Dhaka ০২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন শহীদ জিয়াউর রহমানের গুণাবলীর সঙ্গে মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে এক অনন্য পথিকৃৎ: হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান চট্টগ্রামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের দালালের হাতে জিন্মি 🌙 মানব জীবন পত্রিকার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🌙 সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

জনকের ডাক

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:২১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৮৯ Time View

–রফিকুল ইসলাম ভুলু ,


১৯৭১ সালের সাতই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) লক্ষাধিক জনতার মাঝে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে জাতির মুক্তির দিকনির্দেশনায় বলেছিলেন।

 

তোমাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,

এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

 

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের সেই ভয়াল রাতে পাকিস্তানি মিলিটারি যখন হত্যাযজ্ঞ শুরু করে, ঠিক তখনই রাত বারোটার পরে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেস মারফত স্বাধীনতার মুক্তির বাণী পৌঁছে দেন, বহির্বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে।

 

আমি মুজিব বলছি। সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই। পাক বাহিনী আমাদের বাঙালি জাতির উপরে আক্রমণ করেছে। আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা।

তাই আজ থেকে বাঙালি জাতি এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

সেই দিকনির্দেশনার দীপ্ত শপথ নিয়ে, জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে বীরদর্পে মরণপণ যুদ্ধে। তাই বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায়নি।

 

অবশেষে একটি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু’লক্ষাধিক মা-বোনের মহান ত্যাগের বিনিময়ে, বাঙালি জাতি বিজয়ের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে। তাঁদের সেই কাঙ্খিত স্বপ্নের স্বাধীনতা ও বিজয় এবং লাল সবুজের পতাকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এই বাংলাদেশ।

 

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) শীতের পড়ন্ত বিকেলে, যৌথ কমান্ডের নিকট ৯৩ হাজার পরাজিত পাকিস্তানী মিলিটারি সহ। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পক্ষে জেনারেল এ, এ, কে নিয়াজী মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে মুজিব নগর সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ, কে খন্দকার।

 

সেদিন থেকেই ২৬ শে মার্চ “মহান স্বাধীনতা দিবস” এবং “জাতীয় বিজয় দিবস” হিসেবে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করে আসছেন।

Tag :

জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস

জনকের ডাক

সময়: ১০:২১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

–রফিকুল ইসলাম ভুলু ,


১৯৭১ সালের সাতই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) লক্ষাধিক জনতার মাঝে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে জাতির মুক্তির দিকনির্দেশনায় বলেছিলেন।

 

তোমাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,

এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

 

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের সেই ভয়াল রাতে পাকিস্তানি মিলিটারি যখন হত্যাযজ্ঞ শুরু করে, ঠিক তখনই রাত বারোটার পরে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেস মারফত স্বাধীনতার মুক্তির বাণী পৌঁছে দেন, বহির্বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে।

 

আমি মুজিব বলছি। সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই। পাক বাহিনী আমাদের বাঙালি জাতির উপরে আক্রমণ করেছে। আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা।

তাই আজ থেকে বাঙালি জাতি এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

সেই দিকনির্দেশনার দীপ্ত শপথ নিয়ে, জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে বীরদর্পে মরণপণ যুদ্ধে। তাই বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায়নি।

 

অবশেষে একটি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু’লক্ষাধিক মা-বোনের মহান ত্যাগের বিনিময়ে, বাঙালি জাতি বিজয়ের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে। তাঁদের সেই কাঙ্খিত স্বপ্নের স্বাধীনতা ও বিজয় এবং লাল সবুজের পতাকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এই বাংলাদেশ।

 

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) শীতের পড়ন্ত বিকেলে, যৌথ কমান্ডের নিকট ৯৩ হাজার পরাজিত পাকিস্তানী মিলিটারি সহ। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পক্ষে জেনারেল এ, এ, কে নিয়াজী মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে মুজিব নগর সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ, কে খন্দকার।

 

সেদিন থেকেই ২৬ শে মার্চ “মহান স্বাধীনতা দিবস” এবং “জাতীয় বিজয় দিবস” হিসেবে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করে আসছেন।