Dhaka ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী বৃন্দের সাথে মতবিনিময় করলেন নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম চরভদ্রাসনে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার তিন যুবকের তিন মাসের কারাদণ্ড ময়মনসিংহ নান্দাইলের আবু তাহের এর দায়েল কৃত মামলা হাত থেকে রেহাই পেতে চায় দুলাল পরিবার বর্গ বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা ঢাকাগামী বাসে ৯২ হাজার ইয়াবা, আটক হেল্পার রাউজানে বিভিন্ন ইউনিয়ন এর পানিবন্দী মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা যুবদল চট্টগ্রামে ২২ মামলার আসামি ছিনতাই চক্রের মূলহোতা ‘বাদশা’ গ্রেপ্তার ভয়াবহ দুর্যোগেও হাটহাজারীতে গুলি ও কুপিয়ে একজনকে হত্যা, গ্রেফতার-১ কক্সবাজারে ৮ হাজার ইয়াবাসহ টেকনাফের পিকআপচালক আটক
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

গাইবান্ধায় শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত ৫ দিন থেকে দেখা মিলছে না সুর্যের

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৯৩ Time View

 

‎ ফয়সাল রহমান জনি ,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি‌:

ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় গাইবান্ধায় শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দেখা মিলছেনা সুর্যের।
গত ৫ দিন থেকে গাইবান্ধা শহরসহ জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলো ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। পাঁচ দিনও সূর্যের আলো না পাওয়ায় নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে হাসপাতালে। কৃষকরা ফসলের মাঠে খেত প্রস্তুত করতে নাকাল হয়ে পড়েছেন। নিম্ন আয়ের মানুষজন শীত নিবারণে পুরোনো শীতবস্ত্র কিনছেন, অনেককে আবার খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে শীত থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

‎শহরের পৌরসভা গাউন পট্টি গিয়ে দেখা যায়, তীব্র শীত ও কুয়াশার মধ্যেও জীবিকার তাগিদে একাধিক গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে কাজে নেমেছেন শ্রমজীবী মানুষ। স্বাভাবিক দিনের তুলনায় জনসমাগম কম থাকায় রিকশাচালকসহ অনেক কর্মজীবী মানুষকে শীতের কাপড় জড়িয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সূর্যের দেখা না থাকায় কুয়াশায় যানবাহন চলাচল করছে ধীরগতিতে, ফলে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

‎রিকশাচালকেরা জানান, কুয়াশার কারণে শহরে লোকজন কম, যাত্রীও মিলছে না। শীতের জন্য রিকশায় কেউ উঠতে চায় না। তবুও জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ঘর ছেড়ে বের হতে হচ্ছে। এদিকে ফুটপাতের দোকানগুলোতে গরম কাপড়ের বেচাকেনা বেড়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে জেলায় রবি ফসল, বোরো ধানের বীজতলা এবং মৌ খামারিদের মধু সংগ্রহে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। জেলার সাতটি উপজেলার মাঠে সরিষা, ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল এবং বোরো ধানের বীজতলা রয়েছে।

‎রংপুর আবহাওয়াবিদ মো. মোস্তাফিজার রহমান জানান, রোববার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। তিনি জানান, আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী বৃন্দের সাথে মতবিনিময় করলেন নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম

এ পরিস্থিতিতে কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা ও করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত ফসলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন, যাতে কোনো ক্ষতি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ

গাইবান্ধায় শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত ৫ দিন থেকে দেখা মিলছে না সুর্যের

সময়: ০৮:২৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 

‎ ফয়সাল রহমান জনি ,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি‌:

ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় গাইবান্ধায় শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দেখা মিলছেনা সুর্যের।
গত ৫ দিন থেকে গাইবান্ধা শহরসহ জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলো ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। পাঁচ দিনও সূর্যের আলো না পাওয়ায় নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে হাসপাতালে। কৃষকরা ফসলের মাঠে খেত প্রস্তুত করতে নাকাল হয়ে পড়েছেন। নিম্ন আয়ের মানুষজন শীত নিবারণে পুরোনো শীতবস্ত্র কিনছেন, অনেককে আবার খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে শীত থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

‎শহরের পৌরসভা গাউন পট্টি গিয়ে দেখা যায়, তীব্র শীত ও কুয়াশার মধ্যেও জীবিকার তাগিদে একাধিক গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে কাজে নেমেছেন শ্রমজীবী মানুষ। স্বাভাবিক দিনের তুলনায় জনসমাগম কম থাকায় রিকশাচালকসহ অনেক কর্মজীবী মানুষকে শীতের কাপড় জড়িয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সূর্যের দেখা না থাকায় কুয়াশায় যানবাহন চলাচল করছে ধীরগতিতে, ফলে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

‎রিকশাচালকেরা জানান, কুয়াশার কারণে শহরে লোকজন কম, যাত্রীও মিলছে না। শীতের জন্য রিকশায় কেউ উঠতে চায় না। তবুও জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ঘর ছেড়ে বের হতে হচ্ছে। এদিকে ফুটপাতের দোকানগুলোতে গরম কাপড়ের বেচাকেনা বেড়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে জেলায় রবি ফসল, বোরো ধানের বীজতলা এবং মৌ খামারিদের মধু সংগ্রহে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। জেলার সাতটি উপজেলার মাঠে সরিষা, ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল এবং বোরো ধানের বীজতলা রয়েছে।

‎রংপুর আবহাওয়াবিদ মো. মোস্তাফিজার রহমান জানান, রোববার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। তিনি জানান, আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বম্ভরপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

এ পরিস্থিতিতে কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা ও করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত ফসলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন, যাতে কোনো ক্ষতি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।