রিপোর্টার: মোঃ রেজাউল ইসলাম
ঢাকা মহানগর উত্তরের ভাটারা থানার তৃণমূল পর্যায় থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন নাসির উদ্দিন পলাশ। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রথম সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নাসির উদ্দিন পলাশের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সংগ্রাম ও জীবনের নানা প্রতিকূলতার কথা জানতে চাইলে তিনি নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার কথা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ভাটারা থানার খিলবাড়ির টেক ইউনিট ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি ওয়ার্ড এবং থানা পর্যায়ের ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বিষয়টি তৎকালীন ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আলী সাহেবের নজরে আসে।
পরবর্তীতে ইয়াসিন আলী দায়িত্ব পাওয়ার পর তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নাসির উদ্দিন পলাশকে ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকালে তিনি ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলকে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত ইউনিটে রূপান্তরিত করেন বলে দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, বিশেষ করে ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনে তিনি ও তার সহকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই আন্দোলনে তার দুই সহকর্মী তার চোখের সামনেই শহীদ হন বলে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে স্মৃতিচারণ করেন।
নাসির উদ্দিন পলাশ বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের সময় তিনি দিনের পর দিন না খেয়ে, না ঘুমিয়ে এবং আত্মগোপনে থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। পরিবারের থেকে দূরে থাকতে হয়েছে দীর্ঘ সময়। এমনকি তার স্ত্রী অসুস্থ থাকাকালীন সময়েও তিনি পাশে থাকতে পারেননি বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রথম সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ভবিষ্যতে দলের নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের পাশে কাজ করতে চান।
তার রাজনৈতিক জীবনে নাসির উদ্দিন পিন্টু, হাবিবুন নবী খান সোহেল, এস এম জাহাঙ্গীর, ইয়াসিন আলী, বর্তমান সভাপতি এস এন জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান খানসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আমার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে চাই।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি তাকে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি সংগঠনকে একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী ইউনিটে পরিণত করতে পারবেন।
শেষে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন এবং তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিজেকে একজন আদর্শ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলে জানান।
রিপোর্টার: মোঃ রেজাউল ইসলাম 


























