Dhaka ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মানবিকতায় উজ্জ্বল এমপি সাঈদ আল নোমান: ইমরানের হাতে হুইলচেয়ার কালীগঞ্জে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি: দক্ষিণ হালিশহরে ২৯৩ জেলে পরিবার পেল ৮০ কেজি করে চাল ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশন অব চন্দনাইশ এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত “মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ একেএম ফজলুল হক মিলনের পক্ষ থেকে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা প্রকাশ” ওয়েস্ট বেঙ্গল রেকগনাইজড আন এডেড মাদ্রাসা ঐক্য মঞ্চের ডাকে- নবান্ন অভিযান ইপিজেডে বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ধামইরহাটে ইউনিয়ন পরিষদের জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ সাইফুল ইসলামের বিদায়ী সংবর্ধনা নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‌র উপজেলা শাখার পরিচিতি,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

জনকের ডাক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৯ Time View

–রফিকুল ইসলাম ভুলু ,


১৯৭১ সালের সাতই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) লক্ষাধিক জনতার মাঝে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে জাতির মুক্তির দিকনির্দেশনায় বলেছিলেন।

 

তোমাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,

এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

 

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের সেই ভয়াল রাতে পাকিস্তানি মিলিটারি যখন হত্যাযজ্ঞ শুরু করে, ঠিক তখনই রাত বারোটার পরে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেস মারফত স্বাধীনতার মুক্তির বাণী পৌঁছে দেন, বহির্বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে।

 

আমি মুজিব বলছি। সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই। পাক বাহিনী আমাদের বাঙালি জাতির উপরে আক্রমণ করেছে। আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা।

তাই আজ থেকে বাঙালি জাতি এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

সেই দিকনির্দেশনার দীপ্ত শপথ নিয়ে, জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে বীরদর্পে মরণপণ যুদ্ধে। তাই বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায়নি।

 

অবশেষে একটি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু’লক্ষাধিক মা-বোনের মহান ত্যাগের বিনিময়ে, বাঙালি জাতি বিজয়ের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে। তাঁদের সেই কাঙ্খিত স্বপ্নের স্বাধীনতা ও বিজয় এবং লাল সবুজের পতাকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এই বাংলাদেশ।

 

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) শীতের পড়ন্ত বিকেলে, যৌথ কমান্ডের নিকট ৯৩ হাজার পরাজিত পাকিস্তানী মিলিটারি সহ। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পক্ষে জেনারেল এ, এ, কে নিয়াজী মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে মুজিব নগর সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ, কে খন্দকার।

 

সেদিন থেকেই ২৬ শে মার্চ “মহান স্বাধীনতা দিবস” এবং “জাতীয় বিজয় দিবস” হিসেবে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করে আসছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

মানবিকতায় উজ্জ্বল এমপি সাঈদ আল নোমান: ইমরানের হাতে হুইলচেয়ার

জনকের ডাক

Update Time : ১০:২১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

–রফিকুল ইসলাম ভুলু ,


১৯৭১ সালের সাতই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) লক্ষাধিক জনতার মাঝে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে জাতির মুক্তির দিকনির্দেশনায় বলেছিলেন।

 

তোমাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,

এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

 

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের সেই ভয়াল রাতে পাকিস্তানি মিলিটারি যখন হত্যাযজ্ঞ শুরু করে, ঠিক তখনই রাত বারোটার পরে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেস মারফত স্বাধীনতার মুক্তির বাণী পৌঁছে দেন, বহির্বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে।

 

আমি মুজিব বলছি। সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই। পাক বাহিনী আমাদের বাঙালি জাতির উপরে আক্রমণ করেছে। আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা।

তাই আজ থেকে বাঙালি জাতি এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

সেই দিকনির্দেশনার দীপ্ত শপথ নিয়ে, জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে বীরদর্পে মরণপণ যুদ্ধে। তাই বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায়নি।

 

অবশেষে একটি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু’লক্ষাধিক মা-বোনের মহান ত্যাগের বিনিময়ে, বাঙালি জাতি বিজয়ের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে। তাঁদের সেই কাঙ্খিত স্বপ্নের স্বাধীনতা ও বিজয় এবং লাল সবুজের পতাকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এই বাংলাদেশ।

 

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) শীতের পড়ন্ত বিকেলে, যৌথ কমান্ডের নিকট ৯৩ হাজার পরাজিত পাকিস্তানী মিলিটারি সহ। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পক্ষে জেনারেল এ, এ, কে নিয়াজী মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে মুজিব নগর সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ, কে খন্দকার।

 

সেদিন থেকেই ২৬ শে মার্চ “মহান স্বাধীনতা দিবস” এবং “জাতীয় বিজয় দিবস” হিসেবে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করে আসছেন।