
২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিভিন্ন নিত্যপণ্য ও আমদানি পণ্যের শুল্ক ও কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে, আবার কিছু পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটে শুল্ক ছাড় ও কর সমন্বয়ের মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব কাঠামো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
বাজেটে শুল্ক ও কর ছাড়ের ফলে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
- ইলেকট্রিক বাস ও চার্জিং স্টেশন
- মোবাইল ফোন ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ (২২ ধরনের কাঁচামালসহ)
- কম্পিউটার, প্রিন্টার ও মনিটর
- ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন
- কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার
- স্মার্ট কার্ড ও ব্যাংক কার্ড
- শিশু খাদ্য
- খেজুর ও কিছু কৃষিপণ্য
- সৌর বিদ্যুৎ সরঞ্জাম
- টায়ার ও টিউব
- মোবাইল উৎপাদন ও শিল্পের কাঁচামাল
এছাড়া রফতানিমুখী শিল্পের জন্য কাস্টম বন্ড সুবিধা বা ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।
যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
অন্যদিকে কিছু পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি ও ছাড় না থাকায় দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে—
- বাইসাইকেল
- রড (এমএস রডসহ কিছু নির্মাণ সামগ্রী)
- কাজুবাদাম
- সিগারেট
- কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল
- ডিটারজেন্ট
- কপার তার ও টিউব
- উচ্চমূল্যের হিমায়িত মাছ
- সুগন্ধি ও কিছু আমদানি নির্ভর পণ্য
- নিকোটিন পাউচ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য
সিগারেটের নতুন মূল্যস্তর
বাজেটে সিগারেটের চারটি স্তরে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে—
- নিম্ন স্তর: ১০ শলাকা ৬২ টাকা
- মধ্য স্তর: ৯২ টাকা
- উচ্চ স্তর: ১৬০ টাকা
- অতি উচ্চ স্তর: ২১০ টাকা
সারসংক্ষেপ
বাজেটের নতুন কাঠামোয় প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও উৎপাদনমুখী খাতে কর ছাড় দেওয়া হলেও কিছু আমদানি নির্ভর ও বিলাসপণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির কারণে দাম বাড়ার চাপ তৈরি হতে পারে। সরকার বলছে, এসব পদক্ষেপে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও রাজস্ব সংগ্রহে ভারসাম্য আনা হবে।
Reporter Name 























