Dhaka ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, থানায় মামলা চরভদ্রাসনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন: তৃণমূল থেকেই গড়ে উঠবে আগামীর ক্রীড়াবিদ তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ, পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে ধান কাটার অভিযোগ নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর নির্বাচিত হওয়ায় অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার এমপিকে অভিনন্দন ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামে লিফলেট বিতরণ করলেন রিজভী পর্যটন মৌসুম শুরু, সেন্টমার্টিনের পথে পর্যটকবাহী জাহাজ ডিমলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন নরসিংদীর, শিবপুরে তেল কম দেওয়ায় পাঠান ফিলিং স্টেশনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা নিখোঁজের তিন দিন পর ধান খেত থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেল সাইমা আক্তার পান্না
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ, পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে ধান কাটার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ Time View

 

আহসান হাবিব তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জমির মালিকানা দাবি করে এক পক্ষের সংবাদ সম্মেলনের পরদিন পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে অপর পক্ষ। এ সময় রাতের আঁধারে জমির আমন ধান কেটে নেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অপপ্রচারের অভিযোগ তোলা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলার মাথাফাটা গ্রামের বাসিন্দা মো. আলী আকবর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় সিরাজুল ইসলাম, জাহেরুল, জিরারুল, খলিলুর, সফিকুল, সাহাদত ও আব্দুর রাজ্জাক লেদুসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আলী আকবর অভিযোগ করেন, মাথাফাটা মৌজার এসএ খতিয়ান নং-২৪০ ও এসএ দাগ নং-৬৬৩-এর অন্তর্ভুক্ত ৬৪ শতক জমির প্রকৃত মালিক তাঁরা। জমিটি কখনো বিক্রি করা হয়নি। অথচ একই গ্রামের রবিউল ইসলাম ও তাঁর শ্বশুর মরহুম আবুলগিরীর পরিবারের সদস্যরা জমিটি নিজেদের দাবি করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, তাঁর বাবা মৃত ওয়াহেদ আলী সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের আংশিক রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক সূত্রে তাঁরা জমির মালিকানা দাবি করে আসছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের পর জমিটির মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আলী আকবর আরও অভিযোগ করেন, গত ১ নভেম্বর দিবাগত রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধভাবে বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রবেশ করে তাঁদের রোপণ করা আমন ধান কেটে নিয়ে যান। এ ঘটনায় একই গ্রামের মো. রবিউল ইসলাম (৫০), তাঁর স্ত্রী মোছা. আছমা (৪০), মোছা. তহুরা (৬৫), মো. আদনান (২০), মো. আবু সাঈদ (২০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে সাতজনকে অভিযুক্ত করে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা বলেন, বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রতিপক্ষ রবিউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে একই ৬৪ শতক জমির মালিকানা দাবি করেন। সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ  সরিষাবাড়ীতে চুরি-ছিনতাই ও হামলার ঘটনায় উদ্বেগ, নিরাপত্তাহীনতায় মানুষ

তাঁদের দাবি, জমিটির মালিকানা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি আদালতেও বিচারাধীন। এর পরও প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা, ধান কেটে নেওয়া এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ পঞ্চগড়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এনজিআর-৩৪/২৬ (টি) নম্বর মামলা দায়ের করেছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। আলী আকবরের দাবি, গত ৮ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ১৭ নভেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী দাবি করা পরিবারের সদস্যরা আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে রবিউল ইসলামের শ্বশুর মরহুম আবুলগিরীর পরিবার কৌশলে জমিটি ভোগদখল করে আসছিল। সম্প্রতি ভূমি অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংগ্রহ করে তাঁরা মালিকানা দাবি করলে প্রতিপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এরপর থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

আলী আকবর বলেন, ‘আমরা জমিটি কখনো বিক্রি করিনি। আমাদের কাছে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন থাকার পরও প্রতিপক্ষ আমাদের ধান কেটে নিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধেই অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।’

এদিকে জমিটির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন প্রতিপক্ষ রবিউল ইসলাম ও মরহুম আবুলগিরীর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি অপর পক্ষ জমিটি দখলের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনও করেছেন তাঁরা।

রবিউল ইসলামের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, অপর পক্ষ জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিরোধ সৃষ্টি করছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। তাঁরাও জমি নিয়ে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।

একই জমির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির ফলে এলাকায় বিরোধ তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষই নিজেদের দাবির পক্ষে কাগজপত্র থাকার কথা জানিয়েছে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিবাদ সভায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সংহতি

তবে জমিটির প্রকৃত মালিকানা, ভোগদখলের আইনগত অবস্থান ও ধান কাটার অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে উভয় পক্ষ

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, থানায় মামলা

তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ, পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে ধান কাটার অভিযোগ

সময়: ১২:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

 

আহসান হাবিব তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জমির মালিকানা দাবি করে এক পক্ষের সংবাদ সম্মেলনের পরদিন পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে অপর পক্ষ। এ সময় রাতের আঁধারে জমির আমন ধান কেটে নেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অপপ্রচারের অভিযোগ তোলা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলার মাথাফাটা গ্রামের বাসিন্দা মো. আলী আকবর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় সিরাজুল ইসলাম, জাহেরুল, জিরারুল, খলিলুর, সফিকুল, সাহাদত ও আব্দুর রাজ্জাক লেদুসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আলী আকবর অভিযোগ করেন, মাথাফাটা মৌজার এসএ খতিয়ান নং-২৪০ ও এসএ দাগ নং-৬৬৩-এর অন্তর্ভুক্ত ৬৪ শতক জমির প্রকৃত মালিক তাঁরা। জমিটি কখনো বিক্রি করা হয়নি। অথচ একই গ্রামের রবিউল ইসলাম ও তাঁর শ্বশুর মরহুম আবুলগিরীর পরিবারের সদস্যরা জমিটি নিজেদের দাবি করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, তাঁর বাবা মৃত ওয়াহেদ আলী সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের আংশিক রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক সূত্রে তাঁরা জমির মালিকানা দাবি করে আসছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের পর জমিটির মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আলী আকবর আরও অভিযোগ করেন, গত ১ নভেম্বর দিবাগত রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধভাবে বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রবেশ করে তাঁদের রোপণ করা আমন ধান কেটে নিয়ে যান। এ ঘটনায় একই গ্রামের মো. রবিউল ইসলাম (৫০), তাঁর স্ত্রী মোছা. আছমা (৪০), মোছা. তহুরা (৬৫), মো. আদনান (২০), মো. আবু সাঈদ (২০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে সাতজনকে অভিযুক্ত করে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা বলেন, বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রতিপক্ষ রবিউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে একই ৬৪ শতক জমির মালিকানা দাবি করেন। সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ  উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা দূর করতে ডুমুরিয়ায় ইজিপিপি কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা

তাঁদের দাবি, জমিটির মালিকানা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি আদালতেও বিচারাধীন। এর পরও প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা, ধান কেটে নেওয়া এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ পঞ্চগড়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এনজিআর-৩৪/২৬ (টি) নম্বর মামলা দায়ের করেছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। আলী আকবরের দাবি, গত ৮ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ১৭ নভেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী দাবি করা পরিবারের সদস্যরা আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে রবিউল ইসলামের শ্বশুর মরহুম আবুলগিরীর পরিবার কৌশলে জমিটি ভোগদখল করে আসছিল। সম্প্রতি ভূমি অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংগ্রহ করে তাঁরা মালিকানা দাবি করলে প্রতিপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এরপর থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

আলী আকবর বলেন, ‘আমরা জমিটি কখনো বিক্রি করিনি। আমাদের কাছে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন থাকার পরও প্রতিপক্ষ আমাদের ধান কেটে নিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধেই অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।’

এদিকে জমিটির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন প্রতিপক্ষ রবিউল ইসলাম ও মরহুম আবুলগিরীর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি অপর পক্ষ জমিটি দখলের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনও করেছেন তাঁরা।

রবিউল ইসলামের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, অপর পক্ষ জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিরোধ সৃষ্টি করছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। তাঁরাও জমি নিয়ে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।

একই জমির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির ফলে এলাকায় বিরোধ তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষই নিজেদের দাবির পক্ষে কাগজপত্র থাকার কথা জানিয়েছে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটির মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

তবে জমিটির প্রকৃত মালিকানা, ভোগদখলের আইনগত অবস্থান ও ধান কাটার অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে উভয় পক্ষ