Dhaka ১২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মেট্রোরেল ঋণের সুদ কমানো নিয়ে জাপানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে তাহিরপুরে পুলিশ হেফাজতে কৃপেশ রায় সিএমপিতে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মা ইলিশ রক্ষায় কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার নরসিংদীর শিবপুরে মাদক মামলায় একজনের দুই মাসের কারাদণ্ড, শব্দদূষণে জরিমানা ঝিকরগাছা থানার ভেতরে মারধর, অর্থ দাবি ও টাকা-মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এএসআই আশরাফুলের বিরুদ্ধে চুয়েটে শাটডাউন প্রত্যাহার, ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত স্বল্প আয়েও সুখী জীবন, উদাহরণ সৃষ্টি করলেন কুমিল্লার খালেক মিয়া ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০ পিস টাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ইলহান ওমরের বিয়ে নিয়ে পুরোনো বিতর্ক ফের আলোচনায়, নতুন করে উঠছে নানা প্রশ্ন

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন ও এমডি নাসির, বাপসনিউজ:

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের ব্যক্তিগত জীবন ও সাবেক স্বামী আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। তাঁর বিয়ের সনদ, পারিবারিক পরিচয়, করসংক্রান্ত নথি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবেক স্বামীর পরিচিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক সমালোচকেরা।

আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজের বরাতে জানা যায়, নিউইয়র্ক পোস্ট-এর ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওমরকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগগুলো নতুন করে সামনে আনা হয়েছে। তবে অভিযোগ, রাজনৈতিক সমালোচনা এবং প্রমাণিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

বিয়ের সনদ ও পারিবারিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইলহান ওমর ২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে আইনগতভাবে বিয়ে করেন। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয় ২০১৭ সালে।

সমালোচকদের অভিযোগ, এলমি ওমরের ভাই হতে পারেন এবং তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিয়ে করা হয়েছিল। এ দাবির পক্ষে তাঁরা যুক্তরাজ্যের একটি বিয়ের সনদ, পারিবারিক নামের মিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করেন।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে এলমি ও ওমরের মধ্যে জৈবিক ভাই-বোনের সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ওমরও দীর্ঘদিন ধরে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

করসংক্রান্ত নথি নিয়েও প্রশ্ন

ইলহান ওমরকে ঘিরে বিতর্কের আরেকটি বিষয় তাঁর অতীতের করসংক্রান্ত নথি। মিনিয়াপোলিসের স্টার ট্রিবিউন ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানায়, ওমর ২০১৪ ও ২০১৫ সালে তাঁর আইনগত স্বামী এলমির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে থাকা অবস্থায় অন্য সঙ্গী আহমেদ হিরসির সঙ্গে যৌথ কর রিটার্ন দাখিল করেছিলেন। পরে করসংক্রান্ত ওই অসংগতি সংশোধন করা হয়।

তবে কর রিটার্নে অসংগতি থাকা এবং ভাইকে বিয়ে করে অভিবাসন জালিয়াতি করার অভিযোগ এক বিষয় নয়। একটি বিষয়ের তথ্য দিয়ে অন্য অভিযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রমাণিত হয় না।

আরও পড়ুনঃ  ট্রাম্পের আমেরিকা ছেড়ে ইউরোপে পাড়ি, নতুন জীবনে গিয়ে বাস্তবতার মুখোমুখি মার্কিন নাগরিকেরা

‘ডার্টি ড্যান্ডি’ পরিচয় কেন আলোচনায়?

নিউইয়র্ক পোস্ট-এর প্রতিবেদনে এলমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি ‘ডার্টি ড্যান্ডি’ এবং তাঁর ব্যক্তিগত ও শিক্ষাজীবনের কিছু তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত কোনো নাম, ব্যক্তিগত পরিচিতি কিংবা জীবনযাপনের তথ্য নিজেরাই কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।

অভিযোগ নিয়ে কী বলেছেন ইলহান ওমর?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ওমরকে তাঁর সাবেক স্বামী তাঁর ভাই কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “Not to my knowledge”—অর্থাৎ, “আমার জানা মতে, না।”

তাঁর মুখপাত্রও অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রতত্ত্ব বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওমর দীর্ঘদিন ধরে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

প্রকাশ্যে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এলমি তাঁর জৈবিক ভাই—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একইভাবে, এ অভিযোগের ভিত্তিতে অভিবাসন জালিয়াতির অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিতর্কের প্রভাব

ইলহান ওমরকে ঘিরে এ বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বহু বছর ধরে চলে আসছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ কয়েকজন রিপাবলিকান নেতা বিষয়টি আবার সামনে এনেছেন।

তবে রাজনৈতিক বক্তব্য, সন্দেহ, করসংক্রান্ত নথিতে অসংগতি এবং আইনগতভাবে প্রমাণিত অপরাধের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। কোনো অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য নথি, স্বাধীন অনুসন্ধান এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া বিবেচনা করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, ইলহান ওমরের বিয়ে ও পারিবারিক পরিচয় নিয়ে পুরোনো বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এলেও, তাঁকে ভাইকে বিয়ে করা বা অভিবাসন জালিয়াতির জন্য দায়ী করার মতো নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি নেই।

সূত্র: ব্যবহারকারীর সরবরাহ করা তথ্য; নিউইয়র্ক পোস্ট ও স্টার ট্রিবিউন-এর প্রতিবেদনের উল্লেখ।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

মেট্রোরেল ঋণের সুদ কমানো নিয়ে জাপানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ

ইলহান ওমরের বিয়ে নিয়ে পুরোনো বিতর্ক ফের আলোচনায়, নতুন করে উঠছে নানা প্রশ্ন

সময়: ০৬:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন ও এমডি নাসির, বাপসনিউজ:

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের ব্যক্তিগত জীবন ও সাবেক স্বামী আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। তাঁর বিয়ের সনদ, পারিবারিক পরিচয়, করসংক্রান্ত নথি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবেক স্বামীর পরিচিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক সমালোচকেরা।

আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজের বরাতে জানা যায়, নিউইয়র্ক পোস্ট-এর ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওমরকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগগুলো নতুন করে সামনে আনা হয়েছে। তবে অভিযোগ, রাজনৈতিক সমালোচনা এবং প্রমাণিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

বিয়ের সনদ ও পারিবারিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইলহান ওমর ২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে আইনগতভাবে বিয়ে করেন। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয় ২০১৭ সালে।

সমালোচকদের অভিযোগ, এলমি ওমরের ভাই হতে পারেন এবং তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিয়ে করা হয়েছিল। এ দাবির পক্ষে তাঁরা যুক্তরাজ্যের একটি বিয়ের সনদ, পারিবারিক নামের মিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করেন।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে এলমি ও ওমরের মধ্যে জৈবিক ভাই-বোনের সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ওমরও দীর্ঘদিন ধরে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

করসংক্রান্ত নথি নিয়েও প্রশ্ন

ইলহান ওমরকে ঘিরে বিতর্কের আরেকটি বিষয় তাঁর অতীতের করসংক্রান্ত নথি। মিনিয়াপোলিসের স্টার ট্রিবিউন ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানায়, ওমর ২০১৪ ও ২০১৫ সালে তাঁর আইনগত স্বামী এলমির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে থাকা অবস্থায় অন্য সঙ্গী আহমেদ হিরসির সঙ্গে যৌথ কর রিটার্ন দাখিল করেছিলেন। পরে করসংক্রান্ত ওই অসংগতি সংশোধন করা হয়।

তবে কর রিটার্নে অসংগতি থাকা এবং ভাইকে বিয়ে করে অভিবাসন জালিয়াতি করার অভিযোগ এক বিষয় নয়। একটি বিষয়ের তথ্য দিয়ে অন্য অভিযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রমাণিত হয় না।

আরও পড়ুনঃ  ট্রাম্পের আমেরিকা ছেড়ে ইউরোপে পাড়ি, নতুন জীবনে গিয়ে বাস্তবতার মুখোমুখি মার্কিন নাগরিকেরা

‘ডার্টি ড্যান্ডি’ পরিচয় কেন আলোচনায়?

নিউইয়র্ক পোস্ট-এর প্রতিবেদনে এলমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি ‘ডার্টি ড্যান্ডি’ এবং তাঁর ব্যক্তিগত ও শিক্ষাজীবনের কিছু তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত কোনো নাম, ব্যক্তিগত পরিচিতি কিংবা জীবনযাপনের তথ্য নিজেরাই কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।

অভিযোগ নিয়ে কী বলেছেন ইলহান ওমর?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ওমরকে তাঁর সাবেক স্বামী তাঁর ভাই কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “Not to my knowledge”—অর্থাৎ, “আমার জানা মতে, না।”

তাঁর মুখপাত্রও অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রতত্ত্ব বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওমর দীর্ঘদিন ধরে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

প্রকাশ্যে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এলমি তাঁর জৈবিক ভাই—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একইভাবে, এ অভিযোগের ভিত্তিতে অভিবাসন জালিয়াতির অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিতর্কের প্রভাব

ইলহান ওমরকে ঘিরে এ বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বহু বছর ধরে চলে আসছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ কয়েকজন রিপাবলিকান নেতা বিষয়টি আবার সামনে এনেছেন।

তবে রাজনৈতিক বক্তব্য, সন্দেহ, করসংক্রান্ত নথিতে অসংগতি এবং আইনগতভাবে প্রমাণিত অপরাধের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। কোনো অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য নথি, স্বাধীন অনুসন্ধান এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া বিবেচনা করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, ইলহান ওমরের বিয়ে ও পারিবারিক পরিচয় নিয়ে পুরোনো বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এলেও, তাঁকে ভাইকে বিয়ে করা বা অভিবাসন জালিয়াতির জন্য দায়ী করার মতো নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি নেই।

সূত্র: ব্যবহারকারীর সরবরাহ করা তথ্য; নিউইয়র্ক পোস্ট ও স্টার ট্রিবিউন-এর প্রতিবেদনের উল্লেখ।