Dhaka ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন শহীদ জিয়াউর রহমানের গুণাবলীর সঙ্গে মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে এক অনন্য পথিকৃৎ: হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান চট্টগ্রামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের দালালের হাতে জিন্মি 🌙 মানব জীবন পত্রিকার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🌙 সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান সমাজ ও মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে “ইসলামিক সেবক সম্মাননা” পেলেন মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বাস্তবধর্মী ভালোবাসার গল্প নিয়ে এসেছে ‘শুনছো দীপান্বিতা ভালোবাসি’

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ১৫২ Time View

লেখকের কথা:

​’শুনছো দীপান্বিতা, ভালোবাসি’ বইটিতে আমাদের সমাজের বহু বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজের অধিকাংশ সম্পর্কে ‘ভালোবাসা’ শব্দটি কখনো বিদ্যমান থাকে, আবার কখনো হয়ে ওঠে চিরকাল ধরাছোঁয়ার বাইরের বা অস্পর্শনীয় কিছু। বইটিতে দেখানো হয়েছে, বাবা হারানো একটি মেয়ে তার মায়ের দ্বিতীয় সংসারে কীভাবে অন্যায় ও অত্যাচারের মুখে বেড়ে ওঠে। বন্ধুর প্রতি একজন বন্ধুর দায়িত্ববোধ কতটা প্রবল হতে পারে, তা এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জীবনের চরম বিপদে বন্ধুরাই যে সবার আগে এগিয়ে আসে, গল্পটি তারই প্রমাণ।

 

লেখিকা- বৃষ্টি ইসলাম

গল্পের মূল চরিত্র হিসেবে একজন বেকার যুবকের জীবনকাহিনি এবং ‘দীপান্বিতা’ ডাকনামের এক কিশোরী মেয়ের জীবনের টানাপোড়েন দেখানো হয়েছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের অভাব কিংবা জীবনে ভুল মানুষের আগমন কীভাবে একটি সাজানো জীবনকে নরক বানিয়ে দিতে পারে, তা এই বইটির অন্যতম বড় শিক্ষা।
গল্পের শেষে প্রতিটি সম্পর্কের এক একটি পরিণতি দেখানো হয়েছে—যা কখনো অত্যন্ত সুন্দর, আবার কখনো ভীষণ বেদনাদায়ক।

বইয়ের দাম: ৩৮০
পৃষ্ঠাঃ ১৪৪
প্রচ্ছদ শিল্পীর নাম: আভা তাসনোভা ইরা

আগের প্রকাশীত বই: সন্ধ্যার ভায়োলিন
প্রকাশকাল: ২০২৫

•  চরিত্র বিশ্লেষণ:
​কাব্য: উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র। সে একজন বেকার যুবক, যার মনে রুপার প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক ও আর্থিক দৈন্যতার কারণে তা প্রকাশ করতে দ্বিধাগ্রস্ত।
​রুপা: উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র। সদ্য কলেজে পা রাখা এক কিশোরী, যার ডাকনাম ‘দীপান্বিতা’। তার জীবন আর দশটা সাধারণ মেয়ের মতো সহজ নয়।
​তন্ময়: উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সে একদিকে রুপার সৎ ভাই এবং অন্যদিকে কাব্যের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
বেলা: রুপার বড়ো বোন। এই চরিত্রটি অধিকার গুরুত্বপূর্ণ।

​কাহিনী সংক্ষেপ:
​উপন্যাসের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রুপার জীবন-সংগ্রাম। শৈশবে বাবাকে হারানোর পর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের সুবাদে রুপা তার সৎ বাবার সংসারে বেড়ে ওঠে। কিন্তু সেখানে তার জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ; সৎ বাবা তাকে সহ্য করতে পারেন না এবং প্রতিনিয়ত তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে আঘাত করতে থাকেন।
​অন্যদিকে, কাব্য রুপাকে মনে মনে ভালোবাসলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না। কারণ, সে জানে বর্তমান সমাজে একজন ‘বেকার প্রেমিকের’ কোনো মূল্য নেই। তবে রুপার কিশোরী মনেও কাব্যকে ঘিরে ভালোবাসার অনুভূতিরা ডানা মেলতে শুরু করে।

•  পাঠকের উদ্দেশ্য কিছু কথা:

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ

উওর:
অভাব, বেকারত্ব এবং পরিবারের নিষ্ঠুর আচরণের মতো সামাজিক প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে কাব্য ও রুপার এই পবিত্র অনুভূতি কীভাবে পূর্ণতা পায়, তা-ই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। আমাদের সমাজে এমন অনেক বাস্তব চরিত্র আছে তাদের জন্য এই বইটি পড়া উচিত। কীভাবে, কোন সমস্যার সমাধান করতে হয় এবং তার শেষ পরিণতি কী হতে পারে?

‘শুনছো দিপান্বীতা ভালোবাসি’ এই ব‌ইয়ের নামটা আমার খুব প্রিয়।
২/৩ বছর আগে সবচেয়ে প্রিয় গানের কথা উঠলেই বলতাম “দ্বীপান্বিতা”।
তখন ভালোই ছোট ছিলাম।
গানটা ভালো লাগত।
যখন দেখলাম ব‌ই বের হচ্ছে “শুনছো দিপান্বীতা ভালোবাসি” নামে,তখন থেকেই ব‌ইটা সংগ্রহে আনার তীব্র ইচ্ছা ছিলো। ব‌ইটা
লিখেছেন লেখিকা “বৃষ্টি ইসলাম”।

যারা চান বাস্তবধর্মী ভালোবাসার উপন্যাস পড়তে তাদের কাছে ব‌ইটা অনেক ভালো লাগবে।
সমাজের বিভিন্ন প্রতি’কূল’তা কাটিয়ে একটি ভালোবাসার পূর্ণতার কাহিনী।
যেই উপন্যাসে লেখা হয়েছে এক বেকার প্রেমিক আর এক কিশোরীর ভালোবাসার কথা।
এই ব‌ইতে আছে আবার মন ভাঙনের কাহিনীও। একতরফা ভালোবাসার কাহিনী।

চরিত্র বিশ্লেষণ:
উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র কাব্য এবং প্রধান নারী চরিত্র রুপা।
কাব্য একজন বেকার আর রুপা যে কিনা মাত্র কলেজে উঠেছে।
এই উপন্যাসের একটি চরিত্র তন্ময়।
রুপার সৎ ভাই এবং কাব্যের বন্ধু।

কাহিনী বিশ্লেষণ:
উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র রুপার জীবন আর দশটা মেয়ের মত না।
সে তার বাবাকে হারিয়েছে ছোট বেলায়। পরে তার মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হ‌ওয়ার পর রুপা সেখানেই থাকে।
তবে তার সৎ বাবা তাকে মোটেই সহ্য করতে পারে না।
রুপাকে সে সবসময় মানুষিক ভাবে এবং শারীরিক ভাবে আ’ঘা’ত করতে থাকে।
কাব্য রুপা কে ভালোবাসে কিন্তু বলে না। কারণ সমাজে যে বেকার প্রেমিকের মূল্য নেই‌।
রুপার কিশোরী মনেও উড়তে থাকে কাব্য নামের অনুভূতিরা।
কিন্তু তারা সামাজিক প্রতি’কূল’তা পাড়ি দিয়ে কিভাবে তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা দেয়?

আরও পড়ুনঃ  ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন

রুপা নিজের জীবনের ঝা’মে’লা ঝ’ঞ্ঝা’ট পাড় করে কিভাবে কাব্য কে নিজের একান্ত ব্যাক্তিগত পুরুষ হিসেবে পায়? জানতে হলে পড়তে হবে “শুনছো দিপান্বীতা ভালোবাসি” ব‌ইটি।

এবার আসি আমার ভালো লাগার দিক গুলোর কথা বলতে।
আমাকে মুগ্ধ করেছে কাব্য আর তন্ময়ের বন্ধুত্ব।

পড়ার সময় আমার মনে হয়েছে,আমি বোধ হয় আমার বাস্তব জীবনের আশে পাশের চিত্র গুলোই লিখিত ভাবে এই উপন্যাসে দেখছি। এরকম সামাজিক প্রতি’কূ’লতা প্রত্যকেটা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান রা দেখে।
এখানে রুপার দিক টা আরো ক’ঠি’ন ছিলো যেহেতু সে তার সৎ বাবার সাথে ছিলো।


 

রিভিউ: Rukaiya Tasnim

Tag :

চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ

বাস্তবধর্মী ভালোবাসার গল্প নিয়ে এসেছে ‘শুনছো দীপান্বিতা ভালোবাসি’

সময়: ০৯:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

লেখকের কথা:

​’শুনছো দীপান্বিতা, ভালোবাসি’ বইটিতে আমাদের সমাজের বহু বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজের অধিকাংশ সম্পর্কে ‘ভালোবাসা’ শব্দটি কখনো বিদ্যমান থাকে, আবার কখনো হয়ে ওঠে চিরকাল ধরাছোঁয়ার বাইরের বা অস্পর্শনীয় কিছু। বইটিতে দেখানো হয়েছে, বাবা হারানো একটি মেয়ে তার মায়ের দ্বিতীয় সংসারে কীভাবে অন্যায় ও অত্যাচারের মুখে বেড়ে ওঠে। বন্ধুর প্রতি একজন বন্ধুর দায়িত্ববোধ কতটা প্রবল হতে পারে, তা এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জীবনের চরম বিপদে বন্ধুরাই যে সবার আগে এগিয়ে আসে, গল্পটি তারই প্রমাণ।

 

লেখিকা- বৃষ্টি ইসলাম

গল্পের মূল চরিত্র হিসেবে একজন বেকার যুবকের জীবনকাহিনি এবং ‘দীপান্বিতা’ ডাকনামের এক কিশোরী মেয়ের জীবনের টানাপোড়েন দেখানো হয়েছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের অভাব কিংবা জীবনে ভুল মানুষের আগমন কীভাবে একটি সাজানো জীবনকে নরক বানিয়ে দিতে পারে, তা এই বইটির অন্যতম বড় শিক্ষা।
গল্পের শেষে প্রতিটি সম্পর্কের এক একটি পরিণতি দেখানো হয়েছে—যা কখনো অত্যন্ত সুন্দর, আবার কখনো ভীষণ বেদনাদায়ক।

বইয়ের দাম: ৩৮০
পৃষ্ঠাঃ ১৪৪
প্রচ্ছদ শিল্পীর নাম: আভা তাসনোভা ইরা

আগের প্রকাশীত বই: সন্ধ্যার ভায়োলিন
প্রকাশকাল: ২০২৫

•  চরিত্র বিশ্লেষণ:
​কাব্য: উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র। সে একজন বেকার যুবক, যার মনে রুপার প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক ও আর্থিক দৈন্যতার কারণে তা প্রকাশ করতে দ্বিধাগ্রস্ত।
​রুপা: উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র। সদ্য কলেজে পা রাখা এক কিশোরী, যার ডাকনাম ‘দীপান্বিতা’। তার জীবন আর দশটা সাধারণ মেয়ের মতো সহজ নয়।
​তন্ময়: উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সে একদিকে রুপার সৎ ভাই এবং অন্যদিকে কাব্যের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
বেলা: রুপার বড়ো বোন। এই চরিত্রটি অধিকার গুরুত্বপূর্ণ।

​কাহিনী সংক্ষেপ:
​উপন্যাসের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রুপার জীবন-সংগ্রাম। শৈশবে বাবাকে হারানোর পর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের সুবাদে রুপা তার সৎ বাবার সংসারে বেড়ে ওঠে। কিন্তু সেখানে তার জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ; সৎ বাবা তাকে সহ্য করতে পারেন না এবং প্রতিনিয়ত তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে আঘাত করতে থাকেন।
​অন্যদিকে, কাব্য রুপাকে মনে মনে ভালোবাসলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না। কারণ, সে জানে বর্তমান সমাজে একজন ‘বেকার প্রেমিকের’ কোনো মূল্য নেই। তবে রুপার কিশোরী মনেও কাব্যকে ঘিরে ভালোবাসার অনুভূতিরা ডানা মেলতে শুরু করে।

•  পাঠকের উদ্দেশ্য কিছু কথা:

আরও পড়ুনঃ  জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে

উওর:
অভাব, বেকারত্ব এবং পরিবারের নিষ্ঠুর আচরণের মতো সামাজিক প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে কাব্য ও রুপার এই পবিত্র অনুভূতি কীভাবে পূর্ণতা পায়, তা-ই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। আমাদের সমাজে এমন অনেক বাস্তব চরিত্র আছে তাদের জন্য এই বইটি পড়া উচিত। কীভাবে, কোন সমস্যার সমাধান করতে হয় এবং তার শেষ পরিণতি কী হতে পারে?

‘শুনছো দিপান্বীতা ভালোবাসি’ এই ব‌ইয়ের নামটা আমার খুব প্রিয়।
২/৩ বছর আগে সবচেয়ে প্রিয় গানের কথা উঠলেই বলতাম “দ্বীপান্বিতা”।
তখন ভালোই ছোট ছিলাম।
গানটা ভালো লাগত।
যখন দেখলাম ব‌ই বের হচ্ছে “শুনছো দিপান্বীতা ভালোবাসি” নামে,তখন থেকেই ব‌ইটা সংগ্রহে আনার তীব্র ইচ্ছা ছিলো। ব‌ইটা
লিখেছেন লেখিকা “বৃষ্টি ইসলাম”।

যারা চান বাস্তবধর্মী ভালোবাসার উপন্যাস পড়তে তাদের কাছে ব‌ইটা অনেক ভালো লাগবে।
সমাজের বিভিন্ন প্রতি’কূল’তা কাটিয়ে একটি ভালোবাসার পূর্ণতার কাহিনী।
যেই উপন্যাসে লেখা হয়েছে এক বেকার প্রেমিক আর এক কিশোরীর ভালোবাসার কথা।
এই ব‌ইতে আছে আবার মন ভাঙনের কাহিনীও। একতরফা ভালোবাসার কাহিনী।

চরিত্র বিশ্লেষণ:
উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র কাব্য এবং প্রধান নারী চরিত্র রুপা।
কাব্য একজন বেকার আর রুপা যে কিনা মাত্র কলেজে উঠেছে।
এই উপন্যাসের একটি চরিত্র তন্ময়।
রুপার সৎ ভাই এবং কাব্যের বন্ধু।

কাহিনী বিশ্লেষণ:
উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র রুপার জীবন আর দশটা মেয়ের মত না।
সে তার বাবাকে হারিয়েছে ছোট বেলায়। পরে তার মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হ‌ওয়ার পর রুপা সেখানেই থাকে।
তবে তার সৎ বাবা তাকে মোটেই সহ্য করতে পারে না।
রুপাকে সে সবসময় মানুষিক ভাবে এবং শারীরিক ভাবে আ’ঘা’ত করতে থাকে।
কাব্য রুপা কে ভালোবাসে কিন্তু বলে না। কারণ সমাজে যে বেকার প্রেমিকের মূল্য নেই‌।
রুপার কিশোরী মনেও উড়তে থাকে কাব্য নামের অনুভূতিরা।
কিন্তু তারা সামাজিক প্রতি’কূল’তা পাড়ি দিয়ে কিভাবে তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা দেয়?

আরও পড়ুনঃ  ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন

রুপা নিজের জীবনের ঝা’মে’লা ঝ’ঞ্ঝা’ট পাড় করে কিভাবে কাব্য কে নিজের একান্ত ব্যাক্তিগত পুরুষ হিসেবে পায়? জানতে হলে পড়তে হবে “শুনছো দিপান্বীতা ভালোবাসি” ব‌ইটি।

এবার আসি আমার ভালো লাগার দিক গুলোর কথা বলতে।
আমাকে মুগ্ধ করেছে কাব্য আর তন্ময়ের বন্ধুত্ব।

পড়ার সময় আমার মনে হয়েছে,আমি বোধ হয় আমার বাস্তব জীবনের আশে পাশের চিত্র গুলোই লিখিত ভাবে এই উপন্যাসে দেখছি। এরকম সামাজিক প্রতি’কূ’লতা প্রত্যকেটা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান রা দেখে।
এখানে রুপার দিক টা আরো ক’ঠি’ন ছিলো যেহেতু সে তার সৎ বাবার সাথে ছিলো।


 

রিভিউ: Rukaiya Tasnim