Dhaka ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ধর্মপুর এডুকেশনাল এস্টেটের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তারাকান্দায় চাচা-ভাতিজার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি গ্রামবাসীর কালিয়াকৈরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে শুমারি বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ভূরুঙ্গামারীতে মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদারসহ গ্রেফতার ৩, উদ্ধার লুণ্ঠিত মালামাল ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের বাজারে ১৫৫ কেজির বিশাল কোরাল, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় পূবাইল থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আনন্দ নৌভ্রমণ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে মাদার নদীর ওপর সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন নিরাপত্তার প্রত্যয়ে জনতার পাশে পুলিশ: সুনামগঞ্জে মতবিনিময় সভায় ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমান
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

তারাকান্দায় চাচা-ভাতিজার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি গ্রামবাসীর

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:২৩:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৮ Time View

 

বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলাদেশ:

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ১০ নম্বর বিসকা ইউনিয়নের তিলাটিয়া গ্রামে চাচা-ভাতিজার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন গ্রামের মৃত আব্দুল সুবাহানের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম এবং তার এক ভাতিজা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে বা তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকের কয়েকজন সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করলে স্থানীয়রা অভিযোগের সত্যতা দাবি করেন। তাদের ভাষ্য, সরকার মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ার পরও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গ্রামবাসীর দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী তাদের মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই এলাকায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এর জের ধরে অভিযুক্তরা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, প্রায় ১০ বছর আগেও অভিযুক্তরা দিনমজুরি ও রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে তাদের আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে গ্রামবাসী মো. সাইদুল ইসলাম কাজল, ডা. মাসুদ তালুকদার, মো. আমিনুল, মো. বিপুল, মো. লাল মিয়া, সফিকুল ইসলাম, মো. পিয়াস সরকার, হারুন রশিদ, মো. আসাদ আলী, মো. সুরুজ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন, উসমান গণি, মজিবুল ইসলাম, আব্দুল ছামাদসহ আরও অনেকে প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এলাকায় যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ২

উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ধর্মপুর এডুকেশনাল এস্টেটের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ

তারাকান্দায় চাচা-ভাতিজার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি গ্রামবাসীর

সময়: ১২:২৩:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলাদেশ:

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ১০ নম্বর বিসকা ইউনিয়নের তিলাটিয়া গ্রামে চাচা-ভাতিজার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন গ্রামের মৃত আব্দুল সুবাহানের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম এবং তার এক ভাতিজা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে বা তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকের কয়েকজন সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করলে স্থানীয়রা অভিযোগের সত্যতা দাবি করেন। তাদের ভাষ্য, সরকার মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ার পরও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গ্রামবাসীর দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী তাদের মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই এলাকায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এর জের ধরে অভিযুক্তরা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, প্রায় ১০ বছর আগেও অভিযুক্তরা দিনমজুরি ও রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে তাদের আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে গ্রামবাসী মো. সাইদুল ইসলাম কাজল, ডা. মাসুদ তালুকদার, মো. আমিনুল, মো. বিপুল, মো. লাল মিয়া, সফিকুল ইসলাম, মো. পিয়াস সরকার, হারুন রশিদ, মো. আসাদ আলী, মো. সুরুজ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন, উসমান গণি, মজিবুল ইসলাম, আব্দুল ছামাদসহ আরও অনেকে প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এলাকায় যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ভূরুঙ্গামারীতে মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার

উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।