Dhaka ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
হরিনাকুন্ডুতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা মাদক নির্মূলে ‘অপারেশন চলবে’ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ ডুমুরিয়া উপজেলা এস ডিজি পরিকল্পনা কর্মশালা সিরাজদিখানে ইলিয়াছ মোল্লা হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ দুই আসামি গ্রেপ্তার চাকরিতে পুনর্বহাল সহ ১০ দফা দাবীতে চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের মানববন্ধন, স্মারকলিপি নড়াইলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পালিত হলো রেড রোডে- বিশ্ব যোগা দিবস নবীগঞ্জের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারী তালিকা থেকে বাদ পড়লেন! ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ৷ বসুন্দিয়ায় শিল্প বর্জ্যের বিষে জনজীবন অতিষ্ঠ; সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের ভয়ভীতি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দুর্ভোগ বাড়ছে তাহিরপুরে কালীগঞ্জের আড়াই বছরের শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা অভিযুক্ত কিশোরীর থানায় আত্মসমর্পণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে চমক: ৫০ হাজার শিক্ষক পাচ্ছেন ট্যাব, ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম

  • Reporter Name
  • সময়: ০৫:২০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ১২১ Time View

শিক্ষা খাতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পরিকল্পনা মূলত বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। মার্চ থেকে আগামী আগস্ট পর্যন্ত সময়কে সামনে রেখে মোট ৩৬টি কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা।

পরিকল্পনায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দেশের সব স্তরের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষককে অত্যাধুনিক ট্যাব দেওয়া হবে। এছাড়া ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা এবং ১ হাজার ৫০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ফ্রি স্কুল ড্রেস’ দেওয়ার বিষয়টিও এই পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে, যা অনেকের কাছে একটি চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা টিভি চালু, শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন এবং তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা ৩৬টি কাজের বেশিরভাগই স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ হলেও এর মধ্যে কিছু টেকসই প্রকল্পও রয়েছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তারা মনে করছেন, এই ১৮০ দিনের পরিকল্পনার অন্তত অর্ধেক বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে শিক্ষা খাতে নতুন গতি আসবে। এতে যেমন শিক্ষকরা উৎসাহিত হবেন, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বাড়বে আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনার অন্তত ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা সম্ভব হবে। তবে এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ধীরগতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উল্লেখ্য, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ক্ষমতায় এলে প্রতিটি শিক্ষককে ট্যাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ১৮০ দিনের এই কর্মপরিকল্পনায় সেই প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব দিয়েই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোদাগাড়ীতে অভিনব কায়দায় রাখা ১৮৮ গ্রাম হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

হরিনাকুন্ডুতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা মাদক নির্মূলে ‘অপারেশন চলবে’ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে চমক: ৫০ হাজার শিক্ষক পাচ্ছেন ট্যাব, ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম

সময়: ০৫:২০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

শিক্ষা খাতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পরিকল্পনা মূলত বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। মার্চ থেকে আগামী আগস্ট পর্যন্ত সময়কে সামনে রেখে মোট ৩৬টি কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা।

পরিকল্পনায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দেশের সব স্তরের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষককে অত্যাধুনিক ট্যাব দেওয়া হবে। এছাড়া ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা এবং ১ হাজার ৫০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ফ্রি স্কুল ড্রেস’ দেওয়ার বিষয়টিও এই পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে, যা অনেকের কাছে একটি চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা টিভি চালু, শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন এবং তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা ৩৬টি কাজের বেশিরভাগই স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ হলেও এর মধ্যে কিছু টেকসই প্রকল্পও রয়েছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তারা মনে করছেন, এই ১৮০ দিনের পরিকল্পনার অন্তত অর্ধেক বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে শিক্ষা খাতে নতুন গতি আসবে। এতে যেমন শিক্ষকরা উৎসাহিত হবেন, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বাড়বে আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনার অন্তত ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা সম্ভব হবে। তবে এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ধীরগতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উল্লেখ্য, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ক্ষমতায় এলে প্রতিটি শিক্ষককে ট্যাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ১৮০ দিনের এই কর্মপরিকল্পনায় সেই প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব দিয়েই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালাল দরগা শরিফ এবং বর্তমান সমস‍্যা