
স্টাফ রিপোর্টার, বাংলাদেশ:
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলাধীন রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের আমতলা মোঃ সামছুদ্দিন এর ছেলে মোঃ নূরুল আমীন ওরফে নূরের গুম মামলার প্রায় ১৫ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন ও রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি প্রসাশন। সূত্রে জানা যায় গত ১৭/৩/২৫ ইং তারিখ রোজ সোমবার রাতে প্রায় ১২ দিকে নুরুল আমিন ওরফে নূর কে ঘর থেকে ঢেকে বের করে নেয়।একই গ্রামের মৃত সিদ্দিক মিয়া ছেলে মোঃ রবিকুল ইসলাম এর পর রাতে আর ঘরে ফিরেনি নূর সকাল থেকে বাড়ি লোকজন খুজতে বের হলে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি । পরে নূরের স্ত্রী মোছাঃ ডেইজি আক্তার বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত এজাহার দ্বায়েল করে প্রতিপক্ষ রবিকুল ইসলাম সহ ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪/৫ জন কে আসামি করে। যাহার কেন্দুয়া থানার মামলা নং ২৩/ ধারা ৩৬৪/৩৪।
মামলা সূত্রে জানা যায় পূর্বের শত্রুতার জের ধরে এই ঘটনাটি ঘটেছে।এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দীর্ঘদিন ধরে নূর কে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিয়ে অনেক পত্র পত্রিকার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি। তাছাড়া প্রশাসন এখন ও কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। মামলার বাদী পরিবার বর্গ লোকজন এর সাথে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা মামলা করেছি মামলার আসামি গণ কোট থেকে হাজির হয়ে, জামিন এসে পাড়ার মহড়া দিচ্ছে। বরং বাদী পরিবার বর্গ লোকজন কে দেখে টিটকারি সহ বিভিন্ন ধরনের কথা বার্তা সহ হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে এবং সরকারের প্রশাসনের কাছে দাবি, নূর কে জীবিত ও মৃত উদ্ধার চায়।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর দূত পদক্ষেপ কামনা করছে। ভোক্তভোগী মামলার বাদী সহ তার পরিবারবর্গ। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।ছবি সংযুক্ত নূরের
Reporter Name 
























