Dhaka ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
লালখান বাজারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সিএমপিতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ‘নিরাপত্তা সমন্বয় সভা’ অনুষ্ঠিত সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাতক্ষীরায় জামায়াতের ইউনিয়ন দায়িত্বশীল সমাবেশ ও শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৫৩টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ ও বিনষ্ট থানায় আপস, তবুও জমি দখলের তাণ্ডব! ফরিদগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমিতে ইট ফেলার অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ৭৪ বছরের বৃদ্ধ সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৬০ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা ডিমলায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শুরু
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

২,২০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি সাড়ে ৩ হাজার রোগী, জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে সেবায় চাপ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১৩৭ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিত্রে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৬৯ বছর পেরিয়ে গেলেও জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট এখনো কাটেনি। ১৯৫৭ সালে ১২০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করা হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০২২ সালে ২,২০০-তে উন্নীত করা হলেও বর্তমানে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকছেন।

অতিরিক্ত রোগীর চাপে অনেক ওয়ার্ডে বারান্দা ও মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের সীমাবদ্ধতার কারণে গুরুতর রোগীরাও অনেক সময় প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালটি এখনও ৫০০ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ৩০০ থেকে ৪০০ জন নার্সের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞের সংকটও অপারেশন ও আইসিইউ সেবায় প্রভাব ফেলছে।

হাসপাতালে এমআরআই মেশিন রয়েছে মাত্র একটি, সিটি স্ক্যান মেশিন দুটি। ম্যামোগ্রাফি ও চক্ষু বিভাগের ল্যাসিক মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অচল। এছাড়া অনেক প্রয়োজনীয় প্যাথলজি পরীক্ষা না হওয়ায় রোগীদের বেসরকারি ল্যাবের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতাল চত্বরে দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যও রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকের সংকট না থাকলেও নার্সের ঘাটতি প্রকট। শয্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগী ভর্তি থাকলেও কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। দালাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামসহ আশপাশের জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চমেক হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন ১৫ তলা ক্যান্সার ভবনের কাজ শেষ হলে স্থান সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল অফিস: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

লালখান বাজারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান

২,২০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি সাড়ে ৩ হাজার রোগী, জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে সেবায় চাপ

সময়: ০৭:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

ফটো চিত্রে, আপোষ জয়ধর,


চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৬৯ বছর পেরিয়ে গেলেও জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট এখনো কাটেনি। ১৯৫৭ সালে ১২০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করা হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০২২ সালে ২,২০০-তে উন্নীত করা হলেও বর্তমানে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকছেন।

অতিরিক্ত রোগীর চাপে অনেক ওয়ার্ডে বারান্দা ও মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের সীমাবদ্ধতার কারণে গুরুতর রোগীরাও অনেক সময় প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালটি এখনও ৫০০ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ৩০০ থেকে ৪০০ জন নার্সের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞের সংকটও অপারেশন ও আইসিইউ সেবায় প্রভাব ফেলছে।

হাসপাতালে এমআরআই মেশিন রয়েছে মাত্র একটি, সিটি স্ক্যান মেশিন দুটি। ম্যামোগ্রাফি ও চক্ষু বিভাগের ল্যাসিক মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অচল। এছাড়া অনেক প্রয়োজনীয় প্যাথলজি পরীক্ষা না হওয়ায় রোগীদের বেসরকারি ল্যাবের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতাল চত্বরে দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যও রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকের সংকট না থাকলেও নার্সের ঘাটতি প্রকট। শয্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগী ভর্তি থাকলেও কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। দালাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামসহ আশপাশের জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চমেক হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন ১৫ তলা ক্যান্সার ভবনের কাজ শেষ হলে স্থান সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছেন রাজশাহীতে