওয়ায় দুইদিন নৌকা আটকে রাখা হয়। পরে বাধ্য হয়ে নির্ধারিত টাকার বেশি দিয়ে নৌকা ছাড়াতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় নেতা বলেন, ইজারাদার থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ প্রভাবশালী একটি চক্রের হাতে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের নির্যাতন করা হয়। জেলা ট্রলার নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা বলেন, চাঁদাবাজি এখন আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। চাঁদা না দিলে মারধর ও নৌকা আটকে রাখা হচ্ছে। তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার রুহুল আমিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৩০ পয়সা নেওয়ার কথা থাকলেও বেশি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অনিয়ম।

জাদুকাটায় চাঁদাবাজি আর নির্যাতনের বিষয়টিও স্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহরুখ আলম শান্তনু। তিনি বলেন, জাদুকাটা নদীতে মাঝে মধ্যে এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার খবর পাই। অতিরিক্ত টাকা আদায়ের খবর পেলে আমরা ব্যবস্থা নিই। তবে ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে আপনারা ইউএনও এবং ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র স্যাররাই ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে গত ১৭ এপ্রিল শুক্রবার মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের ফাঁসানোর চেষ্টার ঘটনায় তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এ রকম আর কখনও ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন ইজারাদার।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অরিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, এসব বিষয় নিয়ে অসংখ্যবার মিটিং এ কথা হয়েছে। চাঁদাবাজির বিষয়ে বেশ কিছু অভিযোগও পেয়েছি। এসবের সঙ্গে প্রভাবশালী গ্রুপ জড়িত। সব সময় তো আর ইউএনও আর এসিল্যান্ডরা সেখানে অবস্থান করতে পারে না। আমরা অভিযানে গেলে সেখানে কোনো লোকই মুখ খুলে বলে না। এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হলে সামাজিকভাব…

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন

জাদুকাটায় নৌপথে ভয়াবহ চাঁদাবাজি

সময়: ১২:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার


সুনামগঞ্জ তাহিরপুর রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর আগে যেখানে নদীটির প্রস্থ ছিল মাত্র ৫৭ ফুট, সেখানে ড্রেজার ও স্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে বর্তমানে এর প্রস্থ বেড়ে আট থেকে দশগুণ হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিমুল বাগানসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম। পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে নদীটির এই পরিবর্তনের আড়ালে গড়ে উঠেছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। দীর্ঘ ১৭ বছর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সরাসরি না থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে বিএনপির একটি প্রভাবশালী চক্র আড়াল থেকে পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে দল পরিবর্তন হলেও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি।

সরকার নির্ধারিত ইজারা বা টোল দেওয়ার পরও শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত টাকার বাইরে টাকা দিতে না চাইলে নৌকা বা বাল্কহেড আটকে রাখা হয়, এমনকি শ্রমিকদের মারধরও করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেঁধে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সীমান্ত নদী জাদুকাটায় টোল ট্যাক্সের নামে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিটি নৌকা বা বাল্কহেড থেকে নির্ধারিত ৩০ পয়সার পরিবর্তে ১ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ফাজিলপুর এলাকায় প্রায় ২০০ মিটারজুড়ে চারটি স্থানে ঘর নির্মাণ করে ‘জাদুকাটা-১’ ও ‘জাদুকাটা-২’ নামে রয়্যালটি আদায় করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর নামে টোল, উপজেলা প্রশাসনের ‘ক্যাশ কালেকশন’ এবং ইজারাদারের টোল—সব মিলিয়ে একাধিক স্তরে অর্থ আদায় চলছে।

আরও পড়ুনঃ  ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারানোই বড় অর্জন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

অভিযোগ রয়েছে, ইজারাদার জবা মিয়া ও তার ভাই সারোয়ার আলম স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় শ্রমিকদের ওপর জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকা আটকে রাখা ও মারধরের ঘটনাও ঘটছে। অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার (বাল্কহেড) নৌ-শ্রমিক ইউনিয়ন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানায় একাধিক অভিযোগ দিয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ইজারাদারের লোকজন সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে তাদের লাঞ্ছিত করার চেষ্টা এবং জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। নৌকা মালিক আবুল হোসেন বলেন, চাঁদা না দেওয়ায় দুইদিন নৌকা আটকে রাখা হয়। পরে বাধ্য হয়ে নির্ধারিত টাকার বেশি দিয়ে নৌকা ছাড়াতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় নেতা বলেন, ইজারাদার থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ প্রভাবশালী একটি চক্রের হাতে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের নির্যাতন করা হয়। জেলা ট্রলার নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা বলেন, চাঁদাবাজি এখন আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। চাঁদা না দিলে মারধর ও নৌকা আটকে রাখা হচ্ছে। তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার রুহুল আমিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৩০ পয়সা নেওয়ার কথা থাকলেও বেশি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অনিয়ম।

জাদুকাটায় চাঁদাবাজি আর নির্যাতনের বিষয়টিও স্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহরুখ আলম শান্তনু। তিনি বলেন, জাদুকাটা নদীতে মাঝে মধ্যে এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার খবর পাই। অতিরিক্ত টাকা আদায়ের খবর পেলে আমরা ব্যবস্থা নিই। তবে ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে আপনারা ইউএনও এবং ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র স্যাররাই ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে গত ১৭ এপ্রিল শুক্রবার মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের ফাঁসানোর চেষ্টার ঘটনায় তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এ রকম আর কখনও ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন ইজারাদার।

আরও পড়ুনঃ  হারানো বিজ্ঞপ্তি

অরিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, এসব বিষয় নিয়ে অসংখ্যবার মিটিং এ কথা হয়েছে। চাঁদাবাজির বিষয়ে বেশ কিছু অভিযোগও পেয়েছি। এসবের সঙ্গে প্রভাবশালী গ্রুপ জড়িত। সব সময় তো আর ইউএনও আর এসিল্যান্ডরা সেখানে অবস্থান করতে পারে না। আমরা অভিযানে গেলে সেখানে কোনো লোকই মুখ খুলে বলে না। এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হলে সামাজিকভাব…