Dhaka ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান ‘লা পুলগা’ থেকে ‘দ্য গোট’ রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো সংসদে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা’ বললেন এমপি আমির হামজা সকল অপকর্মের সমাপ্তি চাই গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘গেম চেঞ্জার’ বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী সিলেট বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সংসদে এমরান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা জানালেন ফেসবুকে ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন: স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিতের প্রত্যাশা টাঙ্গাইলে যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সুনামগঞ্জে কাঁচা মরিচের আগুন–দাম, কেজি ৫০০ টাকা!

 

তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় অবিশ্বাস্য ঝাল ছড়াচ্ছে কাঁচা মরিচের দাম। নামমাত্র অজুহাতে অতিরিক্ত দাম বাড়ানোর কারণে রীতিমত নাকাল হচ্ছেন ক্রেতা সাধারণ। তারা বলছেন, অন্য সময়ের তুলনায় বর্তমানে অবিশ্বাস্য দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। তারা প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের বিপরীতে ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা দাবি করছেন, যা ক্রেতাদের মধ্যে ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সুনামগঞ্জের দিরাই-শাল্লা বাজার ও স্থানীয় শ্যামারচর বাজারসহ বিকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ প্রকারভেদে কেজিতে ৪০০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও আমদানি বন্ধ থাকায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক দোকানি কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন না। যারা বিক্রি করছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় কম পরিমাণে পাইকারি বাজার থেকে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করেছেন।

শ্যামারচর বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. প্রদীপ মিয়া বলেন, ‘আমরা সঠিক সময়ে মালামাল পাচ্ছি না। যার ফলে উপজেলার বাজারগুলোতে প্রকারভেদে ৩৮০ থেকে ৪০০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।’

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন বাজারের সবজি বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের পাল্লা ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। এরপর যাতায়াত খরচ তো রয়েছেই। প্রতিদিন এক থেকে দুই পাল্লা মরিচ আনলেও আজ ১ কেজি মরিচ এনেছি। দুই একদিনের মধ্যে দাম না কমলে মরিচ বিক্রি বন্ধ করে দেবেন বলেও তিনি জানান।

 

৪ দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম প্রায় তিনশো টাকা বেড়েছে বলে জানালেন স্থানীয় বাজারের অনেক পাইকারি বাজারের তরকারি বিক্রেতা। অনেকেই বলেন, ৪ দিন আগেও ১৬০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করেছি। গতকাল ৪০০-৫০০ টাকা বিক্রি করলেও আজ পাইকারি বাজারেই কেজিতে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি করে লাভ করা কষ্টকর হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ  ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারানোই বড় অর্জন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

এদিকে হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা গেছে। একজন শিক্ষক বলেন, “গত ৪/৫ দিন আগে ২৫০ টাকায় কিনেছি, আজ বলছে ৫০০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না।” এজন্য বাজারে সরকারের মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৬ দিন দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। শনিবার (৪ অক্টোবর) থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ মেডেল ও সম্মামনা প্রদান

সুনামগঞ্জে কাঁচা মরিচের আগুন–দাম, কেজি ৫০০ টাকা!

সময়: ০৭:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

 

তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় অবিশ্বাস্য ঝাল ছড়াচ্ছে কাঁচা মরিচের দাম। নামমাত্র অজুহাতে অতিরিক্ত দাম বাড়ানোর কারণে রীতিমত নাকাল হচ্ছেন ক্রেতা সাধারণ। তারা বলছেন, অন্য সময়ের তুলনায় বর্তমানে অবিশ্বাস্য দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। তারা প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের বিপরীতে ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা দাবি করছেন, যা ক্রেতাদের মধ্যে ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সুনামগঞ্জের দিরাই-শাল্লা বাজার ও স্থানীয় শ্যামারচর বাজারসহ বিকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ প্রকারভেদে কেজিতে ৪০০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও আমদানি বন্ধ থাকায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক দোকানি কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন না। যারা বিক্রি করছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় কম পরিমাণে পাইকারি বাজার থেকে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করেছেন।

শ্যামারচর বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. প্রদীপ মিয়া বলেন, ‘আমরা সঠিক সময়ে মালামাল পাচ্ছি না। যার ফলে উপজেলার বাজারগুলোতে প্রকারভেদে ৩৮০ থেকে ৪০০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।’

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন বাজারের সবজি বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের পাল্লা ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। এরপর যাতায়াত খরচ তো রয়েছেই। প্রতিদিন এক থেকে দুই পাল্লা মরিচ আনলেও আজ ১ কেজি মরিচ এনেছি। দুই একদিনের মধ্যে দাম না কমলে মরিচ বিক্রি বন্ধ করে দেবেন বলেও তিনি জানান।

 

৪ দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম প্রায় তিনশো টাকা বেড়েছে বলে জানালেন স্থানীয় বাজারের অনেক পাইকারি বাজারের তরকারি বিক্রেতা। অনেকেই বলেন, ৪ দিন আগেও ১৬০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করেছি। গতকাল ৪০০-৫০০ টাকা বিক্রি করলেও আজ পাইকারি বাজারেই কেজিতে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি করে লাভ করা কষ্টকর হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ  ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে গুমের চেষ্টা, থানার পুলিশ কর্তৃক নির্যাতনের শিকার

এদিকে হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা গেছে। একজন শিক্ষক বলেন, “গত ৪/৫ দিন আগে ২৫০ টাকায় কিনেছি, আজ বলছে ৫০০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না।” এজন্য বাজারে সরকারের মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৬ দিন দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। শনিবার (৪ অক্টোবর) থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।