Dhaka ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন শহীদ জিয়াউর রহমানের গুণাবলীর সঙ্গে মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে এক অনন্য পথিকৃৎ: হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান চট্টগ্রামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের দালালের হাতে জিন্মি 🌙 মানব জীবন পত্রিকার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🌙 সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ওদের কাছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা বন্দী ছিল জিম্মি ছিলো!

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ১৮৪ Time View

 

জহুরুল ইসলাম জুয়েল : এদের কাছে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বন্দী হয়েছিল। আওয়ামীগকে বন্দী করে টাকা খেয়ে বিভিন্ন দলের লোক প্রশাসনে ঢুকিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই দলটিকে দেশ ছাড়া হতে হলো। যা কল্পনা করা যায় না।স্রোতের অনুকূলে গা ভাসিয়ে দিয়ে তৃণমূলকে উপেক্ষা করে দলটিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সব সময় বুঝাতো নেত্রী কোন সমস্যা নেই। সব ঠিক আছে। কারণ সমস্যা দিলে তো লুট করতে পারবেনা। সবকিছু ঠিকঠাক দেখাতে হবে। তাদের সাথে আরও কয়েকজন আছে। তারা সভানেত্রীকে চারপাশে ঘিরে রাখত। বাকীরা হলো:

১। ওবায়দুল কাদের- আপা ঢাকা ভার্সিটির আন্দোলনের জন্য সাদ্দামই যথেষ্ট।
২। তৎকালীন সামরিক উপদেষ্টা- স্রোতের দিকে গা ভাসিয়ে চলছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বালাই নেই।
৩। ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম- ঢাকা ভার্সিটি সহ সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এত বড় আন্দোলনের পরিকল্পনা সহ সমন্বয়ক নামক কমিটি গঠন করতেছে/ডিজাইন করতেছে কোন খোজ-খবর রাখে নাই।
পর্যালোচনা:
১। আজকে যদি উনি “শেখ হাসিনা” দেশত্যাগ করতে না পারতো তাহলে উনার মৃত্যুর ইতিহাস লেখকও লিখতে লজ্জা পেতো। কারণ উনার ‘শেখ হাসিনার’ মৃত্যুর প্লানিং এ যে ধরনের পরিকল্পনা ছিল তা অত্যন্ত বিভীষিকাময় এবং পৃথিবীর ইতিহাসও লজ্জায় ঢেকে যেত।
২। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির ১ টি উইকেট পড়ে গেছে বাকি রইল আরেকটি উইকেট। কাজেই বাকি উইকেটটি যেন স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির সহিত সহ অবস্থানে থাকে সেজন্য বিএনপিকে সেটা ইনসিউর করতে হবে। অত্যন্ত তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এগোতে হবে,জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের কথার সূত্র ধরেই বললাম উনি বলেছেন আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করা যায় সেই বিশ্বাসের অবস্থানটা যেন নড়বড় না হয়। আর আওয়ামী লীগকে বিএনপি’র প্রতি সেই মর্যাদা দিতে হবে।
৩। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের উপর তীক্ষ্ণ নজরদারি রাখতে হবে। ছাত্ররা যেন শুধু পড়াশোনায় মনোযোগী হয়। বিগত আমলে ছাত্রনেতারা সেটা পারে নাই।
৪। কোন সমস্যা নাই এবং চাটুকারিতা এই কথার শানেনুযুল খুব ভালোভাবে পর্যালোচনা করে আমলে নিতে হবে।
নোট: অপমানিত হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই সাথে তার আদর্শের তৃণমূল নেতা কর্মীরা। এখানে শুধু কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এই লাইন আরো অনেক লম্বা হবে আরো অনেক নেতাদের নাম সংযুক্ত হবে।

লেখকঃজহুরুল ইসলাম জুয়েল শিক্ষানবিস উকিল পটুয়াখালী,সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

বি:দ্র: এদের কাছে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা জিম্মি ছিলো দল জিম্মি ছিলো,আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা কর্মী সমর্থকরা নির্যাতিত ছিল সব কিছু থেকে বঞ্চিত ছিলো।

Tag :

জাতীয় ফল কাঁঠালের সমারোহে মুখর উঠোন, শিশুদের উচ্ছ্বাস

ওদের কাছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা বন্দী ছিল জিম্মি ছিলো!

সময়: ১১:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

 

জহুরুল ইসলাম জুয়েল : এদের কাছে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বন্দী হয়েছিল। আওয়ামীগকে বন্দী করে টাকা খেয়ে বিভিন্ন দলের লোক প্রশাসনে ঢুকিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই দলটিকে দেশ ছাড়া হতে হলো। যা কল্পনা করা যায় না।স্রোতের অনুকূলে গা ভাসিয়ে দিয়ে তৃণমূলকে উপেক্ষা করে দলটিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সব সময় বুঝাতো নেত্রী কোন সমস্যা নেই। সব ঠিক আছে। কারণ সমস্যা দিলে তো লুট করতে পারবেনা। সবকিছু ঠিকঠাক দেখাতে হবে। তাদের সাথে আরও কয়েকজন আছে। তারা সভানেত্রীকে চারপাশে ঘিরে রাখত। বাকীরা হলো:

১। ওবায়দুল কাদের- আপা ঢাকা ভার্সিটির আন্দোলনের জন্য সাদ্দামই যথেষ্ট।
২। তৎকালীন সামরিক উপদেষ্টা- স্রোতের দিকে গা ভাসিয়ে চলছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বালাই নেই।
৩। ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম- ঢাকা ভার্সিটি সহ সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এত বড় আন্দোলনের পরিকল্পনা সহ সমন্বয়ক নামক কমিটি গঠন করতেছে/ডিজাইন করতেছে কোন খোজ-খবর রাখে নাই।
পর্যালোচনা:
১। আজকে যদি উনি “শেখ হাসিনা” দেশত্যাগ করতে না পারতো তাহলে উনার মৃত্যুর ইতিহাস লেখকও লিখতে লজ্জা পেতো। কারণ উনার ‘শেখ হাসিনার’ মৃত্যুর প্লানিং এ যে ধরনের পরিকল্পনা ছিল তা অত্যন্ত বিভীষিকাময় এবং পৃথিবীর ইতিহাসও লজ্জায় ঢেকে যেত।
২। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির ১ টি উইকেট পড়ে গেছে বাকি রইল আরেকটি উইকেট। কাজেই বাকি উইকেটটি যেন স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির সহিত সহ অবস্থানে থাকে সেজন্য বিএনপিকে সেটা ইনসিউর করতে হবে। অত্যন্ত তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এগোতে হবে,জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের কথার সূত্র ধরেই বললাম উনি বলেছেন আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করা যায় সেই বিশ্বাসের অবস্থানটা যেন নড়বড় না হয়। আর আওয়ামী লীগকে বিএনপি’র প্রতি সেই মর্যাদা দিতে হবে।
৩। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের উপর তীক্ষ্ণ নজরদারি রাখতে হবে। ছাত্ররা যেন শুধু পড়াশোনায় মনোযোগী হয়। বিগত আমলে ছাত্রনেতারা সেটা পারে নাই।
৪। কোন সমস্যা নাই এবং চাটুকারিতা এই কথার শানেনুযুল খুব ভালোভাবে পর্যালোচনা করে আমলে নিতে হবে।
নোট: অপমানিত হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই সাথে তার আদর্শের তৃণমূল নেতা কর্মীরা। এখানে শুধু কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এই লাইন আরো অনেক লম্বা হবে আরো অনেক নেতাদের নাম সংযুক্ত হবে।

লেখকঃজহুরুল ইসলাম জুয়েল শিক্ষানবিস উকিল পটুয়াখালী,সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

বি:দ্র: এদের কাছে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা জিম্মি ছিলো দল জিম্মি ছিলো,আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা কর্মী সমর্থকরা নির্যাতিত ছিল সব কিছু থেকে বঞ্চিত ছিলো।