Dhaka ১০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ডিসেম্বরের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৮০ শতাংশ কমবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিদ্যুৎ সাশ্রয় কি শুধু সাধারণ মানুষের জন্য, নাকি মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের জন্যও? মাদকে জিরো টলারেন্স, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না — এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু বগুড়ায় ধানক্ষেত থেকে রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার জননেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রস্থান: ‘জয় বাংলা’র স্রোতে ভীতিহীন এক জনসমুদ্র ছুটি ছাড়াই হজ কাফেলা নিয়ে সৌদি আরবে প্রধান শিক্ষক, উঠেছে নানা অভিযোগ নবীনগরে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা মাজহারুল ইসলাম খোকনের মৃত্যু, সর্বস্তরের শোক নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার সাংবাদিকতা ও আমাদের নৈতিক দায়বদ্ধতা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডিসেম্বরের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৮০ শতাংশ কমবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ৮ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিত্রে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং চলমান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরীর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত শক্তিশালী কমিটি ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা একযোগে কাজ করছে।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রামে এসে জলাবদ্ধতা, খাল খনন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় মেয়রের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়, যা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও চান চট্টগ্রামের মানুষ যেন জলাবদ্ধতার কষ্ট থেকে মুক্তি পায়। একেবারে শতভাগ সমাধানের নিশ্চয়তা না দিলেও আমরা দৃঢ়ভাবে কাজ করছি।

তিনি জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বিভিন্ন খাল ও নদীর সংযোগস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। খালের মুখগুলোতে ড্রেজিং ও পরিষ্কার কার্যক্রম যথাযথভাবে হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যাকে “অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল” উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান, জোয়ার ভাটার প্রভাব এবং অতিবৃষ্টির কারণে বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। এজন্য বিভিন্ন স্থানে আধুনিক স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে পানির চাপ অনুযায়ী গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলবে ও বন্ধ হবে। এছাড়া খালের পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং ময়লা আবর্জনা রোধে নেটিং ব্যবস্থাও চালু করা হবে।

নগরবাসীকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে এবং সিটি কর্পোরেশন তা সংগ্রহ করবে। সাংবাদিকদেরও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  “সাদা কাপড়ে দাগ লাগলে বেশি দেখা যায়”— রংপুরে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সব সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে। চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরবাসী জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের স্বস্তি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টির রেকর্ড ৩৩০ মিলিমিটার পর্যন্ত রয়েছে। এত ভারী বৃষ্টিপাত হলে সাময়িক জলজট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক, তবে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। প্রয়োজনে নিচু এলাকাগুলোতে রাস্তা উঁচু করা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নও করা হবে বলে জানান তিনি।

সভায় জলাবদ্ধতা নিরসণে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, শুধু খাল খনন, ড্রেজিং বা রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না; নাগরিকদের সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

তিনি বলেন, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অনেক খালের আউটলেট সচল থাকলেও খাল-নালায় মানুষের ফেলা আবর্জনা পানি প্রবাহে বড় বাধা সৃষ্টি করছে। পরিচ্ছন্নতা অভিযানে খাল থেকে তোষক, চেয়ার, টেবিল, পলিথিন ও বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যবর্জ্য পর্যন্ত উদ্ধার হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অপসারণ কোনো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। তাই জনগণকে সচেতন করতেই হবে। তিনি আরও বলেন, নির্মাণাধীন ভবনের বালু ও বর্জ্য ড্রেনে ফেলে দেওয়াও জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ।

এ পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকে আরও ইতিবাচক ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার, সিটি কর্পোরেশন, বন্দর, সিডিএ কিংবা অন্যান্য সংস্থার একার পক্ষে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়; নগরবাসী, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকসহ সব অংশীজনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পাশাপাশি জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ পানি নিষ্কাশনের পথ বন্দর এলাকা হয়ে কর্ণফুলী নদী ও সাগরে গিয়ে মিশেছে। তাই বন্দর এলাকায় পানি চলাচলের পথ সচল রাখা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহ…

আরও পড়ুনঃ  জিলহজ্জ মাসের ফজিলত ও ইবাদত!
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

ডিসেম্বরের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৮০ শতাংশ কমবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

সময়: ০৬:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিত্রে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং চলমান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরীর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত শক্তিশালী কমিটি ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা একযোগে কাজ করছে।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রামে এসে জলাবদ্ধতা, খাল খনন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় মেয়রের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়, যা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও চান চট্টগ্রামের মানুষ যেন জলাবদ্ধতার কষ্ট থেকে মুক্তি পায়। একেবারে শতভাগ সমাধানের নিশ্চয়তা না দিলেও আমরা দৃঢ়ভাবে কাজ করছি।

তিনি জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বিভিন্ন খাল ও নদীর সংযোগস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। খালের মুখগুলোতে ড্রেজিং ও পরিষ্কার কার্যক্রম যথাযথভাবে হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যাকে “অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল” উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান, জোয়ার ভাটার প্রভাব এবং অতিবৃষ্টির কারণে বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। এজন্য বিভিন্ন স্থানে আধুনিক স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে পানির চাপ অনুযায়ী গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলবে ও বন্ধ হবে। এছাড়া খালের পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং ময়লা আবর্জনা রোধে নেটিং ব্যবস্থাও চালু করা হবে।

নগরবাসীকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে এবং সিটি কর্পোরেশন তা সংগ্রহ করবে। সাংবাদিকদেরও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বুড়িচংয়ে বোরো চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সব সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে। চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরবাসী জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের স্বস্তি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টির রেকর্ড ৩৩০ মিলিমিটার পর্যন্ত রয়েছে। এত ভারী বৃষ্টিপাত হলে সাময়িক জলজট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক, তবে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। প্রয়োজনে নিচু এলাকাগুলোতে রাস্তা উঁচু করা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নও করা হবে বলে জানান তিনি।

সভায় জলাবদ্ধতা নিরসণে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, শুধু খাল খনন, ড্রেজিং বা রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না; নাগরিকদের সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

তিনি বলেন, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অনেক খালের আউটলেট সচল থাকলেও খাল-নালায় মানুষের ফেলা আবর্জনা পানি প্রবাহে বড় বাধা সৃষ্টি করছে। পরিচ্ছন্নতা অভিযানে খাল থেকে তোষক, চেয়ার, টেবিল, পলিথিন ও বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যবর্জ্য পর্যন্ত উদ্ধার হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অপসারণ কোনো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। তাই জনগণকে সচেতন করতেই হবে। তিনি আরও বলেন, নির্মাণাধীন ভবনের বালু ও বর্জ্য ড্রেনে ফেলে দেওয়াও জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ।

এ পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকে আরও ইতিবাচক ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার, সিটি কর্পোরেশন, বন্দর, সিডিএ কিংবা অন্যান্য সংস্থার একার পক্ষে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়; নগরবাসী, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকসহ সব অংশীজনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পাশাপাশি জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ পানি নিষ্কাশনের পথ বন্দর এলাকা হয়ে কর্ণফুলী নদী ও সাগরে গিয়ে মিশেছে। তাই বন্দর এলাকায় পানি চলাচলের পথ সচল রাখা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহ…

আরও পড়ুনঃ  ওয়ার্ল্ড ভিশনের ফাইভ জিরো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিকনির্দেশনামূলক সভা অনুষ্ঠিত