Dhaka ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
আত্মহত্যার চেষ্টার পর মারা গেলেন বগুড়ার এএসআই রবিউল ইসলাম জাল প্রাপ্যতা শিট কাণ্ডে কাস্টমস প্রোগ্রামার আতিকুরের বেতন কমলো দুই ধাপ ডিমলার নাউতারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা মাদক কারবারিদের আতঙ্কে মাদকবিরোধী আন্দোলনের কর্মীরা আদিতমারীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু গণধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসেও সেবা সহজীকরণে নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ — সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি দত্ত রণি গৌরীপুরে অপকর্মের অভিযোগে আলোচনায় মতিউর রহমান আপোষ-মীমাংসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ডিএসবি সদস্য ক্লোজড মরহুম আজাদ ফারুক আহমেদের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত তেতুলিয়ায় শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

আদালত থেকে খালাস পেলেও স্থায়ী বরখাস্তের হাত থেকে রেহাই পাননি শিক্ষক মিলন

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:২২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ৩ Time View

মোঃ শফিয়ার রহমান, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :

আদালতে দায়ের হওয়া মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেলেও তথ্য গোপন করে একটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে রোববার দুপুরে খুলনার পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার কে.আর.আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বরখাস্ত হওয়া সহকারী শিক্ষক মিলন কুমার রায়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় তাকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই একই বছরের ৮ নভেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

এই বরখাস্তাদেশের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে ২৮৫/২৪ নম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ নির্ধারিত রয়েছে।

এদিকে, ওই ছাত্রীর অভিভাবকের মাধ্যমে ২০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ১৩৫/২৪ নম্বর একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে প্রধান সাক্ষী ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজেই। পরে ওই মামলায় ২০২৫ সালের ২১ মে আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন বলে দাবি করেন শিক্ষক মিলন।

তিনি অভিযোগ করেন, আদালতে বিচারাধীন বিষয়টি গোপন রেখে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে যশোর শিক্ষা বোর্ডে অনলাইনে আবেদন করেন প্রধান শিক্ষক। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ড ওয়েবসাইটে একটি নোটিশ প্রকাশ করে। তবে বিষয়টি তিনি অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে। পরে ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য বিদ্যালয় পরিদর্শক ও বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  হ্নীলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর যেন তহশীলদার!

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বলেন, “বোর্ড তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করেছে। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। তবে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন বলে শুনেছি, যদিও কোনো কাগজ দেখিনি।”

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

আত্মহত্যার চেষ্টার পর মারা গেলেন বগুড়ার এএসআই রবিউল ইসলাম

আদালত থেকে খালাস পেলেও স্থায়ী বরখাস্তের হাত থেকে রেহাই পাননি শিক্ষক মিলন

সময়: ১১:২২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

মোঃ শফিয়ার রহমান, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :

আদালতে দায়ের হওয়া মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেলেও তথ্য গোপন করে একটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে রোববার দুপুরে খুলনার পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার কে.আর.আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বরখাস্ত হওয়া সহকারী শিক্ষক মিলন কুমার রায়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় তাকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই একই বছরের ৮ নভেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

এই বরখাস্তাদেশের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে ২৮৫/২৪ নম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ নির্ধারিত রয়েছে।

এদিকে, ওই ছাত্রীর অভিভাবকের মাধ্যমে ২০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ১৩৫/২৪ নম্বর একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে প্রধান সাক্ষী ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজেই। পরে ওই মামলায় ২০২৫ সালের ২১ মে আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন বলে দাবি করেন শিক্ষক মিলন।

তিনি অভিযোগ করেন, আদালতে বিচারাধীন বিষয়টি গোপন রেখে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে যশোর শিক্ষা বোর্ডে অনলাইনে আবেদন করেন প্রধান শিক্ষক। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ড ওয়েবসাইটে একটি নোটিশ প্রকাশ করে। তবে বিষয়টি তিনি অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে। পরে ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য বিদ্যালয় পরিদর্শক ও বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  হ্নীলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর যেন তহশীলদার!

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বলেন, “বোর্ড তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করেছে। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। তবে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন বলে শুনেছি, যদিও কোনো কাগজ দেখিনি।”