
মো:মিজানুর রহমান মিজান মৃধা),
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের দুই অধ্যক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে কলেজের মধ্যে পরীক্ষা শেষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা: হোসনে আরা বেগম শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়ে মানববন্ধন করেন। অপর দিকে কলেজের সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াবদার মোড় ব্রাক অফিসের তিনতলায় সংবাদ সম্মেলন করেন।মানববন্ধনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা: হোসনে আরা বেগমসহ শিক্ষক ও কর্মচারীরা বলেন, কলেজের বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ কলেজ থেকে বহিষ্কার হওয়ার পরও কলেজের কোয়ার্টারে অবৈধভাবে বসবাস করেন। তিনি মিথ্যাও ভিত্তিহীন একটি ডাকাতি মামলা আদালতে করেছেন শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তিনি দুইটি মামলা জজ কোর্ট ও হাইকোর্টে করেছিলেন। সে দুটি মামলা আমাদের পক্ষে রায় হয়েছে। ফরিদ আহমেদ এখনো জোর করে কলেজের কোয়ার্টারে থাকতে চায়।সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বলেন, তাকে অন্যায় ভাবে কলেজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার পরিবর্তে কলেজের বাংলা সহকারি অধ্যাপক ডা: হোসনে আরা বেগমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তখন কলেজের এডহক কমিটির আহবায়ক ছিলেন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি আরো বলেন, তাকে ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর সাময়িক বরখাস্ত করার পর তিনি জর্জকোটে ও হাইকোটে মামলা করেন।তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ১৬ জুন তার থাকার বাসায় কলেজের কর্মচারী ও শিক্ষকরা কোয়ার্টারের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেয়। তখন ওই কোয়াটারে আমার স্ত্রী ছেলে সন্তান ছিলেন। পুলিশের সহযোগিতায় তালা ভেঙ্গে আমার স্ত্রী ছেলে সন্তানকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় তিনি আদালতে একটি ডাকাতি মামলা করেছেন। কলেজের শিক্ষক কর্মচারীর ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞত আরো ১০-১২ জনের নামে।ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা: হোসনে আরা বেগমের মুঠোফোনে ফোন করলে রিসিভ করে বলেন, আমি প্রচন্ড ব্যস্ত আছি এখন কথা বলার সময় নেই। পরে কথা বলবো।
Reporter Name 




















