Dhaka ০২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন আত্রাই রেললাইনের পাশে পড়ে ছিল কলেজ অধ্যক্ষের মরদেহ!! হোয়াইক্যং আলহাজ্ব আলী আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন জুনায়েদ আলী চৌধুরী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান ‘লা পুলগা’ থেকে ‘দ্য গোট’ রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো সংসদে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা’ বললেন এমপি আমির হামজা সকল অপকর্মের সমাপ্তি চাই গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘গেম চেঞ্জার’ বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ভারতীয় নেতৃত্বের অমানবিক ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারনে বাংলাদেশে পলিটিক্যাল অপোজিশন ক্লিঞ্জিং ও গনহত্যার শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুুষ

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ২১০ Time View

 

৫ আগস্ট ২০২৪-এর ঘটনার পর থেকে বাসতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক নীতি নিয়ে উথ্থান—আবর্তিত সতর্কতা ও মানবিক দায়বদ্ধতার অনুরোধ।

 

১. বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বিপর্যয়ের জন্য ভারতের ক্ষমতাশীন বিজেপি নেতত্বের অদূরদর্শী ও অমানবিক সিদ্ধান্ত অনেকাংশে দায়ী। আজকে এটা পরিস্কার হয়েছে যে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের পেছনে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রে মেটিকুলাস ডিজাইন কাজ করেছিলো, এটা সরকার উৎখাতের লক্ষে কোনো গন অভ্যুত্থান বা গন আন্দোলন ছিলো না। ছাত্রদের একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমেছিলো কোটাবিরোধী আন্দোলনের অংশগ্রহণ করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বুঝতে পারলেন তৃতীয় পক্ষ অস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদের বুকে গুলি করছে, পুলিশকে হত্যা করছে, শান্তিপূর্ন আন্দোলনকে রক্তাক্ত করছে, তখন তার দায় এড়ানোর জন্য তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। এটা তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে অনাগতকালে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক সংকট নিরসনে প্রতিবেশী বন্ধু ও বৃহৎ গনতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত সকল পক্ষের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারতো, তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়তো না। ভারতের আমলা পররাষ্ট্র মন্ত্রী জয়শংকর সে ধরনের উদ্যোগ নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।

 

 

২. ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে ভারত বিরোধীতায় ফুঁসে উঠার জন্য ক্ষমতাশীন বিজেপির কিছু মুসলিম বিরোধী পলিসিও দায়ী ছিলো, যেসকল পলিসির বিপক্ষে ক্ষোদ ভারতেই লোকসভার ভেতরে বাহিরে রাজপথে আন্দোলন চলছে। এর মধ্যে মুসলমানদের জমিদারি/ওয়াকফ/ দানের সম্পদ রাষ্টায়াত্ত্ব করার বৈষম্যপূর্ন আইন পাশ, আসামে ডিনেশনালিটি আইন করে বাঙ্গালিদের বিতাড়ন ও গাজায় গনহত্যা চলাকালে ইসরাইলের পক্ষে অবস্থানগ্রহন উল্লেখ করার মতো। বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভারতের বন্ধু হিসেবে পরিচিত হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে ভারতবিরোধী জনরোষের এই ভার আওয়ামী লীগ বহন করতে পারেনি।

 

 

৩. ভারত সরকারের সবচেয়ে অমানবিক ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত ছিলো ৫ আগষ্ট ২০২৪ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া ও আরো কঠোর করা। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী গনহত্যার শিকার হয়েছেন, শব্দে বা নি:শব্দে হাজার হাজার নারী ধর্ষনের শিকার হয়েছেন, আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী কারাগারে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। এক কথায় বাংলাদেশে এখন রাজনৈতিক অপোজিশন ক্লিঞ্জিং ও গনহত্যা চলছে। গত ১৫ মাসে রাজনৈতিক হত্যার শিকার কিংবা নিখোঁজ রয়েছেন ১০ হাজারের বেশী মানুষ। প্রতিদিন নদীতে খালে বিলে রাস্তা কিংবা ডোবায় বহু অজ্ঞাত পরিচয় লাশ পাওয়া যাচ্ছে। সারাদেশ আজ বধ্যভূমিতে পরিনত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কৃষি জমিতে অবৈধ পুকুর খননে বিক্ষোভে উত্তাল মনিরামপুর, তদন্তে সহকারী কমিশনার ভূমি

 

 

৪. সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার গনহত্যার শিকার পলায়নপর লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত খুলে দিয়ে যে বিরল মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তার অনুসরন করতে পারতো ভারত।তোমাদের কাছ থেকে বিপদে বন্ধুর পরিচয় পেলাো না গনহত্যার মুখে পড়া আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী। এমনকি ১৯৭১ সালের উদাহরনও তোমাদের সামনে ছিলো, তখনকার বাংলার নেতা ব্যারিস্টার সিদ্ধার্থ শংকর রায় ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্ধিরা গান্ধীকে অনুরোধ করে ভারতের সীমান্ত খুলে দেন, ফলে এক কোটিরও বেশি মানুষের প্রান রক্ষা পেয়েছিলো। তোমাদের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবেও অদূরদর্শী। এবার যদি ৫০ লক্ষ লোক সীমান্ত অতিক্রম করতে পারতো, তাহলে ১০ লক্ষ লোকের আর্মি তৈরি হয়ে এতদিন যুদ্ধ করে এসব পাকি বীজ বর্গীদের এদেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে দেশটাকে নব্য পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত করা সম্ভব হতো। এখন শুরু করলেও হবে তবে একটু দেরী হয়ে গেলো, এই আর কি।

 

 

৫. তারপর আবার জানলাম, দেরীতে হলেও সীমান্ত অতিক্রম নিয়ে তোমরা ভারত সরকার আরেকটা সিদ্ধান্ত ঘোষনা করেছো, সেটা কি এরকম?- “মারাত্মক জীবন সংকট তৈরী হলে যে কোনো মাইনরিটি কমিউনিটির লোক সীমান্তে পৌছায়ে রিপোর্ট করতে পারলে কোনরূপ পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই তারা ভারতে প্রবেশের অনুমতি পাবে”। এটা যদি সত্য হয়, তাহলে এটাও একটি বৈষম্যপূর্ন সিদ্ধান্ত। ধরুন, এখানে গৃহযুদ্ধ শুরু হলো, প্রান বাঁচাতে আওয়ামী লীগের একজন সমর্থক বা কর্মী হিসেবে আমি আ ক ম জামাল উদ্দীন ও আমার সহকর্মী সিদ্ধার্থ রায় একসাথে ভারত সীমান্তে পৌছলাম, তোমাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে সিদ্ধার্থ সেখানে ইন করতে পারবে, আর মুসলিম হওয়ার অপরাধে আমাকে সেখানে ইন করতে না দিয়ে শত্রুর গুলির মুখে ঠেলে দিবে? এসব অমানবিক নীতি থেকে আশা করি তোমরা খুব দ্রুত বের হয়ে আসতে পারবে। এমনি প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের বর্বরতা ও পলিটিক্যাল অপোজিশন ক্লিঞ্জিং তথা গনহত্যার হাত থেকে নিরাপরাধ লক্ষ লক্ষ বিরোধী নেতাকর্মীদের বাঁচাতে জাতিসংঘসহ বৃহৎ শক্তিধর দেশসমূহের সরকার প্রধানদের নিকট আকুল আহবান জানাই।

আরও পড়ুনঃ  প্রবাসীদের লাগেজ চুরি ও মালামাল ক্ষতিরোধে বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরা চালুর দাবি দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ

“জয় বাংলা ‘জয় বঙ্গবন্ধু”

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন

ভারতীয় নেতৃত্বের অমানবিক ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারনে বাংলাদেশে পলিটিক্যাল অপোজিশন ক্লিঞ্জিং ও গনহত্যার শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুুষ

সময়: ১১:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

 

৫ আগস্ট ২০২৪-এর ঘটনার পর থেকে বাসতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক নীতি নিয়ে উথ্থান—আবর্তিত সতর্কতা ও মানবিক দায়বদ্ধতার অনুরোধ।

 

১. বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বিপর্যয়ের জন্য ভারতের ক্ষমতাশীন বিজেপি নেতত্বের অদূরদর্শী ও অমানবিক সিদ্ধান্ত অনেকাংশে দায়ী। আজকে এটা পরিস্কার হয়েছে যে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের পেছনে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রে মেটিকুলাস ডিজাইন কাজ করেছিলো, এটা সরকার উৎখাতের লক্ষে কোনো গন অভ্যুত্থান বা গন আন্দোলন ছিলো না। ছাত্রদের একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমেছিলো কোটাবিরোধী আন্দোলনের অংশগ্রহণ করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বুঝতে পারলেন তৃতীয় পক্ষ অস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদের বুকে গুলি করছে, পুলিশকে হত্যা করছে, শান্তিপূর্ন আন্দোলনকে রক্তাক্ত করছে, তখন তার দায় এড়ানোর জন্য তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। এটা তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে অনাগতকালে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক সংকট নিরসনে প্রতিবেশী বন্ধু ও বৃহৎ গনতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত সকল পক্ষের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারতো, তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়তো না। ভারতের আমলা পররাষ্ট্র মন্ত্রী জয়শংকর সে ধরনের উদ্যোগ নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।

 

 

২. ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে ভারত বিরোধীতায় ফুঁসে উঠার জন্য ক্ষমতাশীন বিজেপির কিছু মুসলিম বিরোধী পলিসিও দায়ী ছিলো, যেসকল পলিসির বিপক্ষে ক্ষোদ ভারতেই লোকসভার ভেতরে বাহিরে রাজপথে আন্দোলন চলছে। এর মধ্যে মুসলমানদের জমিদারি/ওয়াকফ/ দানের সম্পদ রাষ্টায়াত্ত্ব করার বৈষম্যপূর্ন আইন পাশ, আসামে ডিনেশনালিটি আইন করে বাঙ্গালিদের বিতাড়ন ও গাজায় গনহত্যা চলাকালে ইসরাইলের পক্ষে অবস্থানগ্রহন উল্লেখ করার মতো। বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভারতের বন্ধু হিসেবে পরিচিত হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে ভারতবিরোধী জনরোষের এই ভার আওয়ামী লীগ বহন করতে পারেনি।

 

 

৩. ভারত সরকারের সবচেয়ে অমানবিক ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত ছিলো ৫ আগষ্ট ২০২৪ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া ও আরো কঠোর করা। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী গনহত্যার শিকার হয়েছেন, শব্দে বা নি:শব্দে হাজার হাজার নারী ধর্ষনের শিকার হয়েছেন, আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী কারাগারে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। এক কথায় বাংলাদেশে এখন রাজনৈতিক অপোজিশন ক্লিঞ্জিং ও গনহত্যা চলছে। গত ১৫ মাসে রাজনৈতিক হত্যার শিকার কিংবা নিখোঁজ রয়েছেন ১০ হাজারের বেশী মানুষ। প্রতিদিন নদীতে খালে বিলে রাস্তা কিংবা ডোবায় বহু অজ্ঞাত পরিচয় লাশ পাওয়া যাচ্ছে। সারাদেশ আজ বধ্যভূমিতে পরিনত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ​হামে শিশুমৃত্যুর নৈতিক দায়: ইউনূস সরকারের বিচার দাবি শেখ হাসিনার

 

 

৪. সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার গনহত্যার শিকার পলায়নপর লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত খুলে দিয়ে যে বিরল মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তার অনুসরন করতে পারতো ভারত।তোমাদের কাছ থেকে বিপদে বন্ধুর পরিচয় পেলাো না গনহত্যার মুখে পড়া আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী। এমনকি ১৯৭১ সালের উদাহরনও তোমাদের সামনে ছিলো, তখনকার বাংলার নেতা ব্যারিস্টার সিদ্ধার্থ শংকর রায় ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্ধিরা গান্ধীকে অনুরোধ করে ভারতের সীমান্ত খুলে দেন, ফলে এক কোটিরও বেশি মানুষের প্রান রক্ষা পেয়েছিলো। তোমাদের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবেও অদূরদর্শী। এবার যদি ৫০ লক্ষ লোক সীমান্ত অতিক্রম করতে পারতো, তাহলে ১০ লক্ষ লোকের আর্মি তৈরি হয়ে এতদিন যুদ্ধ করে এসব পাকি বীজ বর্গীদের এদেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে দেশটাকে নব্য পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত করা সম্ভব হতো। এখন শুরু করলেও হবে তবে একটু দেরী হয়ে গেলো, এই আর কি।

 

 

৫. তারপর আবার জানলাম, দেরীতে হলেও সীমান্ত অতিক্রম নিয়ে তোমরা ভারত সরকার আরেকটা সিদ্ধান্ত ঘোষনা করেছো, সেটা কি এরকম?- “মারাত্মক জীবন সংকট তৈরী হলে যে কোনো মাইনরিটি কমিউনিটির লোক সীমান্তে পৌছায়ে রিপোর্ট করতে পারলে কোনরূপ পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই তারা ভারতে প্রবেশের অনুমতি পাবে”। এটা যদি সত্য হয়, তাহলে এটাও একটি বৈষম্যপূর্ন সিদ্ধান্ত। ধরুন, এখানে গৃহযুদ্ধ শুরু হলো, প্রান বাঁচাতে আওয়ামী লীগের একজন সমর্থক বা কর্মী হিসেবে আমি আ ক ম জামাল উদ্দীন ও আমার সহকর্মী সিদ্ধার্থ রায় একসাথে ভারত সীমান্তে পৌছলাম, তোমাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে সিদ্ধার্থ সেখানে ইন করতে পারবে, আর মুসলিম হওয়ার অপরাধে আমাকে সেখানে ইন করতে না দিয়ে শত্রুর গুলির মুখে ঠেলে দিবে? এসব অমানবিক নীতি থেকে আশা করি তোমরা খুব দ্রুত বের হয়ে আসতে পারবে। এমনি প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের বর্বরতা ও পলিটিক্যাল অপোজিশন ক্লিঞ্জিং তথা গনহত্যার হাত থেকে নিরাপরাধ লক্ষ লক্ষ বিরোধী নেতাকর্মীদের বাঁচাতে জাতিসংঘসহ বৃহৎ শক্তিধর দেশসমূহের সরকার প্রধানদের নিকট আকুল আহবান জানাই।

আরও পড়ুনঃ  প্রবাসীদের লাগেজ চুরি ও মালামাল ক্ষতিরোধে বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরা চালুর দাবি দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ

“জয় বাংলা ‘জয় বঙ্গবন্ধু”