Dhaka ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান ‘লা পুলগা’ থেকে ‘দ্য গোট’ রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো সংসদে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা’ বললেন এমপি আমির হামজা সকল অপকর্মের সমাপ্তি চাই গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘গেম চেঞ্জার’ বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী সিলেট বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সংসদে এমরান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা জানালেন ফেসবুকে ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন: স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিতের প্রত্যাশা টাঙ্গাইলে যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

“৩ যুগ সাংবাদিকতা করেও দুঃসময়ে রাখাল দে”



‎সোহাগ মিয়া, মাধবপুর প্রতিনিধিঃ ৩ যুগ সময় ধরে কলম হাতে দুর্নীতি, অনিয়ম আর অসহায় মানুষের কথা তুলে ধরেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া গ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক রাখাল দে। কিন্তু ৭০ বছর বয়সে এসে তিনি নিজেই লড়ছেন চরম আর্থিক সংকটে।

‎দুই দফা স্ট্রোকের পর বর্তমানে তাঁর একটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। চিকিৎসা ও সংসারের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এই অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীকে। দীর্ঘদিন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় কাজ করলেও কোনো আর্থিক নিরাপত্তা পাননি তিনি।

‎তাঁর একমাত্র ছেলে উচ্চশিক্ষা শেষে ধার–কর্য করে সম্প্রতি প্রবাসে গেলেও সফল না হওয়ায় পরিবার আরও চরম অর্থকষ্টে পড়েছে।

‎রাখাল দে হবিগঞ্জের দেশজমিন, প্রতিদিনের বানীসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে দীর্ঘদিন সংবাদ পরিবেশন করেছেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় দৈনিক মানবকণ্ঠে চার বছর কাজ করেন।অসুস্থতা ও বয়সজনিত কারণে অবসর নেওয়ার পর তাঁর প্রতিনিধিত্ব চলে আরেক সাংবাদিকের হাতে।

‎তাঁর উল্লেখযোগ্য অনুসন্ধানী রিপোর্টের মধ্যে রয়েছে—তেলিয়াপাড়ায় বসতি বিনিময় কেলেঙ্কারি, শুক্কুরি হত্যা-ধর্ষণ রহস্য উদঘাটন এবং মাধবপুরে পুলিশ কর্মকর্তা সাব্বিরের ঘুষ বাণিজ্য কাণ্ড ইত্যাদি।

‎এলাকাবাসীর মতে, রাখাল দে শুধু সংবাদকর্মী নন, তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক কাজে সবসময় এগিয়ে এসেছেন।

‎মাধবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, “রাখাল দে শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি আমাদের প্রেরণা। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী লেখা মাধবপুরের সাংবাদিকতা জগতে অমূল্য অবদান রেখেছে। আজ তাঁর সংকটময় মুহূর্তে সমাজের বিত্তবান ও প্রশাসনের এগিয়ে আসা উচিত।”

‎অন্যদিকে স্থানীয় সাংবাদিক মুজাহিদ মসি বলেন, “মানবিক সহায়তা পেলে এই প্রবীণ সাংবাদিক অন্তত জীবনের শেষ সময়ে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে দিন কাটাতে পারবেন।”

আরও পড়ুনঃ  সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান

“৩ যুগ সাংবাদিকতা করেও দুঃসময়ে রাখাল দে”

সময়: ০৮:০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫



‎সোহাগ মিয়া, মাধবপুর প্রতিনিধিঃ ৩ যুগ সময় ধরে কলম হাতে দুর্নীতি, অনিয়ম আর অসহায় মানুষের কথা তুলে ধরেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া গ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক রাখাল দে। কিন্তু ৭০ বছর বয়সে এসে তিনি নিজেই লড়ছেন চরম আর্থিক সংকটে।

‎দুই দফা স্ট্রোকের পর বর্তমানে তাঁর একটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। চিকিৎসা ও সংসারের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এই অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীকে। দীর্ঘদিন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় কাজ করলেও কোনো আর্থিক নিরাপত্তা পাননি তিনি।

‎তাঁর একমাত্র ছেলে উচ্চশিক্ষা শেষে ধার–কর্য করে সম্প্রতি প্রবাসে গেলেও সফল না হওয়ায় পরিবার আরও চরম অর্থকষ্টে পড়েছে।

‎রাখাল দে হবিগঞ্জের দেশজমিন, প্রতিদিনের বানীসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে দীর্ঘদিন সংবাদ পরিবেশন করেছেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় দৈনিক মানবকণ্ঠে চার বছর কাজ করেন।অসুস্থতা ও বয়সজনিত কারণে অবসর নেওয়ার পর তাঁর প্রতিনিধিত্ব চলে আরেক সাংবাদিকের হাতে।

‎তাঁর উল্লেখযোগ্য অনুসন্ধানী রিপোর্টের মধ্যে রয়েছে—তেলিয়াপাড়ায় বসতি বিনিময় কেলেঙ্কারি, শুক্কুরি হত্যা-ধর্ষণ রহস্য উদঘাটন এবং মাধবপুরে পুলিশ কর্মকর্তা সাব্বিরের ঘুষ বাণিজ্য কাণ্ড ইত্যাদি।

‎এলাকাবাসীর মতে, রাখাল দে শুধু সংবাদকর্মী নন, তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক কাজে সবসময় এগিয়ে এসেছেন।

‎মাধবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, “রাখাল দে শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি আমাদের প্রেরণা। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী লেখা মাধবপুরের সাংবাদিকতা জগতে অমূল্য অবদান রেখেছে। আজ তাঁর সংকটময় মুহূর্তে সমাজের বিত্তবান ও প্রশাসনের এগিয়ে আসা উচিত।”

‎অন্যদিকে স্থানীয় সাংবাদিক মুজাহিদ মসি বলেন, “মানবিক সহায়তা পেলে এই প্রবীণ সাংবাদিক অন্তত জীবনের শেষ সময়ে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে দিন কাটাতে পারবেন।”

আরও পড়ুনঃ  বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের উদ্যোগে রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত